ঢাকা , শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬, ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
আর্জেন্টিনার জার্সি পরে এলে ফি অর্ধেক নেওয়ার ঘোষণা দিলেন চিকিৎসক তিন দিনের সফরে ঢাকায় তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সরকার পতনের পর আ. লীগ নেতাদের সঙ্গে কয়েক ধাপে মিটিং হান্নান মাসউদের সিআইডি প্রধানের দায়িত্ব পাওয়ার তিন দিনের মাথায় অবসরের আবেদন কারাগারে গান-কবিতার আড্ডা, আইভীর কবিতায় সুর দেন মমতাজ আম কুড়াতে গিয়ে বজ্রাঘাতে নিহত ৬, শোকের ছায়া চাঁপাইনবাবগঞ্জে ‘জনগণ ভাবছে সরকার ভোট নয়, ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে নির্বাচিত’ যুদ্ধবিরতি পরিকল্পনা প্রত্যাখ্যান হিজবুল্লাহর, হামলা অব্যাহত ইসরায়েলের ওসমান হাদি হত্যার বিচার দাবিতে শাহবাগে ইনকিলাব মঞ্চের মশাল মিছিল নিখোঁজের ৬ দিন পর এভারেস্টে জীবিত উদ্ধার নেপালি শেরপা

অর্থ আত্মসাৎ মামলায় আত্মসমর্পণ করে জামিন নিলেন অভিনেত্রী মেহজাবীন

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৬:৪৫:১১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ নভেম্বর ২০২৫
  • ১২৫৭ বার পড়া হয়েছে

এবার গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির পর আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী ও তার ভাই আলিসান চৌধুরী। রোববার (১৬ নভেম্বর) বিকেলে ঢাকার একটি আদালতে হাজির হয়ে জামিনের আবেদন করেন তারা। এর আগে পারিবারিক ব্যবসায় পার্টনার করার আশ্বাস দিয়ে ২৭ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে বাদী আমিরুল ইসলামের করা মামলায় তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছিল।

আদালত সূত্র জানায়, মামলার নির্ধারিত তারিখে হাজির না হওয়ায় গত ১০ নভেম্বর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-৩ এর বিচারক আফরোজা তানিয়া তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। পাশাপাশি গ্রেপ্তারি পরোয়ানা তামিল প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ১৮ ডিসেম্বর নতুন তারিখ ধার্য করা হয়।

মামলার অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, বাদী আমিরুল ইসলামের সঙ্গে দীর্ঘদিনের পরিচয়ের সুযোগ নিয়ে নতুন পারিবারিক ব্যবসায় অংশীদার করার প্রতিশ্রুতি দেন মেহজাবীন। এ কথায় আস্থা রেখে আমিরুল নগদ ও বিকাশের মাধ্যমে বিভিন্ন সময়ে মোট ২৭ লাখ টাকা অভিনেত্রী ও তার ভাইকে দেন। কিন্তু দীর্ঘদিনেও তারা কোনো ব্যবসায়িক উদ্যোগ নেননি। পাওনা টাকা চাইলে নানা অজুহাতে সময়ক্ষেপণ করেন।

অভিযোগে আরও উল্লেখ রয়েছে, চলতি বছরের ১১ ফেব্রুয়ারি টাকা ফেরত চাইতে গেলে বাদীকে ১৬ মার্চ হাতিরঝিল রোডের পাশের একটি রেস্টুরেন্টে দেখা করতে বলা হয়। সেখানে গেলে মেহজাবীন, তার ভাই ও আরও কয়েকজন তাকে অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ করেন। পাশাপাশি হুমকি দিয়ে বলেন-টাকা চাইতে এলে বা বাসার সামনে দেখা গেলে মেরে ফেলবে। এতে বাদী আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। ঘটনার পর বাদী থানায় অভিযোগ জানাতে গেলে ভাটারা থানা তাকে আদালতে মামলা করার পরামর্শ দেয়। পরে তিনি নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৭/১১৭(৩) ধারায় মামলা দায়ের করেন।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

আর্জেন্টিনার জার্সি পরে এলে ফি অর্ধেক নেওয়ার ঘোষণা দিলেন চিকিৎসক

অর্থ আত্মসাৎ মামলায় আত্মসমর্পণ করে জামিন নিলেন অভিনেত্রী মেহজাবীন

আপডেট সময় ০৬:৪৫:১১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ নভেম্বর ২০২৫

এবার গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির পর আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী ও তার ভাই আলিসান চৌধুরী। রোববার (১৬ নভেম্বর) বিকেলে ঢাকার একটি আদালতে হাজির হয়ে জামিনের আবেদন করেন তারা। এর আগে পারিবারিক ব্যবসায় পার্টনার করার আশ্বাস দিয়ে ২৭ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে বাদী আমিরুল ইসলামের করা মামলায় তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছিল।

আদালত সূত্র জানায়, মামলার নির্ধারিত তারিখে হাজির না হওয়ায় গত ১০ নভেম্বর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-৩ এর বিচারক আফরোজা তানিয়া তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। পাশাপাশি গ্রেপ্তারি পরোয়ানা তামিল প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ১৮ ডিসেম্বর নতুন তারিখ ধার্য করা হয়।

মামলার অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, বাদী আমিরুল ইসলামের সঙ্গে দীর্ঘদিনের পরিচয়ের সুযোগ নিয়ে নতুন পারিবারিক ব্যবসায় অংশীদার করার প্রতিশ্রুতি দেন মেহজাবীন। এ কথায় আস্থা রেখে আমিরুল নগদ ও বিকাশের মাধ্যমে বিভিন্ন সময়ে মোট ২৭ লাখ টাকা অভিনেত্রী ও তার ভাইকে দেন। কিন্তু দীর্ঘদিনেও তারা কোনো ব্যবসায়িক উদ্যোগ নেননি। পাওনা টাকা চাইলে নানা অজুহাতে সময়ক্ষেপণ করেন।

অভিযোগে আরও উল্লেখ রয়েছে, চলতি বছরের ১১ ফেব্রুয়ারি টাকা ফেরত চাইতে গেলে বাদীকে ১৬ মার্চ হাতিরঝিল রোডের পাশের একটি রেস্টুরেন্টে দেখা করতে বলা হয়। সেখানে গেলে মেহজাবীন, তার ভাই ও আরও কয়েকজন তাকে অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ করেন। পাশাপাশি হুমকি দিয়ে বলেন-টাকা চাইতে এলে বা বাসার সামনে দেখা গেলে মেরে ফেলবে। এতে বাদী আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। ঘটনার পর বাদী থানায় অভিযোগ জানাতে গেলে ভাটারা থানা তাকে আদালতে মামলা করার পরামর্শ দেয়। পরে তিনি নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৭/১১৭(৩) ধারায় মামলা দায়ের করেন।