ঢাকা , শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬, ২৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
জামায়াত আমিরের সঙ্গে জাপানের নিপ্পন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যানের বৈঠক মায়ের কাছে স্মার্ট ফোনের আবদার, টাকা না পেয়ে যুবকের আত্মহত্যা বিদ্যালয়ে সিনিয়রকে ‘তুই’ সম্বোধন করায় মাথা ফাটলো দুই শিক্ষার্থীর হাসপাতালে গৃহবধূর মরদেহ রেখে পালালেন শ্বশুরবাড়ির লোকজন ‘ই-হেলথ কার্ড’ চালুর বিষয়ে সুখবর দিলেন প্রধানমন্ত্রী কবিরাজি চিকিৎসার নামে ছাত্রীকে শ্লীলতাহানি, মাদরাসার প্রধান শিক্ষক গ্রেফতার বিএনপি কখনোই সংস্কারের পক্ষে ছিলো না: নাহিদ ইসলাম ‘পুশব্যাক’ ইস্যুতে ঢাকার সহযোগিতা চায় নয়াদিল্লি নারীর পোশাক নিয়ে নোংরা মন্তব্য, এমপি মিতুর ফেসবুক পোস্ট ধর্ষণ মামলায় ফাঁসানো হয় ইমামকে, ডিএনএ পরীক্ষায় মিলল সন্তানের পিতৃপরিচয়

ধানের শীষের প্রার্থীকে রেখে নেতাকর্মীরাই খেয়ে ফেললেন সব খাবার

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১১:১৫:০৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ নভেম্বর ২০২৫
  • ২৫৮ বার পড়া হয়েছে

কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের ‘ঢাকা লকডাউন’ কর্মসূচির সম্ভাব্য নাশকতা প্রতিরোধে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত সীতাকুণ্ড উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে বিএনপি ও এর অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা মহাসড়কের বিভিন্ন পয়েন্টে অবস্থান নেন।

এদিন দুপুরে সোনাইছড়ি ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ডের সাধারণ সম্পাদক মনসুর বিএনপির ধানের শীষের সম্ভাব্য প্রার্থী কাজী মোহাম্মদ সালাউদ্দিনকে ভাতের দাওয়াত দিয়েছিলেন। কিন্তু ছাত্রদল, যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের প্রায় দেড় শতাধিক নেতাকর্মী দুপুর দেড়টার আগেই পৌঁছে খাবারের সব আয়োজন শেষ করে ফেলে, ফলে সালাউদ্দিন ভাইকে খাওয়াতে পারেননি। মনসুর এই ঘটনার ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মিন্টু জানান, মনসুর ভাই কয়েকজনকে দাওয়াত দিয়েছিলেন, কিন্তু নিরাপত্তার কারণে প্রায় দেড় শত নেতাকর্মী বাড়িতে চলে আসে।

একই দিন সলিমপুর ইউনিয়ন বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের উদ্যোগে সিটি গেইট থেকে জলিল গেইট পর্যন্ত বিশাল মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়। শোভাযাত্রায় বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা অধ্যাপক আসলাম চৌধুরীর ছবিসংবলিত ব্যানার ও প্লেকার্ড প্রদর্শিত হয়। বাড়বকুণ্ড, ভাটিয়ারী ও মুরাদপুর ইউনিয়নেও বিক্ষোভ, প্রতিবাদ সভা ও মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়।

মুরাদপুর ইউনিয়নের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান হিরু বলেন, আসলাম চৌধুরীর মনোনয়ন শতভাগ নিশ্চিত। চট্টগ্রাম উত্তর জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি মোরসালিন জানান, সীতাকুণ্ডে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।

সীতাকুণ্ড উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক জহুরুল আলম জহুর বলেন, দলের তৃণমূল আসলাম চৌধুরীর নেতৃত্ব চায়। তারা চেয়ারপারসনের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছেন।

পুরো দিনজুড়ে সীতাকুণ্ডে বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের বিক্ষোভ, শোভাযাত্রা ও প্রতিবাদ কর্মসূচি শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হলেও মনসুরের বাড়ির দাওয়াতের খাবার খেয়ে ফেলার ঘটনা স্থানীয় রাজনীতিতে হাস্যরস ও আলোচনার জন্ম দিয়েছে।


 

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

জামায়াত আমিরের সঙ্গে জাপানের নিপ্পন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যানের বৈঠক

ধানের শীষের প্রার্থীকে রেখে নেতাকর্মীরাই খেয়ে ফেললেন সব খাবার

আপডেট সময় ১১:১৫:০৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ নভেম্বর ২০২৫

কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের ‘ঢাকা লকডাউন’ কর্মসূচির সম্ভাব্য নাশকতা প্রতিরোধে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত সীতাকুণ্ড উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে বিএনপি ও এর অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা মহাসড়কের বিভিন্ন পয়েন্টে অবস্থান নেন।

এদিন দুপুরে সোনাইছড়ি ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ডের সাধারণ সম্পাদক মনসুর বিএনপির ধানের শীষের সম্ভাব্য প্রার্থী কাজী মোহাম্মদ সালাউদ্দিনকে ভাতের দাওয়াত দিয়েছিলেন। কিন্তু ছাত্রদল, যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের প্রায় দেড় শতাধিক নেতাকর্মী দুপুর দেড়টার আগেই পৌঁছে খাবারের সব আয়োজন শেষ করে ফেলে, ফলে সালাউদ্দিন ভাইকে খাওয়াতে পারেননি। মনসুর এই ঘটনার ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মিন্টু জানান, মনসুর ভাই কয়েকজনকে দাওয়াত দিয়েছিলেন, কিন্তু নিরাপত্তার কারণে প্রায় দেড় শত নেতাকর্মী বাড়িতে চলে আসে।

একই দিন সলিমপুর ইউনিয়ন বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের উদ্যোগে সিটি গেইট থেকে জলিল গেইট পর্যন্ত বিশাল মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়। শোভাযাত্রায় বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা অধ্যাপক আসলাম চৌধুরীর ছবিসংবলিত ব্যানার ও প্লেকার্ড প্রদর্শিত হয়। বাড়বকুণ্ড, ভাটিয়ারী ও মুরাদপুর ইউনিয়নেও বিক্ষোভ, প্রতিবাদ সভা ও মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়।

মুরাদপুর ইউনিয়নের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান হিরু বলেন, আসলাম চৌধুরীর মনোনয়ন শতভাগ নিশ্চিত। চট্টগ্রাম উত্তর জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি মোরসালিন জানান, সীতাকুণ্ডে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।

সীতাকুণ্ড উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক জহুরুল আলম জহুর বলেন, দলের তৃণমূল আসলাম চৌধুরীর নেতৃত্ব চায়। তারা চেয়ারপারসনের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছেন।

পুরো দিনজুড়ে সীতাকুণ্ডে বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের বিক্ষোভ, শোভাযাত্রা ও প্রতিবাদ কর্মসূচি শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হলেও মনসুরের বাড়ির দাওয়াতের খাবার খেয়ে ফেলার ঘটনা স্থানীয় রাজনীতিতে হাস্যরস ও আলোচনার জন্ম দিয়েছে।