ঢাকা , বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
আওয়ামী লীগের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তোলার খবরটি গুজব: তথ্যমন্ত্রী আওয়ামী লীগ কেন বারবার পাকিস্তান ও ‘আইএসআই’য়ের কথা বলছে? লোডশেডিংয়ে অতিষ্ঠ, বিদ্যুতের কর্মীকে আটকে রাখলেন এলাকাবাসী ধর্মান্তর ঠেকাতে কঠোর আইন করছে পশ্চিমবঙ্গ, জমি কেনাবেচাতেও বিধিনিষেধ পদত্যাগ করছেন মির্জা ফখরুল রামিসা হত্যা মামলার ডেথ রেফারেন্স ও আপিল শুনানির প্রস্তুতি সম্পন্ন মধ্যপ্রাচ্যের প্রথম দেশ হিসেবে মৃত্যুদণ্ড বাতিল করল লেবানন মির্জা ফখরুলকে বক্তব্য প্রত্যাহার করতে বললেন জামায়াতের ১১ এমপি ঢাকা-দিল্লি সম্পর্ক পুনরুদ্ধারে ভারতের স্পষ্ট অবস্থান চান বিশ্লেষকেরা মধ্যপ্রাচ্যের প্রথম দেশ হিসেবে মৃত্যুদণ্ড আইনি বাতিল করল লেবানন

মাঝ আকাশে ভয়াবহ ঝাঁকুনি, পরে জানা গেল- গাঁজা খেয়ে বিমান চালাচ্ছিলেন পাইলট!

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১০:৫৩:০৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬
  • ১০ বার পড়া হয়েছে

এবার থাইল্যান্ডের ফুকেত থেকে নয়াদিল্লিগামী এয়ার ইন্ডিয়ার একটি ফ্লাইটে মাঝআকাশে ভয়াবহ ঝাঁকুনি ও ৩০০ ফুট নিচে নেমে যাওয়ার ঘটনার তদন্তে চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে। ফ্লাইটের প্রধান পাইলট দুটি ডোপ টেস্টেইপজিটিভহয়েছেন এবং তার শরীরে নিষিদ্ধ মাদক গাঁজা সেবনের আলামত পাওয়া গেছে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি এক প্রতিবেদনে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

গত ৪ আগস্ট এআই২৩৭৯ ফ্লাইটটি ১৩৭ জন যাত্রী ও আটজন ক্রু নিয়ে ফুকেত থেকে দিল্লির উদ্দেশে রওনা হয়েছিল। উড্ডয়নকালীন মাঝপথে বিমানটি আকস্মিক তীব্র ঝাঁকুনির মুখে পড়ে মুহূর্তেই প্রায় ৩০০ ফুট নিচে নেমে যায়। এতে অন্তত ২০ জন যাত্রী এবং চারজন কেবিন ক্রু আহত হন। আহতদের মধ্যে দুই ক্রুর মেরুদণ্ড ও ঘাড়ে মারাত্মক চোট লেগেছে বলে জানিয়েছেন ভারতের বেসামরিক বিমান পরিবহন মন্ত্রী রাম মোহন নাইডু।

তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, বিমানটি যখননেগেটিভজিপরিস্থিতির শিকার হয়ে নিচে নেমে যাচ্ছিল, তখন প্রধান পাইলট ককপিটে নিজের আসনে ছিলেন না। সেই মুহূর্তে উড়োজাহাজটি পরিচালনা করছিলেন কোপাইলট। আকস্মিক এই পতনের ফলে ককপিটের ভেতরের বিভিন্ন সরঞ্জাম শূন্যে ভেসে ওঠে এবং সিটবেল্ট না বাঁধা যাত্রীরা ছিটকে পড়ে গুরুতর আহত হন।

দিল্লিতে অবতরণের পর নিয়মানুযায়ী দুই পাইলটকে ড্রাগ টেস্টের আওতায় আনা হয়। প্রথম দফার স্ক্রিনিংয়ে প্রধান পাইলটের শরীরে মাদকের অস্তিত্ব ধরা পড়ে। এরপর দ্বিতীয় দফায় নিশ্চিতকরণ পরীক্ষায় (কনফার্মেটরি টেস্ট) দেখা যায় তিনি গাঁজা সেবন করেছিলেন। এই ফলাফলের ভিত্তিতে তাকে এবং কোপাইলটকে অবিলম্বে উড়োজাহাজ চালানোর দায়িত্ব (অফরোস্টার) থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।

