ঢাকা , সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
দেশ ছেড়ে পালানোর চেষ্টা তনু হত্যাকাণ্ডের রিপোর্ট দেওয়া চিকিৎসকের কালবৈশাখী ঝড়ে বসতবাড়ির ওপর গাছ পড়ে ঘুমন্ত মা-মেয়েসহ নিহত ৩ কালবৈশাখী ঝড়ে দোকানে উপড়ে পড়ল বিশাল গাছ, প্রাণ গেল ঘুমন্ত ব্যবসায়ীর সন্ধ্যার মধ্যে দেশের ৫ অঞ্চলে ৮০ কিমি বেগে ঝড়-বৃষ্টির আভাস গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির পর আগাম জামিন চাইলেন এমপি আমির হামজা রাজনীতিতে কাউকে নির্মূল করা সম্ভব না, আওয়ামী লীগকেও না: মনোনয়ন বঞ্চিত পাপিয়া ইরান যুদ্ধ বন্ধে এবার চীনের দ্বারস্থ ট্রাম্প এই সরকারের মেয়াদেই বাংলাদেশ হবে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির দেশ জামায়াতের এমপির গাড়িতে হামলা: বিএনপি-ছাত্রদলের ৩ নেতা বহিষ্কার পাকিস্তানের নিজস্ব প্রযুক্তির ইলেক্ট্রো-অপটিক্যাল স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ

ফাইল তন্নতন্ন করে খুঁজেও মির্জা ফখরুলের দুর্নীতির প্রমাণ মেলেনি: স্ত্রী রাহাত আরা

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৩:০৫:৪২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ১৬৬ বার পড়া হয়েছে

এবার বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের শুরুর দিকের স্মৃতি ও সততার প্রসঙ্গ তুলে ধরে ভোটারদের কাছে ধানের শীষে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তার স্ত্রী রাহাত আরা বেগম। তিনি বলেন, ১৯৮৮ সালে প্রথম নির্বাচনের সময় ঠাকুরগাঁও পৌরসভা ছিল অব্যবস্থাপনায় জর্জরিত। সে সময় ঢাকায় চাকরি ছেড়ে পরিবারকে রেখে ঠাকুরগাঁওয়ে ফিরে এসে পৌরসভার দায়িত্ব কাঁধে নিয়েছিলেন মির্জা ফখরুল।

গতকাল শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) রাতে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার জামালপুর ইউনিয়নের মহেশালী গ্রামে এক উঠান বৈঠকে রাহাত আরা বেগম এসব কথা বলেন। তিনি জানান, সাইকেল প্রতীক নিয়ে মেয়র নির্বাচনে অংশ নিয়ে মির্জা ফখরুল পৌরসভার হাল ধরেছিলেন।

তিনি আরও বলেন, ২০০১ সালে বিএনপির মনোনয়নে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে পরে কৃষিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালনের পর সরকার পরিবর্তনের পর আওয়ামী লীগের মতিয়া চৌধুরী কৃষিমন্ত্রী হন। সে সময় তাঁর স্বামীর মন্ত্রী থাকাকালীন ফাইলপত্র খুঁটিয়ে দেখা হলেও কোনো অনিয়ম বা দুর্নীতির প্রমাণ মেলেনি বলে জানান রাহাত আরা বেগম। তাঁর ভাষ্য, মতিয়া চৌধুরী পর্যন্ত বলেছিলেন, ‘তন্নতন্ন করে খুঁজেও কোনো চুরি বা দুর্নীতির প্রমাণ পাওয়া যায়নি।’

উঠান বৈঠকে তিনি বলেন, ‘স্যার আগেও কয়েকবার নির্বাচন করেছেন। এবারের নির্বাচনটা হয়তো তাঁর শেষ। বয়সের কারণে এরপর আর নির্বাচন করা সম্ভব নাও হতে পারে।’ তিনি যোগ করেন, মির্জা ফখরুল এখন শুধু বিএনপির নন, গোটা দেশের একজন গুরুত্বপূর্ণ নেতা। তাঁকে বিজয়ী করতে পারলে এবং বিএনপিকে ক্ষমতায় আনতে পারলে তিনি আরও বড় পরিসরে কাজ করার সুযোগ পাবেন।

