ঢাকা , বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
অবসরের ভাবনা নয়, এখনও বর্তমানেই মেসি; ২০৩০ বিশ্বকাপ নিয়ে দিলেন নতুন বার্তা ‘হাসপাতালের টয়লেট পরিষ্কারের দায়িত্ব সাংবাদিকদের দিন’— স্বাস্থ্য কর্মকর্তার মন্তব্যে বিতর্ক রোহিঙ্গাদের ১৩৭ কোটি টাকার মানবিক সহায়তা দিচ্ছে অস্ট্রেলিয়া সামনের সারির একটি আসনের বিনিময়ে সব নীতি বিকিয়ে দিলেন: তাসনিম জারা নেতানিয়াহুকে ‘ডিভোর্স’ দেওয়ার হুমকি দিলেন ট্রাম্প শক্তিশালী মুসলিম দেশগুলো জোট গড়তে চায় ইরান বাংলাদেশ বিশ্বকাপ দেখে না, বাংলাদেশ বিশ্বকাপে বাঁচে: ফিফার পোস্ট সমঝোতার পর প্রথম বিদেশ সফরে পাকিস্তানে ইরানের প্রেসিডেন্ট ইংল্যান্ড-ঘানা ম্যাচ চলাকালে স্টেডিয়ামেই চলছিলো ‘কালো জাদু’ সৌদি বাদশাহর খরচে, ওমরাহ পালনের সুযোগ পাচ্ছেন ১ হাজার মুসল্লি”

জুলাই গ্রাফিতি ইস্যুতে মধ্যরাতে এনসিপি ও বিএনপি কর্মীদের মধ্যে উত্তেজনা

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০২:০৩:১৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৮ মে ২০২৬
  • ৫৪ বার পড়া হয়েছে

 

জুলাই গ্রাফিতি ইস্যুতে মধ্যরাতে এনসিপি ও বিএনপি কর্মীদের মধ্যে উত্তেজনা

চট্টগ্রামে জুলাই গ্রাফিতিকে কেন্দ্র করে মধ্যরাতে এনসিপি ও বিএনপি কর্মীদের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন পরিকল্পিতভাবে জুলাই গ্রাফিতি মুছে দিচ্ছেন অভিযোগ তুলে রাত ৮ টায় টাইগারপাস মোড়ে কর্মসূচি ঘোষণা করেছিল এনসিপি।

 

এনসিপির নেতাকর্মীরা সেখানে অবস্থান নিয়ে বিভিন্ন স্লোগান দিচ্ছিল। এর প্রেক্ষিতে বিএনপির নেতাকর্মীরা ডা. শাহাদাত হোসেনের নামে স্লোগার দিয়ে সেখানে জড়ো হলে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে বিপুল পুলিশ সদস্য দুই পক্ষের মাঝখানে অবস্থান নিয়ে এনসিপির নেতাকর্মীদের নিউ মার্কেটের দিকে সড়িয়ে দেয়।

 

চট্টগ্রাম মহানগর এনসিপির সহ সাংগঠনিক সম্পাদক ইসমাইল হোসেন নয়ন বলেন, ‘আমাদের দলীয় নেতাকর্মীরা সবাই এখন নিউ মার্কেটে অবস্থান করছে।’

 

এক পর্যায়ে রাত ১১ টার দিকে টাইগারপাস মোড়ে আসেন চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। তিনি বলেন, ‘জুলাইতে চট্টগ্রামে প্রথম শহীদ ওয়াসিম আমার কর্মী। সে মুরাদপুরে গিয়ে সেখান থেকে আমাকে ছবি পাঠিয়েছিল।জুলাইয়ে আমার বাড়িতে হামলা হয়েছে ১৬ টা গাড়িতে আগুন দিয়েছে। আমার চেয়ে ভুক্তভোগী চট্টগ্রামে কেউ নেই। আমরা কেন জুলাই গ্রাফিতি মুছতে যাব। এসভ পিলারে পোস্টার ছিল। সেগুলো ফেলে পিলারগুলোকে রঙ করে এখানে আর্ট কলেজের ছেলেদের দিয়ে গ্রাফিতি করবো। এটা এনসিপির ছেলেদের বলেছিও। তারা উদ্দেশ্যমূলকভাবে উত্তেজনা তৈরি করছে।’

 

সম্প্রতি সৌন্দর্যবর্ধন কার্যক্রমের অংশ হিসেবে চট্টগ্রামের এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের পিলারগুলো রঙ করাচ্ছে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন। এসব পিলারে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের নানা গ্রাফিতি ছিল। এনসিপির অভিযোগ মেয়র শাহাদাত হোসেন পরিকল্পিতভাবে জুলাই গ্রাফিতি মুছে দিতে চাইছেন। যদিও মেয়র শাহাদাত হোসেন বলেছেন এমন কোন নির্দেশ তিনি দেননি। সৌন্দর্যবর্ধন কার্যক্রমের আওতায় পিলারগুলো রঙ করা হচ্ছে।

 

মেয়র শাহাদত হোসেন বলেন, ‘জুলাইয়ের গ্রাফিতি গুলোও আমরা করিয়েছি। আন্দোলনের ছেলেরা আমাদের সঙ্গে দেখা করেছে। আমরা পকেট থেকে টাকা দিয়ে তাদের উৎসাহ দিয়েছি। আমরা আবার এগুলো করবো।’

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

অবসরের ভাবনা নয়, এখনও বর্তমানেই মেসি; ২০৩০ বিশ্বকাপ নিয়ে দিলেন নতুন বার্তা

জুলাই গ্রাফিতি ইস্যুতে মধ্যরাতে এনসিপি ও বিএনপি কর্মীদের মধ্যে উত্তেজনা

আপডেট সময় ০২:০৩:১৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৮ মে ২০২৬

 

জুলাই গ্রাফিতি ইস্যুতে মধ্যরাতে এনসিপি ও বিএনপি কর্মীদের মধ্যে উত্তেজনা

চট্টগ্রামে জুলাই গ্রাফিতিকে কেন্দ্র করে মধ্যরাতে এনসিপি ও বিএনপি কর্মীদের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন পরিকল্পিতভাবে জুলাই গ্রাফিতি মুছে দিচ্ছেন অভিযোগ তুলে রাত ৮ টায় টাইগারপাস মোড়ে কর্মসূচি ঘোষণা করেছিল এনসিপি।

 

এনসিপির নেতাকর্মীরা সেখানে অবস্থান নিয়ে বিভিন্ন স্লোগান দিচ্ছিল। এর প্রেক্ষিতে বিএনপির নেতাকর্মীরা ডা. শাহাদাত হোসেনের নামে স্লোগার দিয়ে সেখানে জড়ো হলে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে বিপুল পুলিশ সদস্য দুই পক্ষের মাঝখানে অবস্থান নিয়ে এনসিপির নেতাকর্মীদের নিউ মার্কেটের দিকে সড়িয়ে দেয়।

 

চট্টগ্রাম মহানগর এনসিপির সহ সাংগঠনিক সম্পাদক ইসমাইল হোসেন নয়ন বলেন, ‘আমাদের দলীয় নেতাকর্মীরা সবাই এখন নিউ মার্কেটে অবস্থান করছে।’

 

এক পর্যায়ে রাত ১১ টার দিকে টাইগারপাস মোড়ে আসেন চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। তিনি বলেন, ‘জুলাইতে চট্টগ্রামে প্রথম শহীদ ওয়াসিম আমার কর্মী। সে মুরাদপুরে গিয়ে সেখান থেকে আমাকে ছবি পাঠিয়েছিল।জুলাইয়ে আমার বাড়িতে হামলা হয়েছে ১৬ টা গাড়িতে আগুন দিয়েছে। আমার চেয়ে ভুক্তভোগী চট্টগ্রামে কেউ নেই। আমরা কেন জুলাই গ্রাফিতি মুছতে যাব। এসভ পিলারে পোস্টার ছিল। সেগুলো ফেলে পিলারগুলোকে রঙ করে এখানে আর্ট কলেজের ছেলেদের দিয়ে গ্রাফিতি করবো। এটা এনসিপির ছেলেদের বলেছিও। তারা উদ্দেশ্যমূলকভাবে উত্তেজনা তৈরি করছে।’

 

সম্প্রতি সৌন্দর্যবর্ধন কার্যক্রমের অংশ হিসেবে চট্টগ্রামের এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের পিলারগুলো রঙ করাচ্ছে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন। এসব পিলারে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের নানা গ্রাফিতি ছিল। এনসিপির অভিযোগ মেয়র শাহাদাত হোসেন পরিকল্পিতভাবে জুলাই গ্রাফিতি মুছে দিতে চাইছেন। যদিও মেয়র শাহাদাত হোসেন বলেছেন এমন কোন নির্দেশ তিনি দেননি। সৌন্দর্যবর্ধন কার্যক্রমের আওতায় পিলারগুলো রঙ করা হচ্ছে।

 

মেয়র শাহাদত হোসেন বলেন, ‘জুলাইয়ের গ্রাফিতি গুলোও আমরা করিয়েছি। আন্দোলনের ছেলেরা আমাদের সঙ্গে দেখা করেছে। আমরা পকেট থেকে টাকা দিয়ে তাদের উৎসাহ দিয়েছি। আমরা আবার এগুলো করবো।’