ঢাকা , শুক্রবার, ০৭ অগাস্ট ২০২৬, ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
চট্টগ্রামে নওফেলের বাসভবনে অগ্নিসংযোগের চেষ্টা, সিসিটিভিতে ৭ যুবক জিপিএস ব্যবহার ছাড়াই মার্কিন ঘাঁটিতে নিখুঁত হামলা চালান ইরানি পাইলটরা বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ১০০ পরিবারকে নতুন ঘর দেবেন প্রধানমন্ত্রী মেয়েদের আপত্তিকর ছবি তুলে লন্ডনে বয়ফ্রেন্ডের কাছে পাঠাতেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী ড. ইউনূসের চেয়ে ‘হাজারগুণ ভালো’ দেশ চালাচ্ছেন তারেক রহমান: কাদের সিদ্দিকী সকাল না হতেই মর্মান্তিক দুই দুর্ঘটনা, ঝরে গেল ১৫ প্রাণ মৃত্যুর পর যদি সন্তানেরা না করে, তাই জীবিত অবস্থায় নিজের চল্লিশার আয়োজন করলেন বৃদ্ধ অন্ধকারে মোজতবা খামেনির সঙ্গে বৈঠক, আসল মানুষ কিনা প্রশ্ন পেজেশকিয়ানের সিঙ্গারার লোভ দেখিয়ে স্কুল শিক্ষার্থীদের মিছিলে নিলেন যুবলীগ নেতা মসজিদের ইমামকে ওমরাহ উপহার, আবেগে ভাসল বিদায়ের মুহূর্ত

বন্যাদুর্গতদের যত দিন প্রয়োজন তত দিন ত্রাণ দেওয়া হবে: ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১১:২২:৪৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬
  • ৯৪ বার পড়া হয়েছে

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী এম. ইকবাল হোসেইন বলেছেন, রাঙ্গামাটির বন্যা ও পাহাড়ধসে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে সরকার রয়েছে। দুর্গতদের যত দিন প্রয়োজন, তত দিন ত্রাণ ও খাদ্য সহায়তা দেওয়া হবে। পাশাপাশি তাদের পুনর্বাসনের জন্য যা যা প্রয়োজন, সরকার তা করবে। শনিবার (১১ জুলাই) রাতে রাঙ্গামাটির কয়েকটি আশ্রয়কেন্দ্রে ত্রাণ বিতরণ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ক্ষতিগ্রস্তদের ত্রাণ ও খাবার যত দিন লাগে, তত দিন দেওয়া হবে। তিন মাস লাগলে তিন মাসই দেওয়া হবে। পাহাড়ধস ও বন্যায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্তদের দ্রুত পুনর্বাসনে সরকার কাজ করবে। ক্ষতিগ্রস্তদের ঘরবাড়ি মেরামতের জন্য টিন সরবরাহেরও পরিকল্পনা রয়েছে। তিনি আরও বলেন, পরিকল্পিতভাবে পাহাড়ের পাদদেশে ঝুঁকিপূর্ণভাবে বসবাসকারী মানুষকে নিরাপদ স্থানে পুনর্বাসনের বিষয়টি সরকারের বিবেচনায় রয়েছে। তবে কীভাবে এটি বাস্তবায়ন করা যায়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সবার সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

এম. ইকবাল হোসেইন বলেন, আমরা বর্তমান পরিস্থিতিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছি। সময় নিয়ে এ বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে। পাহাড়ের সার্বিক পরিস্থিতি সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী অবগত আছেন। সাবেক পার্বত্য মন্ত্রী ও সংসদ সদস্য দীপেন দেওয়ান বলেন, তিনি প্রতিদিন দুর্গত এলাকাগুলো পরিদর্শন করছেন, ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের খোঁজখবর নিচ্ছেন এবং ত্রাণ বিতরণ করছেন। যেসব এলাকায় এখনো ত্রাণ পৌঁছায়নি, সেখানে দ্রুত ত্রাণ পৌঁছে দেওয়ার কাজ চলছে।

