ঢাকা , শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
গ্যাস-বিদ্যুৎ সমস্যার সমাধান না হলে সরকারকে ‘লাল কার্ড’: নাহিদ ইসলাম মাকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে সম্পত্তি আত্মসাৎ, ২৬ বছর পর উদ্ধার মানুষ নামাজে এসে বলে গ্যাস নাই, গ্যাস দেন: জামায়াত আমির ঘরে আলো নেই, মোমবাতিই এখন একমাত্র সম্বল: সেলিম উদ্দিন নাহিদ-আসিফের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানালেন ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক ১৫ আগস্ট ঘিরে নাশকতার অভিযোগ, গ্রেপ্তার ৫২ জন কারাগারে চট্টগ্রামে জামায়াত নেতার মাদরাসায় মিলল ১৩ বস্তা সরকারি ধানের বীজ বন্ধ হয়ে গেল বড়পুকুরিয়া বিদ্যুৎকেন্দ্রের ১ নম্বর ইউনিটের উৎপাদন গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন না করলে সরকারকে ক্ষমতায় থাকতে দেব না: নাহিদ ইসলাম ইরানের পরমাণু ইস্যুর চেয়ে তেলের দাম কম রাখাই এখন ‘টপ প্রায়োরিটি’: ভ্যান্স

মুস্তাফিজের দলে তারার মেলা, যেমন হলো ১২৪ কোটি ৫৫ লাখ রুপির কলকাতা

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১০:২৩:০৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ৮৪২ বার পড়া হয়েছে

জনপ্রিয় ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের ১৯তম আসরের মিনি নিলাম শেষ। আবুধাবিতে অনুষ্ঠিত এই খেলোয়াড় কেনার প্রতিযোগিতায় বেশ ভালো পারফর্ম করেছে তিনবারের চ্যাম্পিয়ন কলকাতা নাইট রাইডার্স। ১০ ফ্র্যাঞ্চাইজি মোট ৭৭ জন খেলোয়াড় কিনেছে, এর মধ্যে সর্বোচ্চ ১৩ জন শাহরুখ খানের দলে। ৬৪ কোটি ৩০ লাখ রুপি নিয়ে নিলামে অংশগ্রহণ করে কেকেআর। মোট ৬৩ কোটি ৮৫ লাখ রুপি খরচ করেছে তারা দলের কোটা পূরণে। ২৫ জনের এই দলে কলকাতার মোট খরচ ১২৪ কোটি ৫৫ লাখ রুপি। নিলামে সবচেয়ে বেশি দাম পাওয়া দুই ক্রিকেটার কলকাতার। অস্ট্রেলিয়ার অলরাউন্ডার ক্যামেরন গ্রিন ২৫ কোটি ২০ লাখ রুপিতে এই ফ্র্যাঞ্চাইজির হয়েছেন। আইপিএল ইতিহাসে সবচেয়ে দামী বিদেশি খেলোয়াড় তিনি। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১৮ কোটি রুপির খেলোয়াড় শ্রীলঙ্কার পেসার মাথিশা পাথিরানা। তিনিও কলকাতার।

