ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬, ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
আজ রাতে খালি চোখে দেখা যাবে পারসেইড উল্কাবৃষ্টি মুয়াজ্জিনের তালিকায় নাম না দেওয়ায় ইমামকে হাতুড়িপেটার অভিযোগ যন্তর মন্তর ‘সিজন-টু’ শুরুর হুঁশিয়ারি ককরোচ জনতা পার্টির অভিজিৎ দীপকের ২০২৭ সালের মধ্যে বসিলা ও রায়েরবাজারে হবে আলাদা থানা: ববি হাজ্জাজ অতিরিক্ত যাত্রী, বড় ঢেউ; জিম্বাবুয়েতে ফেরি দুর্ঘটনায় নিহত ৪৪ বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণে অন্তঃসত্ত্বা নারী, যুবলীগ কর্মী গ্রেফতার বিএনপির পতন হলে আপনারা সরকার চালাতে পারবেন?-প্রশ্ন রাশেদ খানের বালুর ঘাটে ইজারাদারের কর্মীকে ইউএনওর মারধর তুরস্কে এফ-১৬ যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত অন্যতম শীর্ষ অনলাইন ক্যাসিনো এজেন্ট লিপুর বাগানবাড়িতে ডিবির অভিযান

প্রধান উপদেষ্টার সহমর্মিতা স্মরণীয় হয়ে থাকবে: জামায়াত আমির

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১১:২৩:৫৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২০ জুলাই ২০২৫
  • ৪৪০ বার পড়া হয়েছে

এবার প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী আমির ডা. শফিকুর রহমান। রোববার সকাল ৯টার দিকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। পোস্টে জামায়াত আমির লেখেন—শনিবার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের সভামঞ্চে অসুস্থ হওয়ার পর প্রধান উপদেষ্টা আমার শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নিয়েছেন এবং তার প্রেস সচিবকে হাসপাতালেও পাঠিয়েছেন। আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছি। তার এই সহমর্মিতা স্মরণীয় হয়ে থাকবে। মহান আল্লাহ তাকে উত্তম জাযা দান করুন। আমিন।

এর আগে বুধবার আরেক পোস্টে জামায়াত আমির— আলহামদুলিল্লাহ, এখন আমি অনেকটাই সুস্থ। হাসপাতালে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর বিশ্রামের জন্য বাসায় এসেছি। আমার এ সাময়িক অসুস্থতার কারণে আজকের সমাবেশে যে বিঘ্ন সৃষ্টি হয়েছে তার জন্য আমি আন্তরিকভাবে দুঃখিত। এটি আমার ইচ্ছাকৃত নয়। মহান আল্লাহ নিশ্চয়ই এর মধ্যে কোনো কল্যাণ রেখেছেন।

তিনি লেখেন—অসুস্থ হওয়ার পরে বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ দেশ-বিদেশে অনেকেই খোঁজখবর নিয়েছেন ও দোয়া করেছেন। হাসপাতালে স্বল্প সময়ে থাকাকালীন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান, প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম, ইসলামী আন্দোলনের মহাসচিব মাওলানা ইউনুস আহমদসহ নেতৃবৃন্দের একটি টিম, খেলাফত মজলিসের আমির হজরত মাওলানা আব্দুল বাসিত আজাদ, মহাসচিব অধ্যাপক ড. আহমদ আব্দুল কাদের এবং খেলাফত মজলিসের অন্যতম সিনিয়র নেতা আহমদ আলী কাসেমী, খেলাফত আন্দোলন, এনসিপি, জমিয়তে ওলামায়ে ইসলামের সম্মানিত নেতৃবৃন্দ তারাও সরাসরি খোঁজখবর নিয়েছেন।

ডা. শফিকুর রহমান আরও লেখেন—দেশ-বিদেশে অসংখ্য সহকর্মী, শুভাকাঙ্ক্ষী, সামাজিক, রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ, এমনকি বাংলাদেশিদের বাহিরেও অনেকেই খোঁজখবর নিয়েছেন। সরকারের বিভিন্ন উপদেষ্টাসহ আরও অনেকেই খোঁজখবর নিয়েছেন। আমি তাদের সকলের কাছে আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ। দোয়ার জন্য ঋণী। তাদের এ ভালোবাসা ও আন্তরিকতার প্রতিদান আল্লাহ রাব্বুল আলামীন সকলকে যেন দান করেন। রাব্বুল আলামিন তার এ গোলামকে বাকি জিন্দেগি তার পছন্দমতো মানবতার জন্য কাজ করার তাওফিক দান করুন। আমিন।