রাহাত আরা বেগম বলেন, দীর্ঘ ১৬ বছর বিএনপি ক্ষমতার বাইরে থেকেও মানুষের জন্য কাজ করার চেষ্টা করেছে। দল আবার রাষ্ট্রক্ষমতায় এলে দেশের জন্য একটি ‘নতুন বাংলাদেশ’ উপহার দেওয়া হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। এ ক্ষেত্রে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন তিনি। শেষে তিনি ভোটারদের উদ্দেশে বলেন, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে ভোট দিয়ে আবারও জয়যুক্ত করতে। বিএনপি ক্ষমতায় এলে ঠাকুরগাঁওয়ের উন্নয়ন আরও গতিশীল হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

দেশ ছেড়ে পালানোর চেষ্টা তনু হত্যাকাণ্ডের রিপোর্ট দেওয়া চিকিৎসকের

ফাইল তন্নতন্ন করে খুঁজেও মির্জা ফখরুলের দুর্নীতির প্রমাণ মেলেনি: স্ত্রী রাহাত আরা

আপডেট সময় ০৩:০৫:৪২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২৫

এবার বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের শুরুর দিকের স্মৃতি ও সততার প্রসঙ্গ তুলে ধরে ভোটারদের কাছে ধানের শীষে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তার স্ত্রী রাহাত আরা বেগম। তিনি বলেন, ১৯৮৮ সালে প্রথম নির্বাচনের সময় ঠাকুরগাঁও পৌরসভা ছিল অব্যবস্থাপনায় জর্জরিত। সে সময় ঢাকায় চাকরি ছেড়ে পরিবারকে রেখে ঠাকুরগাঁওয়ে ফিরে এসে পৌরসভার দায়িত্ব কাঁধে নিয়েছিলেন মির্জা ফখরুল।

গতকাল শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) রাতে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার জামালপুর ইউনিয়নের মহেশালী গ্রামে এক উঠান বৈঠকে রাহাত আরা বেগম এসব কথা বলেন। তিনি জানান, সাইকেল প্রতীক নিয়ে মেয়র নির্বাচনে অংশ নিয়ে মির্জা ফখরুল পৌরসভার হাল ধরেছিলেন।

তিনি আরও বলেন, ২০০১ সালে বিএনপির মনোনয়নে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে পরে কৃষিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালনের পর সরকার পরিবর্তনের পর আওয়ামী লীগের মতিয়া চৌধুরী কৃষিমন্ত্রী হন। সে সময় তাঁর স্বামীর মন্ত্রী থাকাকালীন ফাইলপত্র খুঁটিয়ে দেখা হলেও কোনো অনিয়ম বা দুর্নীতির প্রমাণ মেলেনি বলে জানান রাহাত আরা বেগম। তাঁর ভাষ্য, মতিয়া চৌধুরী পর্যন্ত বলেছিলেন, ‘তন্নতন্ন করে খুঁজেও কোনো চুরি বা দুর্নীতির প্রমাণ পাওয়া যায়নি।’

উঠান বৈঠকে তিনি বলেন, ‘স্যার আগেও কয়েকবার নির্বাচন করেছেন। এবারের নির্বাচনটা হয়তো তাঁর শেষ। বয়সের কারণে এরপর আর নির্বাচন করা সম্ভব নাও হতে পারে।’ তিনি যোগ করেন, মির্জা ফখরুল এখন শুধু বিএনপির নন, গোটা দেশের একজন গুরুত্বপূর্ণ নেতা। তাঁকে বিজয়ী করতে পারলে এবং বিএনপিকে ক্ষমতায় আনতে পারলে তিনি আরও বড় পরিসরে কাজ করার সুযোগ পাবেন।

রাহাত আরা বেগম বলেন, দীর্ঘ ১৬ বছর বিএনপি ক্ষমতার বাইরে থেকেও মানুষের জন্য কাজ করার চেষ্টা করেছে। দল আবার রাষ্ট্রক্ষমতায় এলে দেশের জন্য একটি ‘নতুন বাংলাদেশ’ উপহার দেওয়া হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। এ ক্ষেত্রে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন তিনি। শেষে তিনি ভোটারদের উদ্দেশে বলেন, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে ভোট দিয়ে আবারও জয়যুক্ত করতে। বিএনপি ক্ষমতায় এলে ঠাকুরগাঁওয়ের উন্নয়ন আরও গতিশীল হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।