তিনি বলেন, ফারুয়া দুর্গম এলাকা হওয়ায় সেখানে ত্রাণ পৌঁছে দিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাজ করছেন। আমাদের পর্যাপ্ত ত্রাণ ও অর্থ রয়েছে। আশা করছি, সবাইকে নিয়ে এই দুর্যোগ মোকাবিলা করা সম্ভব হবে। এ সময় উপস্থিত ছিলেন রাঙ্গামাটির জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফী, পুলিশ সুপার মুহাম্মদ আব্দুর রকিব, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. রুহুল আমিন, রাঙ্গামাটি পৌরসভার সাবেক মেয়র সাইফুল ইসলাম চৌধুরী ভূট্টোসহ বিএনপির বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

চট্টগ্রামে নওফেলের বাসভবনে অগ্নিসংযোগের চেষ্টা, সিসিটিভিতে ৭ যুবক

বন্যাদুর্গতদের যত দিন প্রয়োজন তত দিন ত্রাণ দেওয়া হবে: ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী

আপডেট সময় ১১:২২:৪৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী এম. ইকবাল হোসেইন বলেছেন, রাঙ্গামাটির বন্যা ও পাহাড়ধসে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে সরকার রয়েছে। দুর্গতদের যত দিন প্রয়োজন, তত দিন ত্রাণ ও খাদ্য সহায়তা দেওয়া হবে। পাশাপাশি তাদের পুনর্বাসনের জন্য যা যা প্রয়োজন, সরকার তা করবে। শনিবার (১১ জুলাই) রাতে রাঙ্গামাটির কয়েকটি আশ্রয়কেন্দ্রে ত্রাণ বিতরণ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ক্ষতিগ্রস্তদের ত্রাণ ও খাবার যত দিন লাগে, তত দিন দেওয়া হবে। তিন মাস লাগলে তিন মাসই দেওয়া হবে। পাহাড়ধস ও বন্যায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্তদের দ্রুত পুনর্বাসনে সরকার কাজ করবে। ক্ষতিগ্রস্তদের ঘরবাড়ি মেরামতের জন্য টিন সরবরাহেরও পরিকল্পনা রয়েছে। তিনি আরও বলেন, পরিকল্পিতভাবে পাহাড়ের পাদদেশে ঝুঁকিপূর্ণভাবে বসবাসকারী মানুষকে নিরাপদ স্থানে পুনর্বাসনের বিষয়টি সরকারের বিবেচনায় রয়েছে। তবে কীভাবে এটি বাস্তবায়ন করা যায়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সবার সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

এম. ইকবাল হোসেইন বলেন, আমরা বর্তমান পরিস্থিতিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছি। সময় নিয়ে এ বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে। পাহাড়ের সার্বিক পরিস্থিতি সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী অবগত আছেন। সাবেক পার্বত্য মন্ত্রী ও সংসদ সদস্য দীপেন দেওয়ান বলেন, তিনি প্রতিদিন দুর্গত এলাকাগুলো পরিদর্শন করছেন, ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের খোঁজখবর নিচ্ছেন এবং ত্রাণ বিতরণ করছেন। যেসব এলাকায় এখনো ত্রাণ পৌঁছায়নি, সেখানে দ্রুত ত্রাণ পৌঁছে দেওয়ার কাজ চলছে।

তিনি বলেন, ফারুয়া দুর্গম এলাকা হওয়ায় সেখানে ত্রাণ পৌঁছে দিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাজ করছেন। আমাদের পর্যাপ্ত ত্রাণ ও অর্থ রয়েছে। আশা করছি, সবাইকে নিয়ে এই দুর্যোগ মোকাবিলা করা সম্ভব হবে। এ সময় উপস্থিত ছিলেন রাঙ্গামাটির জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফী, পুলিশ সুপার মুহাম্মদ আব্দুর রকিব, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. রুহুল আমিন, রাঙ্গামাটি পৌরসভার সাবেক মেয়র সাইফুল ইসলাম চৌধুরী ভূট্টোসহ বিএনপির বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা।