ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬, ৩১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
কানাডায় ‘সাপের হানিমুন স্পট’! বসন্তে হাজার হাজার সাপের বিস্ময়কর মিলন দৃশ্য ডোমার থানার তদন্ত প্রতিবেদনে বিএনপি-জামায়াতকে ‘সন্ত্রাসী দল’ উল্লেখ, জেলাজুড়ে তোলপাড় ডিএমপির কদমতলীতে ১৯ লাখ টাকা ডাকাতি মামলা: জামায়াত নেতার ভাগ্নে কারাগারে, আরেকজনের জামিন সারজিস আলমের পোস্টে নতুন বিতর্ক, মাশরাফীর রাজনৈতিক ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন মাশরাফীকে কাঠগড়ায় দাঁড় করালেন সারজিস মাশরাফির পুরো ক্যারিয়ার শহীদের দুই ফোঁটা রক্তের কাছে নস্যি: রিফাত রশীদ আল্লাহর ভয় ও সৎ চরিত্র ছাড়া দুর্নীতি দূর করা অসম্ভব: সাবেক ধর্ম উপদেষ্টা গাজীপুরে আলোচিত ৫ খুন: সেই ফোরকানের মরদেহ মিলল পদ্মা নদীতে বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে ইইউ’র রাষ্ট্রদূত মিলারের বৈঠক মমতাকে ঘিরে কলকাতা হাইকোর্টে উত্তেজনা, ‘চোর’ ‘চোর’ স্লোগান

ডিএমপির কদমতলীতে ১৯ লাখ টাকা ডাকাতি মামলা: জামায়াত নেতার ভাগ্নে কারাগারে, আরেকজনের জামিন

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৫:০৪:০৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬
  • ১১ বার পড়া হয়েছে

ছিনতাই ও ডাকাতির মামলায় ঢাকা-৪ আসনের জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য জয়নুল আবেদীনের ভাগ্নে ইঞ্জিনিয়ার আসাদুজ্জামান সাব্বির মিয়াকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।

রাজধানীর কদমতলী থানা এলাকায় ফাঁকা গুলি ছুড়ে ১৯ লাখ টাকা ডাকাতি ও কয়েকজনকে কুপিয়ে আহত করার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় বুধবার ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কামাল উদ্দীন তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

মামলার নথি অনুযায়ী, গত ৬ মে বিকেলে ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী মো. হাসানসহ কয়েকজন প্রাইভেটকারে করে যাওয়ার সময় কদমতলী থানার ঢাকা ম্যাচ রেললাইন সংলগ্ন বাজার এলাকায় তাদের গতিরোধ করা হয়। পরে দেশীয় ধারালো অস্ত্র, আগ্নেয়াস্ত্র ও সুইচগিয়ার নিয়ে সংঘবদ্ধ হামলা চালানো হয়। হামলাকারীরা ফাঁকা গুলি ছুড়ে আতঙ্ক সৃষ্টি করে এবং ভুক্তভোগীদের মারধর করে আহত করে।

এ সময় গাড়িতে থাকা ব্যবসার নগদ ১৯ লাখ টাকা ছিনিয়ে নেওয়া হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। হামলায় মো. হাসান, রনি, মোতালেব ও নয়নসহ অন্তত পাঁচ থেকে সাতজন আহত হন। পরে তাদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

এ ঘটনায় ৭ মে কদমতলী থানায় মামলা করেন ভুক্তভোগী মো. হাসান। মামলায় ১৯ জনের নাম উল্লেখসহ আরও ২০–২৫ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়।

গ্রেফতার প্রক্রিয়া সম্পর্কে জানা যায়, গত মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে নতুন জুরাইনের আলমবাগ এলাকা থেকে র‍্যাব-১০ আসাদুজ্জামানকে গ্রেফতার করে। পরে তাকে আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কদমতলী থানার এসআই জহিরুল ইসলাম।

আসামিপক্ষে আইনজীবী আব্দুর রাজ্জাক জামিন আবেদন করে দাবি করেন, তার মক্কেল নির্দোষ এবং হয়রানিমূলকভাবে মামলায় জড়ানো হয়েছে। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষ জামিনের বিরোধিতা করে।

শুনানি শেষে আদালত আসাদুজ্জামানের জামিন আবেদন নাকচ করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। একই ঘটনায় আরেক আসামি রবু মিয়া আত্মসমর্পণ করে জামিন চাইলে আদালত তার জামিন মঞ্জুর করেন।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

কানাডায় ‘সাপের হানিমুন স্পট’! বসন্তে হাজার হাজার সাপের বিস্ময়কর মিলন দৃশ্য

ডিএমপির কদমতলীতে ১৯ লাখ টাকা ডাকাতি মামলা: জামায়াত নেতার ভাগ্নে কারাগারে, আরেকজনের জামিন

আপডেট সময় ০৫:০৪:০৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬

ছিনতাই ও ডাকাতির মামলায় ঢাকা-৪ আসনের জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য জয়নুল আবেদীনের ভাগ্নে ইঞ্জিনিয়ার আসাদুজ্জামান সাব্বির মিয়াকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।

রাজধানীর কদমতলী থানা এলাকায় ফাঁকা গুলি ছুড়ে ১৯ লাখ টাকা ডাকাতি ও কয়েকজনকে কুপিয়ে আহত করার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় বুধবার ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কামাল উদ্দীন তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

মামলার নথি অনুযায়ী, গত ৬ মে বিকেলে ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী মো. হাসানসহ কয়েকজন প্রাইভেটকারে করে যাওয়ার সময় কদমতলী থানার ঢাকা ম্যাচ রেললাইন সংলগ্ন বাজার এলাকায় তাদের গতিরোধ করা হয়। পরে দেশীয় ধারালো অস্ত্র, আগ্নেয়াস্ত্র ও সুইচগিয়ার নিয়ে সংঘবদ্ধ হামলা চালানো হয়। হামলাকারীরা ফাঁকা গুলি ছুড়ে আতঙ্ক সৃষ্টি করে এবং ভুক্তভোগীদের মারধর করে আহত করে।

এ সময় গাড়িতে থাকা ব্যবসার নগদ ১৯ লাখ টাকা ছিনিয়ে নেওয়া হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। হামলায় মো. হাসান, রনি, মোতালেব ও নয়নসহ অন্তত পাঁচ থেকে সাতজন আহত হন। পরে তাদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

এ ঘটনায় ৭ মে কদমতলী থানায় মামলা করেন ভুক্তভোগী মো. হাসান। মামলায় ১৯ জনের নাম উল্লেখসহ আরও ২০–২৫ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়।

গ্রেফতার প্রক্রিয়া সম্পর্কে জানা যায়, গত মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে নতুন জুরাইনের আলমবাগ এলাকা থেকে র‍্যাব-১০ আসাদুজ্জামানকে গ্রেফতার করে। পরে তাকে আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কদমতলী থানার এসআই জহিরুল ইসলাম।

আসামিপক্ষে আইনজীবী আব্দুর রাজ্জাক জামিন আবেদন করে দাবি করেন, তার মক্কেল নির্দোষ এবং হয়রানিমূলকভাবে মামলায় জড়ানো হয়েছে। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষ জামিনের বিরোধিতা করে।

শুনানি শেষে আদালত আসাদুজ্জামানের জামিন আবেদন নাকচ করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। একই ঘটনায় আরেক আসামি রবু মিয়া আত্মসমর্পণ করে জামিন চাইলে আদালত তার জামিন মঞ্জুর করেন।