রেকর্ড দামে কলকাতার হয়ে অজি অলরাউন্ডার সোশ্যাল মিডিয়ায় দেওয়া বার্তায় বলেছেন, ‘হাই, কেকেআর সমর্থকেরা। আগামী আইপিএলে কেকেআরের সদস্য হতে পেরে আমি খুবই উত্তেজিত। ইডেন গার্ডেন্সে বল করার জন্য মুখিয়ে রয়েছি। আশা করি, আপনাদের একটা দুর্দান্ত মৌসুম উপহার দিতে পারব। আমাকে শুধু পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে নিতে হবে। খুব তাড়াতাড়ি আপনাদের সঙ্গে দেখা হবে। এখন আমিও কেকেআর।’ পাথিরানাও উচ্ছ্বসিত বলেছেন, ‘হ্যালো, এ বারের আইপিএলে বেগুনি-সোনালি জার্সি পরে খেলব। খুব উত্তেজিত লাগছে। আবার ডোয়াইন ব্র্যাভোর সঙ্গে কাজ করার সুযোগ পাব। সকলকে ধন্যবাদ। আমি কেকেআর।’ কলকাতায় পরের সবচেয়ে দামী খেলোয়াড় বাংলাদেশের পেসার মুস্তাফিজুর রহমান। দেশের ইতিহাসে রেকর্ড ৯ কোটি ২০ লাখ রুপিতে তিনি তিনবারের চ্যাম্পিয়নদের সঙ্গে যোগ দিচ্ছেন। ২ কোটি রুপি ভিত্তিমূল্যে নিলামে অংশ নেওয়া বাঁহাতি পেসার বলেন, ‘বেগুনি জার্সিতে খেলার স্বপ্ন দেখছি। রোমাঞ্চিত এবং এই দলের হয়ে খেলার জন্য অধীর অপেক্ষায় আছি।’

নিউজিল্যান্ডের অলরাউন্ডার রাচিন রবীন্দ্রকেও কিনেছে কলকাতা। চেন্নাই সুপার কিংসের ছেড়ে দেওয়া ভারতীয় বংশোদ্ভুত এই ক্রিকেটারকে নিতে খরচ হয়েছে ২ কোটি রুপি। কয়েক বছর পর কলকাতার জার্সিতে দেখা যাবে বাংলার ক্রিকেটার আকাশ দীপকে। ভারতীয় দলের ফাস্ট বোলারকে ন্যূনতম ১ কোটি টাকায় দলে নিয়েছে তারা। নিউজিল্যান্ডের উইকেটরক্ষক-ব্যাটার ফিন অ্যালেনকে নিতে খরচ হয়েছে ২ কোটি টাকা। আরেক কিউই উইকেটরক্ষক-ব্যাটার টিম সেইফার্ট একই দলে গেছেন ন্যূনতম ১ কোটি ৫০ লাখ রুপিতে।

ভারতীয় উইকেটরক্ষক-ব্যাটার হিসেবে কলকাতা নিয়েছে তেজস্বী সিং দাহিয়াকে। মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স ও রাজস্থান রয়্যালসের সঙ্গে লড়াই করে দিল্লির ক্রিকেটারকে কিনতে খরচ হয়েছে ৩ কোটি রুপি। দিল্লির ২৫ বছরের ক্রিকেটার কখনো আইপিএল খেলেননি। তবু ভিত্তিমূল্যের ১০গুণ রুপি খরচ করার নেপথ্যে রয়েছে অন্য কারণ। আগ্রাসী ব্যাটার হিসাবে পরিচিত তেজস্বী। দিল্লির হয়ে চারটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচে ৫৬.৫ গড়ে করেছেন ১১৩ রান। তার চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ হলো তার স্ট্রাইক রেট। টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে তার স্ট্রাইক রেট ১৭০। দিল্লি প্রিমিয়ার লিগে ১২ বলে ফিফটি করে নজর কাড়েন। এই প্রতিযোগিতায় তার স্ট্রাইক রেট ১৯০, করেছেন ৩৩৯ রান। যেখানে তিনি ২০টি চার ও ২৯টি ছক্কা মারেন। এছাড়া দিল্লির একটি প্রতিযোগিতায় ওভারের ছয় বলে ছয়টি ছক্কা মারারও নজির রয়েছে তেজস্বীর। দলের রিজার্ভ ফিনিশার হিসেবে তাকে নেওয়া হয়েছে।

