ঢাকা , রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
মদিনার ইসলামের কথা বলে মাদ্রাসাছাত্রদের পাশে দাঁড়াননি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী: পাটওয়ারী সাজেকে আটকে পড়া পর্যটকদের নিরাপদে গন্তব্যে পৌঁছে দিলো সেনাবাহিনী ক্ষমতা দখলের স্বার্থে জোট বাঁধছে জামায়াত-আওয়ামী লীগ: রাশেদ খাঁন রবিবার সংসদ অভিমুখে জামায়াত-এনসিপিসহ ১১ দলীয় ঐক্যের পদযাত্রা এবার পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তির মামলার পেঁচে মমতা এখনই বিএনপির সঙ্গে আওয়ামী লীগের তুলনা করতে চাই না: সারজিস চাঁদাবাজি, দমন-পীড়ন, লুটপাট ও দলীয়করণ আবার ফিরে এসেছে: গোলাম পরওয়ার রয়েল রিসোর্টে আমাকে হত্যার ষড়যন্ত্র সফল হয়নি: মামুনুল হক নেপালে ভয়াবহ দুর্যোগে মৃত বেড়ে ৬৭৫: নিখোঁজ ৩২০ বিদেশি; উদ্ধার ২৪৯৮ ‘চোখের সামনে গোটা গ্রাম উধাও’

মার্কিন আশ্রয়দাতাদের প্রস্তুত থাকতে বললো ইরান

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৩:৩৩:২৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬
  • ৮৫ বার পড়া হয়েছে

যে সমস্ত দেশ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সশস্ত্র বাহিনীকে নিজেদের মাটিতে ঘাঁটি গাড়ার সুযোগ করে দিয়েছে, তাদের সবাইকে তেহরানের পক্ষ থেকে কঠোর ও উপযুক্ত জবাবের মুখোমুখি হওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকার চরম হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরানের এলিট ফোর্স ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস বা আইআরজিসি। শনিবার (১৮ জুলাই) এক প্রতিবেদনে আই তথ্য জানিয়েছে আল জাজিরা। এই সতর্কবার্তার পাশাপাশি কুয়েতে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের দুটি প্রধান সামরিক কেন্দ্রে একযোগে বড় ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানোর দাবি করেছে তেহরান।

আইআরজিসির পক্ষ থেকে ওই সমস্ত দেশের সরকারকে অবিলম্বে তাদের নিজ নিজ দেশের সিভিল ডিফেন্স বা নাগরিক প্রতিরক্ষা ইউনিটগুলোকে সক্রিয় করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে সম্ভাব্য সামরিক লক্ষ্যবস্তু বা মার্কিন ঘাঁটিগুলোর আশেপাশের এলাকা থেকে সাধারণ নাগরিকদের দ্রুত নিরাপদ দূরত্বে সরিয়ে নেওয়ার জন্য কঠোর তাগিদ দেওয়া হয়েছে। ইরানের দাবি অনুযায়ী ওই সমস্ত দেশের ভূখণ্ডকে মূলত তেহরানের বিরুদ্ধে মার্কিন আগ্রাসন ও যুদ্ধ পরিচালনার প্রধান কেন্দ্র বা লঞ্চপ্যাড হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে, যা কোনোভাবেই বরদাশত করা হবে না।

বিবৃতিতে আইআরজিসির গ্রাউন্ড ফোর্সেস বা স্থলবাহিনী দাবি করেছে যে তারা কুয়েতে অবস্থিত আমেরিকার অন্যতম প্রধান সামরিক লজিস্টিক হাব ক্যাম্প আরিফজান লক্ষ্য করে ঝাঁকে ঝাঁকে ড্রোন ও শক্তিশালী রকেট নিক্ষেপ করেছে। এই সফল বিমান হামলায় ক্যাম্প আরিফজানে মোতায়েন থাকা বেশ কয়েকজন মার্কিন সেনাসদস্য হতাহত হয়েছেন বলেও ইরানের পক্ষ থেকে বিশেষভাবে দাবি করা হয়েছে।