শনিবার (১৯ জুলাই) বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জামায়াতে ইসলামীর সমাবেশে সভাপতির বক্তব্য দেওয়ার সময় হঠাৎ অসুস্থ হয়ে মঞ্চে পড়ে যান দলটির আমির শফিকুর রহমান। পরে পাশে থাকা নেতাকর্মীরা তাকে ঘিরে ধরেন। কিছুক্ষণ পর আবারও বক্তব্য দিতে গিয়ে পুনরায় অসুস্থ হয়ে গেলে তিনি বসেই বক্তব্য দেন। পরে চিকিৎসকরা তাকে হাসপাতালে ভর্তি করেন। পরে রাত ৯টা ১৫ মিনিটে তিনি হাসপাতাল থেকে বাসায় যান। তার আগে শনিবার রাতে জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমানকে দেখতে হাসপাতালে যান বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য আবদুল মঈন খান।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

আজ রাতে খালি চোখে দেখা যাবে পারসেইড উল্কাবৃষ্টি

প্রধান উপদেষ্টার সহমর্মিতা স্মরণীয় হয়ে থাকবে: জামায়াত আমির

আপডেট সময় ১১:২৩:৫৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২০ জুলাই ২০২৫

এবার প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী আমির ডা. শফিকুর রহমান। রোববার সকাল ৯টার দিকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। পোস্টে জামায়াত আমির লেখেন—শনিবার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের সভামঞ্চে অসুস্থ হওয়ার পর প্রধান উপদেষ্টা আমার শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নিয়েছেন এবং তার প্রেস সচিবকে হাসপাতালেও পাঠিয়েছেন। আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছি। তার এই সহমর্মিতা স্মরণীয় হয়ে থাকবে। মহান আল্লাহ তাকে উত্তম জাযা দান করুন। আমিন।

এর আগে বুধবার আরেক পোস্টে জামায়াত আমির— আলহামদুলিল্লাহ, এখন আমি অনেকটাই সুস্থ। হাসপাতালে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর বিশ্রামের জন্য বাসায় এসেছি। আমার এ সাময়িক অসুস্থতার কারণে আজকের সমাবেশে যে বিঘ্ন সৃষ্টি হয়েছে তার জন্য আমি আন্তরিকভাবে দুঃখিত। এটি আমার ইচ্ছাকৃত নয়। মহান আল্লাহ নিশ্চয়ই এর মধ্যে কোনো কল্যাণ রেখেছেন।

তিনি লেখেন—অসুস্থ হওয়ার পরে বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ দেশ-বিদেশে অনেকেই খোঁজখবর নিয়েছেন ও দোয়া করেছেন। হাসপাতালে স্বল্প সময়ে থাকাকালীন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান, প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম, ইসলামী আন্দোলনের মহাসচিব মাওলানা ইউনুস আহমদসহ নেতৃবৃন্দের একটি টিম, খেলাফত মজলিসের আমির হজরত মাওলানা আব্দুল বাসিত আজাদ, মহাসচিব অধ্যাপক ড. আহমদ আব্দুল কাদের এবং খেলাফত মজলিসের অন্যতম সিনিয়র নেতা আহমদ আলী কাসেমী, খেলাফত আন্দোলন, এনসিপি, জমিয়তে ওলামায়ে ইসলামের সম্মানিত নেতৃবৃন্দ তারাও সরাসরি খোঁজখবর নিয়েছেন।

ডা. শফিকুর রহমান আরও লেখেন—দেশ-বিদেশে অসংখ্য সহকর্মী, শুভাকাঙ্ক্ষী, সামাজিক, রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ, এমনকি বাংলাদেশিদের বাহিরেও অনেকেই খোঁজখবর নিয়েছেন। সরকারের বিভিন্ন উপদেষ্টাসহ আরও অনেকেই খোঁজখবর নিয়েছেন। আমি তাদের সকলের কাছে আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ। দোয়ার জন্য ঋণী। তাদের এ ভালোবাসা ও আন্তরিকতার প্রতিদান আল্লাহ রাব্বুল আলামীন সকলকে যেন দান করেন। রাব্বুল আলামিন তার এ গোলামকে বাকি জিন্দেগি তার পছন্দমতো মানবতার জন্য কাজ করার তাওফিক দান করুন। আমিন।

শনিবার (১৯ জুলাই) বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জামায়াতে ইসলামীর সমাবেশে সভাপতির বক্তব্য দেওয়ার সময় হঠাৎ অসুস্থ হয়ে মঞ্চে পড়ে যান দলটির আমির শফিকুর রহমান। পরে পাশে থাকা নেতাকর্মীরা তাকে ঘিরে ধরেন। কিছুক্ষণ পর আবারও বক্তব্য দিতে গিয়ে পুনরায় অসুস্থ হয়ে গেলে তিনি বসেই বক্তব্য দেন। পরে চিকিৎসকরা তাকে হাসপাতালে ভর্তি করেন। পরে রাত ৯টা ১৫ মিনিটে তিনি হাসপাতাল থেকে বাসায় যান। তার আগে শনিবার রাতে জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমানকে দেখতে হাসপাতালে যান বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য আবদুল মঈন খান।