দলে এসেছেন উত্তরপ্রদেশের ২৫ বছর বয়সী ফাস্ট বোলার কার্তিক ত্যাগী। তাকে ন্যূনতম ৩০ লাখ রুপিতে পাওয়া গেছে। গুজরাট টাইটান্স, রাজস্থান রয়্যালস ও সানরাইজার্স হায়দরাবাদের হয়ে আইপিএলে ২০টি ম্যাচ খেলে ১৫টি উইকেট নেন তিনি। ন্যূনতম ৩০ লাখ টাকায় কলকাতা কিনেছে প্রশান্ত সোলাঙ্কিকেও। মুম্বাইয়ের ২৫ বছরের লেগ স্পিনার ২০২২ সালে চেন্নাই সুপার কিংসের হয়ে দুটি ম্যাচ খেলে ২ উইকেট নিয়েছিলেন। সৈয়দ মুশতাক আলি ট্রফির পারফরম্যান্সের ভিত্তিতে তাকেও দলে নেওয়া হয়েছে। ইডেনে তিনটি ম্যাচ খেলে কম রান খরচে ৩ উইকেট পেয়েছেন। রাহুল ত্রিপাঠী চার বছর পর ফিরেছেন। ৩৪ বছরের ব্যাটারকে ৭৫ লাখ রুপিতে নিয়েছে কলকাতা। ২০২০ ও ২০২১ সালে দলটির হয়ে ২৮টি ম্যাচ খেলেছেন তিনি। এছাড়া আরও চারটি দলের হয়ে আইপিএলে সব মিলিয়ে ১০০টি ম্যাচ খেলার অভিজ্ঞতা রয়েছে তার। ৩০ লাখ রুপিতে দিল্লির অলরাউন্ডার সার্থক রঞ্জন ও হায়দরাবাদের অলরাউন্ডার দক্ষ কামরাকে কিনেছে তিনবারের চ্যাম্পিয়নরা।

এবার ধরে রাখা ক্রিকেটার: আজিঙ্কা রাহানে, অঙ্গকৃশ রঘুবংশী, অনুকুল রায়, হার্ষিত রানা, মানীশ পাণ্ডে, রমনদীপ সিং, রিংকু সিং, রভম্যান পাওয়েল, সুনীল নারিন, উমরান মালিক, বৈভব অরোরা ও বরুণ চক্রবর্তী।

গতকাল নিলাম থেকে পাওয়া ক্রিকেটার: ক্যামেরন গ্রিন, মাথিশা পাথিরানা, মুস্তাফিজুর রহমান, রাচিন রবীন্দ্র, আকাশ দীপ, ফিন অ্যালেন, টিম সেইফার্ট, তেজস্বী সিং দাহিয়া, কার্তিক ত্যাগী, রাহুল ত্রিপাঠী, প্রশান্ত সোলাঙ্কি, সার্থক রঞ্জন ও দক্ষ কামরা।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

গ্যাস-বিদ্যুৎ সমস্যার সমাধান না হলে সরকারকে ‘লাল কার্ড’: নাহিদ ইসলাম

মুস্তাফিজের দলে তারার মেলা, যেমন হলো ১২৪ কোটি ৫৫ লাখ রুপির কলকাতা

আপডেট সময় ১০:২৩:০৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০২৫

জনপ্রিয় ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের ১৯তম আসরের মিনি নিলাম শেষ। আবুধাবিতে অনুষ্ঠিত এই খেলোয়াড় কেনার প্রতিযোগিতায় বেশ ভালো পারফর্ম করেছে তিনবারের চ্যাম্পিয়ন কলকাতা নাইট রাইডার্স। ১০ ফ্র্যাঞ্চাইজি মোট ৭৭ জন খেলোয়াড় কিনেছে, এর মধ্যে সর্বোচ্চ ১৩ জন শাহরুখ খানের দলে। ৬৪ কোটি ৩০ লাখ রুপি নিয়ে নিলামে অংশগ্রহণ করে কেকেআর। মোট ৬৩ কোটি ৮৫ লাখ রুপি খরচ করেছে তারা দলের কোটা পূরণে। ২৫ জনের এই দলে কলকাতার মোট খরচ ১২৪ কোটি ৫৫ লাখ রুপি। নিলামে সবচেয়ে বেশি দাম পাওয়া দুই ক্রিকেটার কলকাতার। অস্ট্রেলিয়ার অলরাউন্ডার ক্যামেরন গ্রিন ২৫ কোটি ২০ লাখ রুপিতে এই ফ্র্যাঞ্চাইজির হয়েছেন। আইপিএল ইতিহাসে সবচেয়ে দামী বিদেশি খেলোয়াড় তিনি। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১৮ কোটি রুপির খেলোয়াড় শ্রীলঙ্কার পেসার মাথিশা পাথিরানা। তিনিও কলকাতার।

