ঢাকা , শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
জামায়াতের ফেসবুক পেজে বিজয়ী ৩৮ প্রার্থীর নাম ৫০ কেন্দ্রে জামায়াত প্রার্থী ডা. তাহের বড় ব্যবধানে এগিয়ে ঢাকা-১০ আসনে ৪ কেন্দ্রের ফলে এগিয়ে বিএনপি যশোর-২ চৌগাছা ৬০ কেন্দ্রে জামায়াত এগিয়ে, ধানের শীষ পেছনে কুষ্টিয়া-৩ আসনে ৪৫ কেন্দ্রে এগিয়ে জামায়াতে ইসলামী প্রার্থী মুফতি আমির হামজা নিজ কেন্দ্রে ৫ ভোটে পরাজিত জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান, জয়ী ধানের শীষের শফিকুল ইসলাম খান ধানের শীষে বিজয়ী নাসির উদ্দিন চৌধুরী, শুভেচ্ছা জানালেন জামায়াত প্রার্থী শিশির মনির ঝিনাইদহ-১ আসনে ধানের শীষে জয়ী সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান ঢাকা-১৫ আসনে ৩০ কেন্দ্রে এগিয়ে ডা. শফিকুর রহমান, দেশজুড়ে শান্তিপূর্ণভাবে শেষ ভোটগ্রহণ ঢাকা-৬ আসনে তিন কেন্দ্রে এগিয়ে ইশরাক হোসেন, ধানের শীষে ২৮০০ ভোট

জাতীয় পরিচয়পত্র জালিয়াতি ও তথ্য বিক্রি করে মাসে কোটি টাকার বেশি আয়; নির্বাচন কমিশনের দুই কর্মচারী গ্রেফতার

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৬:৫৬:৫২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৭৯ বার পড়া হয়েছে

জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) সংক্রান্ত সংবেদনশীল তথ্য জালিয়াতি ও অর্থের বিনিময়ে বিক্রির মাধ্যমে মাসে কোটি টাকার বেশি অবৈধ আয়ের অভিযোগে নির্বাচন কমিশনের এক কম্পিউটার অপারেটর কাম অফিস অ্যাসিস্টেন্টসহ দুইজনকে গ্রেফতার করেছে অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সিআইডির সাইবার পুলিশ সেন্টার (সিপিসি)-এর সাইবার ইনভেস্টিগেশনস অ্যান্ড অপারেশনস ইউনিট গত ১৪ জানুয়ারি রাতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) আওতাধীন বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করে। প্রথম দফায় আগারগাঁও নির্বাচন অফিস থেকে মো. আলামিন (৩৯) এবং পরবর্তীতে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মোহাম্মদপুরের চন্দ্রিমা হাউজিং এলাকা থেকে মো. হাবীবুল্লাহ (৪১)কে আটক করা হয়।

গ্রেফতারকৃতদের কাছ থেকে দুটি মোবাইল ফোন আলামত হিসেবে উদ্ধার করা হয়েছে। মো. হাবীবুল্লাহ গজারিয়া উপজেলা নির্বাচন অফিস, মুন্সিগঞ্জে সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর হিসেবে এবং মো. আলামিন ডাটা এন্ট্রি অপারেটর (আউটসোর্সিং) হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

তদন্তে জানা যায়, মো. আলামিনের কাছে থাকা সারা দেশের এনআইডি ডাটাবেজে প্রবেশযোগ্য গোপন আইডি ও পাসওয়ার্ডের মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে তথ্য যাচাই ও সংগ্রহ করা হতো। ওই আইডি ব্যবহার করে মো. হাবীবুল্লাহ প্রতিটি এনআইডি তথ্য ২০০ থেকে ৩০০ টাকার বিনিময়ে বিভিন্ন ব্যক্তির কাছে বিক্রি করতেন। নির্বাচন কমিশনের অনুসন্ধানে দেখা গেছে, মাত্র এক সপ্তাহে এক লক্ষের বেশি এবং এক মাসে সাড়ে তিন লক্ষাধিক এনআইডি তথ্য দেখা হয়েছে, যার আর্থিক মূল্য আনুমানিক ১১ কোটি টাকা।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃতরা এনআইডির মূল সার্ভারে অবৈধভাবে প্রবেশ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের মাধ্যমে তথ্য বিক্রি করে বিপুল অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার কথা স্বীকার করেছেন। পল্টন মডেল থানায় দায়ের করা মামলায় সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩ এবং জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন আইন, ২০১০-এর একাধিক ধারায় তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে।

