ঢাকা , মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬, ৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিএনপি নেতা ও সাবেক এমপি মতিউর রহমান তালুকদার আর নেই

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১১:৪৪:২৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ নভেম্বর ২০২৫
  • ২৭৮ বার পড়া হয়েছে

 

বরগুনা-৩ (আমতলী–তালতলী) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য, সাবেক জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এবং বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মতিউর রহমান তালুকদার আর নেই। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

সোমবার (১৭ নভেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৯০ বছর। তিনি হৃদরোগসহ বিভিন্ন শারীরিক জটিলতায় ভুগছিলেন। স্ত্রী, দুই ছেলে ও এক মেয়েসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন তিনি।

দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে নানা উত্থান–পতনের মধ্য দিয়ে যাওয়া মতিউর রহমান তালুকদার প্রথম জাতীয়ভাবে আলোচনায় আসেন ১৯৮৮ সালের চতুর্থ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে। সে সময় তিনি জাতীয় পার্টির প্রার্থী হিসেবে বরগুনা-৩ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। পরবর্তীতে জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।

১৯৯১ সালের নির্বাচনে তিনি আওয়ামী লীগের প্রার্থী মজিবুর রহমান তালুকদারের কাছে অল্প ব্যবধানে পরাজিত হন। পরে ২০০১ সালের নির্বাচনে মজিবুর রহমান তালুকদারের আকস্মিক মৃত্যুর পর ওই আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হন শেখ হাসিনা। সেই নির্বাচনে শেখ হাসিনার বিপক্ষে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে মাত্র সাড়ে তিন হাজার ভোটে হারেন মতিউর রহমান।

পরবর্তীতে শেখ হাসিনা তিনটি আসনে জয়ী হওয়ায় বরগুনা-৩ আসন ছেড়ে দিলে অনুষ্ঠিত উপনির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে বিপুল ভোটে জয় লাভ করেন তিনি। এরপর তিনি সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

 

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

বিএনপি নেতা ও সাবেক এমপি মতিউর রহমান তালুকদার আর নেই

আপডেট সময় ১১:৪৪:২৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ নভেম্বর ২০২৫

 

বরগুনা-৩ (আমতলী–তালতলী) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য, সাবেক জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এবং বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মতিউর রহমান তালুকদার আর নেই। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

সোমবার (১৭ নভেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৯০ বছর। তিনি হৃদরোগসহ বিভিন্ন শারীরিক জটিলতায় ভুগছিলেন। স্ত্রী, দুই ছেলে ও এক মেয়েসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন তিনি।

দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে নানা উত্থান–পতনের মধ্য দিয়ে যাওয়া মতিউর রহমান তালুকদার প্রথম জাতীয়ভাবে আলোচনায় আসেন ১৯৮৮ সালের চতুর্থ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে। সে সময় তিনি জাতীয় পার্টির প্রার্থী হিসেবে বরগুনা-৩ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। পরবর্তীতে জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।

১৯৯১ সালের নির্বাচনে তিনি আওয়ামী লীগের প্রার্থী মজিবুর রহমান তালুকদারের কাছে অল্প ব্যবধানে পরাজিত হন। পরে ২০০১ সালের নির্বাচনে মজিবুর রহমান তালুকদারের আকস্মিক মৃত্যুর পর ওই আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হন শেখ হাসিনা। সেই নির্বাচনে শেখ হাসিনার বিপক্ষে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে মাত্র সাড়ে তিন হাজার ভোটে হারেন মতিউর রহমান।

পরবর্তীতে শেখ হাসিনা তিনটি আসনে জয়ী হওয়ায় বরগুনা-৩ আসন ছেড়ে দিলে অনুষ্ঠিত উপনির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে বিপুল ভোটে জয় লাভ করেন তিনি। এরপর তিনি সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।