এই আক্রমণের পাশাপাশি কুয়েতের আলী আল সালেম মার্কিন বিমান ঘাঁটিতেও তেহরানের বিশেষ বাহিনী একযোগে জোরালো আঘাত হেনেছে। আইআরজিসি দাবি করেছে যে তাদের নিখুঁত হামলায় ওই বিমান ঘাঁটির প্রধান রাডার ব্যবস্থা সম্পূর্ণ অকেজো হয়ে গেছে। একই সঙ্গে সেখানে অবস্থিত মার্কিন সামরিক বাহিনীর একটি বিশাল অস্ত্র রক্ষণাবেক্ষণ হ্যাঙ্গার এবং একটি ড্রোন পরিচালনাকেন্দ্র বা ফেসিলিটি সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস হয়ে গেছে বলে তেহরান নিশ্চিত করেছে। সূত্র: আল জাজিরা

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

মদিনার ইসলামের কথা বলে মাদ্রাসাছাত্রদের পাশে দাঁড়াননি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী: পাটওয়ারী

মার্কিন আশ্রয়দাতাদের প্রস্তুত থাকতে বললো ইরান

আপডেট সময় ০৩:৩৩:২৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬

যে সমস্ত দেশ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সশস্ত্র বাহিনীকে নিজেদের মাটিতে ঘাঁটি গাড়ার সুযোগ করে দিয়েছে, তাদের সবাইকে তেহরানের পক্ষ থেকে কঠোর ও উপযুক্ত জবাবের মুখোমুখি হওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকার চরম হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরানের এলিট ফোর্স ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস বা আইআরজিসি। শনিবার (১৮ জুলাই) এক প্রতিবেদনে আই তথ্য জানিয়েছে আল জাজিরা। এই সতর্কবার্তার পাশাপাশি কুয়েতে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের দুটি প্রধান সামরিক কেন্দ্রে একযোগে বড় ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানোর দাবি করেছে তেহরান।

আইআরজিসির পক্ষ থেকে ওই সমস্ত দেশের সরকারকে অবিলম্বে তাদের নিজ নিজ দেশের সিভিল ডিফেন্স বা নাগরিক প্রতিরক্ষা ইউনিটগুলোকে সক্রিয় করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে সম্ভাব্য সামরিক লক্ষ্যবস্তু বা মার্কিন ঘাঁটিগুলোর আশেপাশের এলাকা থেকে সাধারণ নাগরিকদের দ্রুত নিরাপদ দূরত্বে সরিয়ে নেওয়ার জন্য কঠোর তাগিদ দেওয়া হয়েছে। ইরানের দাবি অনুযায়ী ওই সমস্ত দেশের ভূখণ্ডকে মূলত তেহরানের বিরুদ্ধে মার্কিন আগ্রাসন ও যুদ্ধ পরিচালনার প্রধান কেন্দ্র বা লঞ্চপ্যাড হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে, যা কোনোভাবেই বরদাশত করা হবে না।

বিবৃতিতে আইআরজিসির গ্রাউন্ড ফোর্সেস বা স্থলবাহিনী দাবি করেছে যে তারা কুয়েতে অবস্থিত আমেরিকার অন্যতম প্রধান সামরিক লজিস্টিক হাব ক্যাম্প আরিফজান লক্ষ্য করে ঝাঁকে ঝাঁকে ড্রোন ও শক্তিশালী রকেট নিক্ষেপ করেছে। এই সফল বিমান হামলায় ক্যাম্প আরিফজানে মোতায়েন থাকা বেশ কয়েকজন মার্কিন সেনাসদস্য হতাহত হয়েছেন বলেও ইরানের পক্ষ থেকে বিশেষভাবে দাবি করা হয়েছে।

এই আক্রমণের পাশাপাশি কুয়েতের আলী আল সালেম মার্কিন বিমান ঘাঁটিতেও তেহরানের বিশেষ বাহিনী একযোগে জোরালো আঘাত হেনেছে। আইআরজিসি দাবি করেছে যে তাদের নিখুঁত হামলায় ওই বিমান ঘাঁটির প্রধান রাডার ব্যবস্থা সম্পূর্ণ অকেজো হয়ে গেছে। একই সঙ্গে সেখানে অবস্থিত মার্কিন সামরিক বাহিনীর একটি বিশাল অস্ত্র রক্ষণাবেক্ষণ হ্যাঙ্গার এবং একটি ড্রোন পরিচালনাকেন্দ্র বা ফেসিলিটি সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস হয়ে গেছে বলে তেহরান নিশ্চিত করেছে। সূত্র: আল জাজিরা