রেকর্ড দামে কলকাতার হয়ে অজি অলরাউন্ডার সোশ্যাল মিডিয়ায় দেওয়া বার্তায় বলেছেন, ‘হাই, কেকেআর সমর্থকেরা। আগামী আইপিএলে কেকেআরের সদস্য হতে পেরে আমি খুবই উত্তেজিত। ইডেন গার্ডেন্সে বল করার জন্য মুখিয়ে রয়েছি। আশা করি, আপনাদের একটা দুর্দান্ত মৌসুম উপহার দিতে পারব। আমাকে শুধু পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে নিতে হবে। খুব তাড়াতাড়ি আপনাদের সঙ্গে দেখা হবে। এখন আমিও কেকেআর।’ পাথিরানাও উচ্ছ্বসিত বলেছেন, ‘হ্যালো, এ বারের আইপিএলে বেগুনি-সোনালি জার্সি পরে খেলব। খুব উত্তেজিত লাগছে। আবার ডোয়াইন ব্র্যাভোর সঙ্গে কাজ করার সুযোগ পাব। সকলকে ধন্যবাদ। আমি কেকেআর।’ কলকাতায় পরের সবচেয়ে দামী খেলোয়াড় বাংলাদেশের পেসার মুস্তাফিজুর রহমান। দেশের ইতিহাসে রেকর্ড ৯ কোটি ২০ লাখ রুপিতে তিনি তিনবারের চ্যাম্পিয়নদের সঙ্গে যোগ দিচ্ছেন। ২ কোটি রুপি ভিত্তিমূল্যে নিলামে অংশ নেওয়া বাঁহাতি পেসার বলেন, ‘বেগুনি জার্সিতে খেলার স্বপ্ন দেখছি। রোমাঞ্চিত এবং এই দলের হয়ে খেলার জন্য অধীর অপেক্ষায় আছি।’

নিউজিল্যান্ডের অলরাউন্ডার রাচিন রবীন্দ্রকেও কিনেছে কলকাতা। চেন্নাই সুপার কিংসের ছেড়ে দেওয়া ভারতীয় বংশোদ্ভুত এই ক্রিকেটারকে নিতে খরচ হয়েছে ২ কোটি রুপি। কয়েক বছর পর কলকাতার জার্সিতে দেখা যাবে বাংলার ক্রিকেটার আকাশ দীপকে। ভারতীয় দলের ফাস্ট বোলারকে ন্যূনতম ১ কোটি টাকায় দলে নিয়েছে তারা। নিউজিল্যান্ডের উইকেটরক্ষক-ব্যাটার ফিন অ্যালেনকে নিতে খরচ হয়েছে ২ কোটি টাকা। আরেক কিউই উইকেটরক্ষক-ব্যাটার টিম সেইফার্ট একই দলে গেছেন ন্যূনতম ১ কোটি ৫০ লাখ রুপিতে।

