ঢাকা , রবিবার, ০৭ ডিসেম্বর ২০২৫, ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
বাবরি মসজিদ নির্মাণে বাজেট ৩০০ কোটি, এক ব্যবসায়ীই দিবেন ৮০ কোটি টাকা তফসিল এ সপ্তাহেই, ভোটের সময় বাড়বে এক ঘণ্টা: ইসি সানাউল্লাহ টাকা, প্রভাবশালী মামা-খালু-শ্বশুর না থাকলে রাজনীতি কইরেন না: দুধ দিয়ে গোসল যুবদল নেতার নিজ এলাকায় বিক্ষুব্ধ জনতার স্লোগান ‘ফুয়াদের দুই গালে জুতা মারো তালে তালে’ ভয়াবহ হামলায় একদিনে ১৪৫০ ইউক্রেনীয় সেনা নিহত বিকেলে এনসিপিসহ তিন দলের নতুন জোটের ঘোষণা ঘরে ঢুকে মুক্তিযোদ্ধা ও তার স্ত্রীকে গলা কেটে হত্যা শেখ হাসিনাকে উদ্ধারে বিমানঘাঁটি ও কমান্ডো প্লাটুন প্রস্তুত রেখেছিল ভারত ছাত্রের মাকে কুপ্রস্তা, জামায়াত নেতা সাময়িক বহিষ্কার সাইবার যুদ্ধে হেরে গেলে পরাজিত হতে হবে: মির্জা ফখরুল

হাসিনার মৃত্যুদণ্ডের রায়ে জনগণের ইচ্ছার প্রতিফলন হয়েছে: রুমিন ফারহানা

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১১:৫৭:৪৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৯ নভেম্বর ২০২৫
  • ৮০ বার পড়া হয়েছে

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মৃত্যুদণ্ডের রায়কে “জনগণের ইচ্ছার প্রতিফলন” হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন বিএনপির সহ–আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ও সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী রুমিন ফারহানা

একটি বেসরকারি টেলিভিশনের টকশোতে অংশ নিয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন। রুমিন ফারহানা বলেন, কোনো বিচার যদি সময়সীমা বা শর্ত বেঁধে দিয়ে পরিচালিত হয়, তাহলে সেই বিচার নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। বিচারকে আটকে রাখার বা প্রভাবিত করার প্রচেষ্টা কখনোই ভালো ফল বয়ে আনে না।

তিনি বলেন, “শেখ হাসিনার রায়ে দেশের জনগণের ইচ্ছার প্রতিফলন হয়েছে। এ রায়কে ঘিরে দেশ-বিদেশে নানা ধরনের মন্তব্য দেখা যাচ্ছে। মানবাধিকার সংস্থাগুলোর পর্যবেক্ষণও রয়েছে। ডেভিড বার্গম্যান, যিনি হাসিনার আমলে খুব সোচ্চার ছিলেন, তিনিও তার সাম্প্রতিক লেখায় বলেছেন—প্রসিকিউশনের হাতে শক্ত প্রমাণ ছিল।”

রুমিন ফারহানা আরও বলেন, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দৃশ্যমান বিচারই একমাত্র শর্ত নয়। বরং পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচন, গণভোট, লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড—এ ধরনের আরও বিভিন্ন শর্ত আরোপ করা হয়েছে। শুধু আওয়ামী লীগ নয়, জাতীয় পার্টি ও ১৪ দলকেও নিষিদ্ধ করার শর্ত তোলা হয়েছে, যা রাজনৈতিক অঙ্গনে বড় প্রশ্ন তৈরি করেছে।

তিনি প্রশ্ন তোলেন, “যদি জাতীয় পার্টিকে নিষিদ্ধ না করা হয়, তাহলে জামায়াতসহ যারা এই দাবিগুলো তুলেছে, তারা নির্বাচনে আসবে কি না—এটা একটি বড় প্রশ্ন।”

রুমিনের মতে, নির্বাচন বাধাগ্রস্ত হলে সবচেয়ে বেশি লাভবান হবে আওয়ামী লীগ। তিনি বলেন, রাজনৈতিক প্রক্রিয়া শ্লথ হয়ে গেলে বা ভোট গ্রহণ ব্যাহত হলে, তার সুবিধা পাবে সেই রাজনৈতিক শক্তি, যা বর্তমান পরিস্থিতিতে সবচেয়ে বিচ্ছিন্ন অবস্থায় রয়েছে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

বাবরি মসজিদ নির্মাণে বাজেট ৩০০ কোটি, এক ব্যবসায়ীই দিবেন ৮০ কোটি টাকা

হাসিনার মৃত্যুদণ্ডের রায়ে জনগণের ইচ্ছার প্রতিফলন হয়েছে: রুমিন ফারহানা

আপডেট সময় ১১:৫৭:৪৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৯ নভেম্বর ২০২৫

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মৃত্যুদণ্ডের রায়কে “জনগণের ইচ্ছার প্রতিফলন” হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন বিএনপির সহ–আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ও সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী রুমিন ফারহানা

একটি বেসরকারি টেলিভিশনের টকশোতে অংশ নিয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন। রুমিন ফারহানা বলেন, কোনো বিচার যদি সময়সীমা বা শর্ত বেঁধে দিয়ে পরিচালিত হয়, তাহলে সেই বিচার নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। বিচারকে আটকে রাখার বা প্রভাবিত করার প্রচেষ্টা কখনোই ভালো ফল বয়ে আনে না।

তিনি বলেন, “শেখ হাসিনার রায়ে দেশের জনগণের ইচ্ছার প্রতিফলন হয়েছে। এ রায়কে ঘিরে দেশ-বিদেশে নানা ধরনের মন্তব্য দেখা যাচ্ছে। মানবাধিকার সংস্থাগুলোর পর্যবেক্ষণও রয়েছে। ডেভিড বার্গম্যান, যিনি হাসিনার আমলে খুব সোচ্চার ছিলেন, তিনিও তার সাম্প্রতিক লেখায় বলেছেন—প্রসিকিউশনের হাতে শক্ত প্রমাণ ছিল।”

রুমিন ফারহানা আরও বলেন, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দৃশ্যমান বিচারই একমাত্র শর্ত নয়। বরং পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচন, গণভোট, লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড—এ ধরনের আরও বিভিন্ন শর্ত আরোপ করা হয়েছে। শুধু আওয়ামী লীগ নয়, জাতীয় পার্টি ও ১৪ দলকেও নিষিদ্ধ করার শর্ত তোলা হয়েছে, যা রাজনৈতিক অঙ্গনে বড় প্রশ্ন তৈরি করেছে।

তিনি প্রশ্ন তোলেন, “যদি জাতীয় পার্টিকে নিষিদ্ধ না করা হয়, তাহলে জামায়াতসহ যারা এই দাবিগুলো তুলেছে, তারা নির্বাচনে আসবে কি না—এটা একটি বড় প্রশ্ন।”

রুমিনের মতে, নির্বাচন বাধাগ্রস্ত হলে সবচেয়ে বেশি লাভবান হবে আওয়ামী লীগ। তিনি বলেন, রাজনৈতিক প্রক্রিয়া শ্লথ হয়ে গেলে বা ভোট গ্রহণ ব্যাহত হলে, তার সুবিধা পাবে সেই রাজনৈতিক শক্তি, যা বর্তমান পরিস্থিতিতে সবচেয়ে বিচ্ছিন্ন অবস্থায় রয়েছে।