ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬, ২৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
ভারত কিছু ভোলে না, কাউকে ক্ষমাও করে না: ভারতীয় বিমান বাহিনী  কলেজ পরিদর্শনে গিয়ে অবরুদ্ধ এমপি আমির হামজা প্রান্তিক কৃষকদের পাশে ব্র্যাক: বাউফলে ১০০ কৃষকের মাঝে উন্নত বীজ বিতরণ ১১৩ বিধায়ক নিয়ে কীভাবে সরকার চালাবেন?: বিজয়কে গভর্নরের প্রশ্ন এবার লক্কড়ঝক্কড় গাড়ির বিরুদ্ধে বিশেষ অভিযানে নামছে ডিএমপি বগুড়ায় আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ও নতুন বিমানঘাঁটির ঘোষণা বড় নেতাদের রক্ষিতা রাখার চেয়েও আমার দ্বিতীয় বিয়ে বড় অপরাধ!: সমালোচনার জবাবে মাদানী ভারত থেকে তিন ট্রাক বিস্ফোরক আমদানি করলো বাংলাদেশ রাজনীতিতে আর জড়াতে চান না দেব, ফিরছেন অভিনয়ে রাজধানীর সব বাসায় সোলার বসানোর উদ্যোগ সরকারের

শেখ হাসিনা মামলার রায় আজ: ‘খালাস চাই, বিচার স্বচ্ছ হয়েছে’—রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী আমির হোসেন

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১১:৩৮:৫৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৭ নভেম্বর ২০২৫
  • ৪০০ বার পড়া হয়েছে

 

জুলাই–আগস্ট আন্দোলনে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় পলাতক সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার রায় ঘোষণার আগে তার পক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মো. আমির হোসেন জানিয়েছেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মামলার বিচার স্বচ্ছ ও সুষ্ঠু হয়েছে। তিনি বলেন, “আমি চাই আমার মক্কেল খালাস পাক—এটাই স্বাভাবিক।”

সোমবার (১৭ নভেম্বর) সকালে ট্রাইব্যুনাল প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, বিচারিক প্রক্রিয়া যথাযথভাবে সম্পন্ন হয়েছে বলে তিনি বিশ্বাস করেন।

মামলাটিতে পলাতক রয়েছেন ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। আর আসামি থেকে রাজসাক্ষী হওয়া সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুনকে সকালে কড়া নিরাপত্তায় কারাগার থেকে প্রিজনভ্যানে করে ট্রাইব্যুনালে আনা হয়।

বেলা ১১টার পর ট্রাইব্যুনাল-১-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বে তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা করবেন। প্যানেলের অন্য সদস্যরা হলেন বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও বিচারপতি মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।

রায় ঘিরে ট্রাইব্যুনাল ও সুপ্রিম কোর্ট এলাকায় নেওয়া হয়েছে বহুস্তরীয় নিরাপত্তা; পুলিশ, র‍্যাব, এপিবিএন, বিজিবি ও সেনাবাহিনীর পাশাপাশি গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরাও মাঠে রয়েছেন। দোয়েল চত্বর–শিক্ষাভবনমুখী সড়কে যান চলাচল বন্ধ এবং সাধারণ মানুষের চলাচল সীমিত করা হয়েছে।

মামলার ২৮ কার্যদিবসে ৫৪ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য ও জেরা নেওয়া হয়। এরপর ৯ কার্যদিবস চলে প্রসিকিউশন, স্টেট ডিফেন্স এবং আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক ও পাল্টা যুক্তি। প্রসিকিউশন শেখ হাসিনা ও কামালের সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করেছে, আর রাজসাক্ষী চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত ট্রাইব্যুনালের ওপর ছেড়ে দিয়েছে।

মানবতাবিরোধী অপরাধের পাঁচটি অভিযোগের মধ্যে রয়েছে—উসকানি, মারণাস্ত্র ব্যবহার, আবু সাঈদ হত্যা, চানখাঁরপুলে হত্যা এবং আশুলিয়ায় লাশ পোড়ানো। মোট ৮ হাজার ৭৪৭ পৃষ্ঠার অভিযোগে রয়েছে ব্যাপক দালিলিক প্রমাণ, জব্দতালিকা ও সাক্ষ্য তালিকা।


 

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

ভারত কিছু ভোলে না, কাউকে ক্ষমাও করে না: ভারতীয় বিমান বাহিনী 

শেখ হাসিনা মামলার রায় আজ: ‘খালাস চাই, বিচার স্বচ্ছ হয়েছে’—রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী আমির হোসেন

আপডেট সময় ১১:৩৮:৫৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৭ নভেম্বর ২০২৫

 

জুলাই–আগস্ট আন্দোলনে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় পলাতক সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার রায় ঘোষণার আগে তার পক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মো. আমির হোসেন জানিয়েছেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মামলার বিচার স্বচ্ছ ও সুষ্ঠু হয়েছে। তিনি বলেন, “আমি চাই আমার মক্কেল খালাস পাক—এটাই স্বাভাবিক।”

সোমবার (১৭ নভেম্বর) সকালে ট্রাইব্যুনাল প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, বিচারিক প্রক্রিয়া যথাযথভাবে সম্পন্ন হয়েছে বলে তিনি বিশ্বাস করেন।

মামলাটিতে পলাতক রয়েছেন ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। আর আসামি থেকে রাজসাক্ষী হওয়া সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুনকে সকালে কড়া নিরাপত্তায় কারাগার থেকে প্রিজনভ্যানে করে ট্রাইব্যুনালে আনা হয়।

বেলা ১১টার পর ট্রাইব্যুনাল-১-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বে তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা করবেন। প্যানেলের অন্য সদস্যরা হলেন বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও বিচারপতি মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।

রায় ঘিরে ট্রাইব্যুনাল ও সুপ্রিম কোর্ট এলাকায় নেওয়া হয়েছে বহুস্তরীয় নিরাপত্তা; পুলিশ, র‍্যাব, এপিবিএন, বিজিবি ও সেনাবাহিনীর পাশাপাশি গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরাও মাঠে রয়েছেন। দোয়েল চত্বর–শিক্ষাভবনমুখী সড়কে যান চলাচল বন্ধ এবং সাধারণ মানুষের চলাচল সীমিত করা হয়েছে।

মামলার ২৮ কার্যদিবসে ৫৪ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য ও জেরা নেওয়া হয়। এরপর ৯ কার্যদিবস চলে প্রসিকিউশন, স্টেট ডিফেন্স এবং আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক ও পাল্টা যুক্তি। প্রসিকিউশন শেখ হাসিনা ও কামালের সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করেছে, আর রাজসাক্ষী চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত ট্রাইব্যুনালের ওপর ছেড়ে দিয়েছে।

মানবতাবিরোধী অপরাধের পাঁচটি অভিযোগের মধ্যে রয়েছে—উসকানি, মারণাস্ত্র ব্যবহার, আবু সাঈদ হত্যা, চানখাঁরপুলে হত্যা এবং আশুলিয়ায় লাশ পোড়ানো। মোট ৮ হাজার ৭৪৭ পৃষ্ঠার অভিযোগে রয়েছে ব্যাপক দালিলিক প্রমাণ, জব্দতালিকা ও সাক্ষ্য তালিকা।