ভারতীয় উইকেটরক্ষক-ব্যাটার হিসেবে কলকাতা নিয়েছে তেজস্বী সিং দাহিয়াকে। মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স ও রাজস্থান রয়্যালসের সঙ্গে লড়াই করে দিল্লির ক্রিকেটারকে কিনতে খরচ হয়েছে ৩ কোটি রুপি। দিল্লির ২৫ বছরের ক্রিকেটার কখনো আইপিএল খেলেননি। তবু ভিত্তিমূল্যের ১০গুণ রুপি খরচ করার নেপথ্যে রয়েছে অন্য কারণ। আগ্রাসী ব্যাটার হিসাবে পরিচিত তেজস্বী। দিল্লির হয়ে চারটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচে ৫৬.৫ গড়ে করেছেন ১১৩ রান। তার চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ হলো তার স্ট্রাইক রেট। টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে তার স্ট্রাইক রেট ১৭০। দিল্লি প্রিমিয়ার লিগে ১২ বলে ফিফটি করে নজর কাড়েন। এই প্রতিযোগিতায় তার স্ট্রাইক রেট ১৯০, করেছেন ৩৩৯ রান। যেখানে তিনি ২০টি চার ও ২৯টি ছক্কা মারেন। এছাড়া দিল্লির একটি প্রতিযোগিতায় ওভারের ছয় বলে ছয়টি ছক্কা মারারও নজির রয়েছে তেজস্বীর। দলের রিজার্ভ ফিনিশার হিসেবে তাকে নেওয়া হয়েছে।

দলে এসেছেন উত্তরপ্রদেশের ২৫ বছর বয়সী ফাস্ট বোলার কার্তিক ত্যাগী। তাকে ন্যূনতম ৩০ লাখ রুপিতে পাওয়া গেছে। গুজরাট টাইটান্স, রাজস্থান রয়্যালস ও সানরাইজার্স হায়দরাবাদের হয়ে আইপিএলে ২০টি ম্যাচ খেলে ১৫টি উইকেট নেন তিনি। ন্যূনতম ৩০ লাখ টাকায় কলকাতা কিনেছে প্রশান্ত সোলাঙ্কিকেও। মুম্বাইয়ের ২৫ বছরের লেগ স্পিনার ২০২২ সালে চেন্নাই সুপার কিংসের হয়ে দুটি ম্যাচ খেলে ২ উইকেট নিয়েছিলেন। সৈয়দ মুশতাক আলি ট্রফির পারফরম্যান্সের ভিত্তিতে তাকেও দলে নেওয়া হয়েছে। ইডেনে তিনটি ম্যাচ খেলে কম রান খরচে ৩ উইকেট পেয়েছেন। রাহুল ত্রিপাঠী চার বছর পর ফিরেছেন। ৩৪ বছরের ব্যাটারকে ৭৫ লাখ রুপিতে নিয়েছে কলকাতা। ২০২০ ও ২০২১ সালে দলটির হয়ে ২৮টি ম্যাচ খেলেছেন তিনি। এছাড়া আরও চারটি দলের হয়ে আইপিএলে সব মিলিয়ে ১০০টি ম্যাচ খেলার অভিজ্ঞতা রয়েছে তার। ৩০ লাখ রুপিতে দিল্লির অলরাউন্ডার সার্থক রঞ্জন ও হায়দরাবাদের অলরাউন্ডার দক্ষ কামরাকে কিনেছে তিনবারের চ্যাম্পিয়নরা।

এবার ধরে রাখা ক্রিকেটার: আজিঙ্কা রাহানে, অঙ্গকৃশ রঘুবংশী, অনুকুল রায়, হার্ষিত রানা, মানীশ পাণ্ডে, রমনদীপ সিং, রিংকু সিং, রভম্যান পাওয়েল, সুনীল নারিন, উমরান মালিক, বৈভব অরোরা ও বরুণ চক্রবর্তী।

গতকাল নিলাম থেকে পাওয়া ক্রিকেটার: ক্যামেরন গ্রিন, মাথিশা পাথিরানা, মুস্তাফিজুর রহমান, রাচিন রবীন্দ্র, আকাশ দীপ, ফিন অ্যালেন, টিম সেইফার্ট, তেজস্বী সিং দাহিয়া, কার্তিক ত্যাগী, রাহুল ত্রিপাঠী, প্রশান্ত সোলাঙ্কি, সার্থক রঞ্জন ও দক্ষ কামরা।