ঢাকা , শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬, ২৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
জামায়াত আমিরের সঙ্গে জাপানের নিপ্পন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যানের বৈঠক মায়ের কাছে স্মার্ট ফোনের আবদার, টাকা না পেয়ে যুবকের আত্মহত্যা বিদ্যালয়ে সিনিয়রকে ‘তুই’ সম্বোধন করায় মাথা ফাটলো দুই শিক্ষার্থীর হাসপাতালে গৃহবধূর মরদেহ রেখে পালালেন শ্বশুরবাড়ির লোকজন ‘ই-হেলথ কার্ড’ চালুর বিষয়ে সুখবর দিলেন প্রধানমন্ত্রী কবিরাজি চিকিৎসার নামে ছাত্রীকে শ্লীলতাহানি, মাদরাসার প্রধান শিক্ষক গ্রেফতার বিএনপি কখনোই সংস্কারের পক্ষে ছিলো না: নাহিদ ইসলাম ‘পুশব্যাক’ ইস্যুতে ঢাকার সহযোগিতা চায় নয়াদিল্লি নারীর পোশাক নিয়ে নোংরা মন্তব্য, এমপি মিতুর ফেসবুক পোস্ট ধর্ষণ মামলায় ফাঁসানো হয় ইমামকে, ডিএনএ পরীক্ষায় মিলল সন্তানের পিতৃপরিচয়

আজ শেখ হাসিনার মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলার রায় ঘোষণার তারিখ নির্ধারণ

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৯:১৭:২৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ নভেম্বর ২০২৫
  • ২৪৬ বার পড়া হয়েছে

 

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালসহ তিনজনের বিরুদ্ধে রায়ের দিন নির্ধারণ করা হবে আজ।

বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ দিন ঠিক করবেন। ট্রাইব্যুনালের অন্য দুই সদস্য হলেন বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও বিচারপতি মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।

গত ২৩ অক্টোবর এ মামলায় সমাপনী বক্তব্য দেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান। তিনি শেখ হাসিনা ও কামালের সর্বোচ্চ সাজা দাবি করেন এবং উল্লেখ করেন, মানবতাবিরোধী অপরাধে বিশ্বের অনেক হেভিওয়েট নেতাও বিচারের মুখোমুখি হয়েছেন। এরপর আসামিপক্ষের যুক্তির জবাব দেন চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম ও স্টেট ডিফেন্স আইনজীবী আমির হোসেন।

মামলায় সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন রাজসাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দিয়েছেন। ফলে তার বিষয়ে সিদ্ধান্ত ট্রাইব্যুনালের ওপর ছেড়ে দিয়েছে প্রসিকিউশন, যদিও তার আইনজীবী খালাস দাবি করেছেন।

শেখ হাসিনার মামলায় ৮৪ জন সাক্ষীর মধ্যে সাক্ষ্য দিয়েছেন ৫৪ জন। সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয় চলতি বছরের ৩ আগস্ট এবং শেষ হয় ৮ অক্টোবর। তাদের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের পাঁচটি অভিযোগ আনা হয়েছে— উসকানি, মারণাস্ত্র ব্যবহার, আবু সাঈদ হত্যা, চানখারপুলে হত্যা এবং আশুলিয়ায় লাশ পোড়ানো।

৮,৭৪৭ পৃষ্ঠার এই মামলার মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন, প্রমাণপত্র ও শহীদদের তালিকা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

এদিকে, শেখ হাসিনার রায় ঘিরে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে। বিভিন্ন স্থানে আগুন ও ককটেল হামলার মাধ্যমে বিশৃঙ্খলা তৈরির চেষ্টা চালাচ্ছে দলটির নেতাকর্মীরা বলে অভিযোগ উঠেছে। তবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানিয়েছে, তারা সম্পূর্ণ প্রস্তুত ও সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। ট্রাইব্যুনাল এলাকাসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থানে অতিরিক্ত পুলিশ, বিজিবি, সেনাবাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থার সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।

সব মিলিয়ে, জুলাই গণহত্যার প্রথম কোনো রায় শোনার অপেক্ষায় রয়েছে গোটা দেশ।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

জামায়াত আমিরের সঙ্গে জাপানের নিপ্পন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যানের বৈঠক

আজ শেখ হাসিনার মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলার রায় ঘোষণার তারিখ নির্ধারণ

আপডেট সময় ০৯:১৭:২৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ নভেম্বর ২০২৫

 

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালসহ তিনজনের বিরুদ্ধে রায়ের দিন নির্ধারণ করা হবে আজ।

বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ দিন ঠিক করবেন। ট্রাইব্যুনালের অন্য দুই সদস্য হলেন বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও বিচারপতি মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।

গত ২৩ অক্টোবর এ মামলায় সমাপনী বক্তব্য দেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান। তিনি শেখ হাসিনা ও কামালের সর্বোচ্চ সাজা দাবি করেন এবং উল্লেখ করেন, মানবতাবিরোধী অপরাধে বিশ্বের অনেক হেভিওয়েট নেতাও বিচারের মুখোমুখি হয়েছেন। এরপর আসামিপক্ষের যুক্তির জবাব দেন চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম ও স্টেট ডিফেন্স আইনজীবী আমির হোসেন।

মামলায় সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন রাজসাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দিয়েছেন। ফলে তার বিষয়ে সিদ্ধান্ত ট্রাইব্যুনালের ওপর ছেড়ে দিয়েছে প্রসিকিউশন, যদিও তার আইনজীবী খালাস দাবি করেছেন।

শেখ হাসিনার মামলায় ৮৪ জন সাক্ষীর মধ্যে সাক্ষ্য দিয়েছেন ৫৪ জন। সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয় চলতি বছরের ৩ আগস্ট এবং শেষ হয় ৮ অক্টোবর। তাদের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের পাঁচটি অভিযোগ আনা হয়েছে— উসকানি, মারণাস্ত্র ব্যবহার, আবু সাঈদ হত্যা, চানখারপুলে হত্যা এবং আশুলিয়ায় লাশ পোড়ানো।

৮,৭৪৭ পৃষ্ঠার এই মামলার মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন, প্রমাণপত্র ও শহীদদের তালিকা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

এদিকে, শেখ হাসিনার রায় ঘিরে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে। বিভিন্ন স্থানে আগুন ও ককটেল হামলার মাধ্যমে বিশৃঙ্খলা তৈরির চেষ্টা চালাচ্ছে দলটির নেতাকর্মীরা বলে অভিযোগ উঠেছে। তবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানিয়েছে, তারা সম্পূর্ণ প্রস্তুত ও সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। ট্রাইব্যুনাল এলাকাসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থানে অতিরিক্ত পুলিশ, বিজিবি, সেনাবাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থার সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।

সব মিলিয়ে, জুলাই গণহত্যার প্রথম কোনো রায় শোনার অপেক্ষায় রয়েছে গোটা দেশ।