ভারতের বেসামরিক বিমান পরিবহন মন্ত্রণালয় এই ঘটনাকেমারাত্মক দুর্ঘটনাহিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করেছে। এয়ারক্রাফট অ্যাক্সিডেন্ট ইনভেস্টিগেশন ব্যুরো (এএআইবি) এর মাধ্যমে কারিগরি, পরিচালনা ও চিকিৎসা সংক্রান্ত প্রতিটি দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বিমান পরিবহন মন্ত্রী রাম মোহন নাইডু সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, আকাশপথে নিরাপত্তার প্রশ্নে কোনো ধরনের শিথিলতা সহ্য করা হবে না এবং অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

আওয়ামী লীগের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তোলার খবরটি গুজব: তথ্যমন্ত্রী

মাঝ আকাশে ভয়াবহ ঝাঁকুনি, পরে জানা গেল- গাঁজা খেয়ে বিমান চালাচ্ছিলেন পাইলট!

আপডেট সময় ১০:৫৩:০৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬

এবার থাইল্যান্ডের ফুকেত থেকে নয়াদিল্লিগামী এয়ার ইন্ডিয়ার একটি ফ্লাইটে মাঝআকাশে ভয়াবহ ঝাঁকুনি ও ৩০০ ফুট নিচে নেমে যাওয়ার ঘটনার তদন্তে চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে। ফ্লাইটের প্রধান পাইলট দুটি ডোপ টেস্টেইপজিটিভহয়েছেন এবং তার শরীরে নিষিদ্ধ মাদক গাঁজা সেবনের আলামত পাওয়া গেছে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি এক প্রতিবেদনে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

গত ৪ আগস্ট এআই২৩৭৯ ফ্লাইটটি ১৩৭ জন যাত্রী ও আটজন ক্রু নিয়ে ফুকেত থেকে দিল্লির উদ্দেশে রওনা হয়েছিল। উড্ডয়নকালীন মাঝপথে বিমানটি আকস্মিক তীব্র ঝাঁকুনির মুখে পড়ে মুহূর্তেই প্রায় ৩০০ ফুট নিচে নেমে যায়। এতে অন্তত ২০ জন যাত্রী এবং চারজন কেবিন ক্রু আহত হন। আহতদের মধ্যে দুই ক্রুর মেরুদণ্ড ও ঘাড়ে মারাত্মক চোট লেগেছে বলে জানিয়েছেন ভারতের বেসামরিক বিমান পরিবহন মন্ত্রী রাম মোহন নাইডু।

তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, বিমানটি যখননেগেটিভজিপরিস্থিতির শিকার হয়ে নিচে নেমে যাচ্ছিল, তখন প্রধান পাইলট ককপিটে নিজের আসনে ছিলেন না। সেই মুহূর্তে উড়োজাহাজটি পরিচালনা করছিলেন কোপাইলট। আকস্মিক এই পতনের ফলে ককপিটের ভেতরের বিভিন্ন সরঞ্জাম শূন্যে ভেসে ওঠে এবং সিটবেল্ট না বাঁধা যাত্রীরা ছিটকে পড়ে গুরুতর আহত হন।

দিল্লিতে অবতরণের পর নিয়মানুযায়ী দুই পাইলটকে ড্রাগ টেস্টের আওতায় আনা হয়। প্রথম দফার স্ক্রিনিংয়ে প্রধান পাইলটের শরীরে মাদকের অস্তিত্ব ধরা পড়ে। এরপর দ্বিতীয় দফায় নিশ্চিতকরণ পরীক্ষায় (কনফার্মেটরি টেস্ট) দেখা যায় তিনি গাঁজা সেবন করেছিলেন। এই ফলাফলের ভিত্তিতে তাকে এবং কোপাইলটকে অবিলম্বে উড়োজাহাজ চালানোর দায়িত্ব (অফরোস্টার) থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।

ভারতের বেসামরিক বিমান পরিবহন মন্ত্রণালয় এই ঘটনাকেমারাত্মক দুর্ঘটনাহিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করেছে। এয়ারক্রাফট অ্যাক্সিডেন্ট ইনভেস্টিগেশন ব্যুরো (এএআইবি) এর মাধ্যমে কারিগরি, পরিচালনা ও চিকিৎসা সংক্রান্ত প্রতিটি দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বিমান পরিবহন মন্ত্রী রাম মোহন নাইডু সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, আকাশপথে নিরাপত্তার প্রশ্নে কোনো ধরনের শিথিলতা সহ্য করা হবে না এবং অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।