ঢাকা , শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
বাউফলে নির্বাচন ঘিরে একাধিক সহিংসতা; পাল্টাপাল্টি অভিযোগ বিএনপি—জামায়াতের ১১ দলীয় জোটের চূড়ান্ত আসন ঘোষণা ১১ দলীয় জোটে আসন সমঝোতা চূড়ান্ত, সর্বোচ্চ ১৯০ আসন জামায়াতে ইসলামী ভোলায় বালিশ চাপায় স্ত্রীকে হত্যা, পাষণ্ড স্বামী আটক ফ্যামিলি ও কৃষি কার্ড বিতরণ বন্ধের দাবি জামায়াতের, সিইসির সঙ্গে বৈঠকে প্রটোকল সমতার আহ্বান জাতীয় পরিচয়পত্র জালিয়াতি ও তথ্য বিক্রি করে মাসে কোটি টাকার বেশি আয়; নির্বাচন কমিশনের দুই কর্মচারী গ্রেফতার বাউফলে ইউনিয়ন বিএনপির কার্যালয়ে পেট্রোল ঢেলে অগ্নিসংযোগের অভিযোগ বাউফলে জামায়াতের নেতা–কর্মীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন শেষ মুহূর্তে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন রাশেদ প্রধান ‘১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য’ নামে নির্বাচনে অংশ নেবে ১১ দল

ভারতের বিজয় দিবস ইঙ্গিত করে মোদির পোস্ট, একবারও উল্লেখ করলেন না বাংলাদেশের নাম

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১০:২৬:৪৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ১৪০ বার পড়া হয়েছে

এবার পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে নয় মাসের সশস্ত্র সংগ্রামের মাধ্যমে স্বাধীনতা অর্জন করে বাংলাদেশ। যুদ্ধের শেষ দিকে ভারতীয় সেনাবাহিনী এতে যোগ দেয়। এ কারণে ভারতও ১৬ ডিসেম্বরকে নিজেদের বিজয় দিবস হিসেবে পালন করে। তবে মূল বিজয় ছিল বাংলাদেশের। কারণ এদিনই বাংলাদেশ পেয়েছিল তার কাঙ্খিত স্বাধীনতা।

এদিকে বিজয় দিবস উপলক্ষ্যে ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আজ মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) ফেসবুকে একটি পোস্ট করেছেন। সেখানে তিনি ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বরের বিজয় দিবসকে ভারতের বিজয় দিবস হিসেবে ইঙ্গিত করেছেন। এছাড়া তার পোস্টে একবারও বাংলাদেশের নাম উল্লেখ করা হয়নি।

তিনি লিখেছেন, “বিজয় দিবসে, আমরা আমাদের সেই সাহসী সেনাদের স্মরণ করছি যাদের সাহসিকতা এবং আত্মত্যাগ ১৯৭১ সালে ভারতের এক ঐতিহাসিক বিজয় নিশ্চিত করেছিল। তাদের দৃঢ় মনোবল এবং নিস্বার্থ সেবা আমাদের দেশকে রক্ষা করেছে এবং আমাদের ইতিহাসে একটি গৌরবান্বিত মুহুর্ত খোদাই করেছে। এই দিনটি তাদের সাহসকে সম্মান জানায় এবং তাদের অসাধারণ মনোবলকে মনে করিয়ে দেয়। সেনাদের এই বীরত্ব ভারতের বহু প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করে চলেছে।”

এরআগে ভারতের সেনাবাহিনী বিজয় দিবস নিয়ে একটি পোস্ট দেয়। তারা সেখানে মুক্তিযোদ্ধাদের বীরত্বের কথা উল্লেখ করেছে। দেশটির সেনাবাহিনী বলেছে, “বিজয় দিবস শুধুমাত্র কোনো একটি তারিখ নয়— এটি ১৯৭১ সালের যুদ্ধে ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনীর ঐতিহাসিক ও চূড়ান্ত বিজয়ের একটি প্রতীক।”

মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে ভারতীয় সেনারা কাঁধে কাঁধ মিলিয় যুদ্ধ করেছে উল্লেখ করে তারা বলেছে, “এটি ছিল সেই বিজয়। যেখানে মুক্তিবাহিনী ও ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনী কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়াই করেছে। একসঙ্গে বাংলাদেশের স্বাধীনতার লড়াইকে নিয়ে গেছে চূড়ান্ত স্বাধীনতার দিকে। এটি এমন বিজয় যা ভারতীয় সেনাবাহিনীর ইতিহাসকে নতুন করে গড়ে তুলেছে, দক্ষিণ এশিয়ার মানচিত্রকে নতুন করে অঙ্কন করেছে এবং নতুন রাষ্ট্র বাংলাদেশের জন্ম দিয়েছে।” ভারতীয় সেনাবাহিনী আরও বলেছে, “পাকিস্তানি সেনাবাহিনী পুরো জাতির ওপর যে নৃসংশতা, অত্যাচার এবং নিষ্ঠুরতা চালিয়েছে, এই যুদ্ধ সেটির অবসান ঘটিয়েছে।”

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

বাউফলে নির্বাচন ঘিরে একাধিক সহিংসতা; পাল্টাপাল্টি অভিযোগ বিএনপি—জামায়াতের

ভারতের বিজয় দিবস ইঙ্গিত করে মোদির পোস্ট, একবারও উল্লেখ করলেন না বাংলাদেশের নাম

আপডেট সময় ১০:২৬:৪৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০২৫

এবার পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে নয় মাসের সশস্ত্র সংগ্রামের মাধ্যমে স্বাধীনতা অর্জন করে বাংলাদেশ। যুদ্ধের শেষ দিকে ভারতীয় সেনাবাহিনী এতে যোগ দেয়। এ কারণে ভারতও ১৬ ডিসেম্বরকে নিজেদের বিজয় দিবস হিসেবে পালন করে। তবে মূল বিজয় ছিল বাংলাদেশের। কারণ এদিনই বাংলাদেশ পেয়েছিল তার কাঙ্খিত স্বাধীনতা।

এদিকে বিজয় দিবস উপলক্ষ্যে ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আজ মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) ফেসবুকে একটি পোস্ট করেছেন। সেখানে তিনি ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বরের বিজয় দিবসকে ভারতের বিজয় দিবস হিসেবে ইঙ্গিত করেছেন। এছাড়া তার পোস্টে একবারও বাংলাদেশের নাম উল্লেখ করা হয়নি।

তিনি লিখেছেন, “বিজয় দিবসে, আমরা আমাদের সেই সাহসী সেনাদের স্মরণ করছি যাদের সাহসিকতা এবং আত্মত্যাগ ১৯৭১ সালে ভারতের এক ঐতিহাসিক বিজয় নিশ্চিত করেছিল। তাদের দৃঢ় মনোবল এবং নিস্বার্থ সেবা আমাদের দেশকে রক্ষা করেছে এবং আমাদের ইতিহাসে একটি গৌরবান্বিত মুহুর্ত খোদাই করেছে। এই দিনটি তাদের সাহসকে সম্মান জানায় এবং তাদের অসাধারণ মনোবলকে মনে করিয়ে দেয়। সেনাদের এই বীরত্ব ভারতের বহু প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করে চলেছে।”

এরআগে ভারতের সেনাবাহিনী বিজয় দিবস নিয়ে একটি পোস্ট দেয়। তারা সেখানে মুক্তিযোদ্ধাদের বীরত্বের কথা উল্লেখ করেছে। দেশটির সেনাবাহিনী বলেছে, “বিজয় দিবস শুধুমাত্র কোনো একটি তারিখ নয়— এটি ১৯৭১ সালের যুদ্ধে ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনীর ঐতিহাসিক ও চূড়ান্ত বিজয়ের একটি প্রতীক।”

মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে ভারতীয় সেনারা কাঁধে কাঁধ মিলিয় যুদ্ধ করেছে উল্লেখ করে তারা বলেছে, “এটি ছিল সেই বিজয়। যেখানে মুক্তিবাহিনী ও ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনী কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়াই করেছে। একসঙ্গে বাংলাদেশের স্বাধীনতার লড়াইকে নিয়ে গেছে চূড়ান্ত স্বাধীনতার দিকে। এটি এমন বিজয় যা ভারতীয় সেনাবাহিনীর ইতিহাসকে নতুন করে গড়ে তুলেছে, দক্ষিণ এশিয়ার মানচিত্রকে নতুন করে অঙ্কন করেছে এবং নতুন রাষ্ট্র বাংলাদেশের জন্ম দিয়েছে।” ভারতীয় সেনাবাহিনী আরও বলেছে, “পাকিস্তানি সেনাবাহিনী পুরো জাতির ওপর যে নৃসংশতা, অত্যাচার এবং নিষ্ঠুরতা চালিয়েছে, এই যুদ্ধ সেটির অবসান ঘটিয়েছে।”