গ্রেফতারকৃতদের আদালতে সোপর্দ ও রিমান্ড আবেদনসহ পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। মামলার তদন্তে অবৈধ অর্থের উৎস অনুসন্ধান, চক্রের অন্যান্য সদস্যদের শনাক্ত এবং পুরো নেটওয়ার্ক উদঘাটনে সিআইডির তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

জামায়াতের ফেসবুক পেজে বিজয়ী ৩৮ প্রার্থীর নাম

জাতীয় পরিচয়পত্র জালিয়াতি ও তথ্য বিক্রি করে মাসে কোটি টাকার বেশি আয়; নির্বাচন কমিশনের দুই কর্মচারী গ্রেফতার

আপডেট সময় ০৬:৫৬:৫২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬

জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) সংক্রান্ত সংবেদনশীল তথ্য জালিয়াতি ও অর্থের বিনিময়ে বিক্রির মাধ্যমে মাসে কোটি টাকার বেশি অবৈধ আয়ের অভিযোগে নির্বাচন কমিশনের এক কম্পিউটার অপারেটর কাম অফিস অ্যাসিস্টেন্টসহ দুইজনকে গ্রেফতার করেছে অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সিআইডির সাইবার পুলিশ সেন্টার (সিপিসি)-এর সাইবার ইনভেস্টিগেশনস অ্যান্ড অপারেশনস ইউনিট গত ১৪ জানুয়ারি রাতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) আওতাধীন বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করে। প্রথম দফায় আগারগাঁও নির্বাচন অফিস থেকে মো. আলামিন (৩৯) এবং পরবর্তীতে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মোহাম্মদপুরের চন্দ্রিমা হাউজিং এলাকা থেকে মো. হাবীবুল্লাহ (৪১)কে আটক করা হয়।

গ্রেফতারকৃতদের কাছ থেকে দুটি মোবাইল ফোন আলামত হিসেবে উদ্ধার করা হয়েছে। মো. হাবীবুল্লাহ গজারিয়া উপজেলা নির্বাচন অফিস, মুন্সিগঞ্জে সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর হিসেবে এবং মো. আলামিন ডাটা এন্ট্রি অপারেটর (আউটসোর্সিং) হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

তদন্তে জানা যায়, মো. আলামিনের কাছে থাকা সারা দেশের এনআইডি ডাটাবেজে প্রবেশযোগ্য গোপন আইডি ও পাসওয়ার্ডের মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে তথ্য যাচাই ও সংগ্রহ করা হতো। ওই আইডি ব্যবহার করে মো. হাবীবুল্লাহ প্রতিটি এনআইডি তথ্য ২০০ থেকে ৩০০ টাকার বিনিময়ে বিভিন্ন ব্যক্তির কাছে বিক্রি করতেন। নির্বাচন কমিশনের অনুসন্ধানে দেখা গেছে, মাত্র এক সপ্তাহে এক লক্ষের বেশি এবং এক মাসে সাড়ে তিন লক্ষাধিক এনআইডি তথ্য দেখা হয়েছে, যার আর্থিক মূল্য আনুমানিক ১১ কোটি টাকা।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃতরা এনআইডির মূল সার্ভারে অবৈধভাবে প্রবেশ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের মাধ্যমে তথ্য বিক্রি করে বিপুল অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার কথা স্বীকার করেছেন। পল্টন মডেল থানায় দায়ের করা মামলায় সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩ এবং জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন আইন, ২০১০-এর একাধিক ধারায় তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে।

গ্রেফতারকৃতদের আদালতে সোপর্দ ও রিমান্ড আবেদনসহ পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। মামলার তদন্তে অবৈধ অর্থের উৎস অনুসন্ধান, চক্রের অন্যান্য সদস্যদের শনাক্ত এবং পুরো নেটওয়ার্ক উদঘাটনে সিআইডির তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।