ঢাকা , সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬, ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
১৯ ইউনিয়ন পরিষদে প্রশাসক নিয়োগ, দায়িত্ব পেলেন সরকারি কর্মকর্তারা রাজধানীতে এক লরি চাপা দিলো কয়েকটি গাড়িকে, নিহত ২ সরকার পতন চাই না, আমরা চাই সরকার যেন ফ্যাসিস্ট হয়ে না ওঠে: মামুনুল অনেকে ২৯ বছর বয়সেই রাষ্ট্রক্ষমতা দখলে ব্যাকুল: মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রী সম্পত্তি ভাগের পর মায়ের ঠাঁই হলো জরাজীর্ণ ঘরে, পায়ে শিকল কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ. লীগের প্রয়াত প্রতিমন্ত্রীর বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর ছাত্রীকে কুপ্রস্তাবের অভিযোগ, তোপের মুখে পুলিশি পাহারায় স্কুল ছাড়লেন প্রধান শিক্ষক দেশের মানুষ যাতে শান্তিতে থাকতে পারে, সেটিই প্রধান লক্ষ্য : প্রধানমন্ত্রী শিশু হত্যা মামলায় জামিনে বেরিয়ে গৃহকর্ত্রীকে খুন, কে এই লাইলী অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্নে বাধা, ‘ভাইরাল মিজান’ গ্রেপ্তার

৫০ বছর ধরে পার্বত্য চট্টগ্রামকে বিভাজিত করে রাখা হয়েছে: নাহিদ

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৪:৪৩:৫৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ জুলাই ২০২৫
  • ৪২৫ বার পড়া হয়েছে

গত ৫০ বছর ধরে পার্বত্য চট্টগ্রামকে বিভাজিত করে রাখা হয়েছে বলে উল্লেখ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেন, আমরা জানি এখানে পাহাড়ি জনগোষ্ঠী তাদের ভাষা, ধর্ম ও ভূমির অধিকার নিয়ে লড়াই করছেন। অন্যদিকে বাঙালি জাতিগোষ্ঠীরাও অনেক সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত। পাহাড়ের সব জনগোষ্ঠী নির্যাতিত ও অধিকারহীন। তাই আমাদের লড়াইটা একসঙ্গে লড়তে হবে, কাউকে বাদ দিয়ে নয়।

আজ রোববার (২০ জুলাই) দুপুরে জুলাই পদযাত্রার অংশ হিসেবে রাঙ্গামাটিতে এক পথসভায় এসব কথা নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেন, পাহাড়ের দীর্ঘদিনে বিবেদ ও অশান্তি দূর করে, পাশাপাশি সার্বভৌমত্ব, আঞ্চলিক অখণ্ডতা এবং জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে লড়াই করবো।

নাহিদ ইসলাম বলেন, আমরা মনে করি একটা অন্তর্ভুক্তিমূলক গণতান্ত্রিক বাংলাদেশই সবার প্রত্যাশা। যে বাংলাদেশে সব ধর্মের, সব জাতিগোষ্ঠীর মানুষ মর্যাদা নিয়ে বসবাস করতে পারবেন। আমরা দেখেছি গত ৫০ বছরে বাংলাদেশকে নানাভাবে বিভাজিত করে রাখা হয়েছে। যার অন্যতম উদাহরণ এই পার্বত্য চট্টগ্রাম। এখানে নানা বিভাজন নানা অশান্তি জিইয়ে রেখে অন্য একটি পক্ষ বার বার সুবিধা নেওয়ার চেষ্টা করেছে। আমরা এই তৃতীয় পক্ষকে আর কোনো সুবিধা নিতে দেবো না।

রাঙ্গামাটির পথসভায় নাহিদ আরও বলেন, বাংলাদেশের ৭২ এর সংবিধান মুজিববাদী সংবিধান। এই সংবিধানে সব জনগোষ্ঠীকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। বাঙালি জাতীয়তাবাদের নামে এখানে অবাঙালি জাতিগোষ্ঠীর সঙ্গে বিবেদ তৈরি করা হয়েছে। আমরা সব বিবেদের ঊর্ধ্বে গিয়ে সব জনগোষ্ঠীকে মর্যাদা দিয়ে একটি নতুন সংবিধান তৈরি করতে চাই।

তিনি বলেন, আপনারা জানেন পাহাড়ের নেতা এমএন লারমা (মানবেন্দ্র নারায়ণ লারমা) সেই ৭২ এর সংবিধানের বিরোধিতা করেছিলেন। আমরা চাই মুজিববাদী সংবিধানকে বাতিল করে নতুন একটি গণতান্ত্রিক সংবিধান। যেখানে আপনার ও আমার অধিকারের কথা থাকবে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

১৯ ইউনিয়ন পরিষদে প্রশাসক নিয়োগ, দায়িত্ব পেলেন সরকারি কর্মকর্তারা

৫০ বছর ধরে পার্বত্য চট্টগ্রামকে বিভাজিত করে রাখা হয়েছে: নাহিদ

আপডেট সময় ০৪:৪৩:৫৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ জুলাই ২০২৫

গত ৫০ বছর ধরে পার্বত্য চট্টগ্রামকে বিভাজিত করে রাখা হয়েছে বলে উল্লেখ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেন, আমরা জানি এখানে পাহাড়ি জনগোষ্ঠী তাদের ভাষা, ধর্ম ও ভূমির অধিকার নিয়ে লড়াই করছেন। অন্যদিকে বাঙালি জাতিগোষ্ঠীরাও অনেক সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত। পাহাড়ের সব জনগোষ্ঠী নির্যাতিত ও অধিকারহীন। তাই আমাদের লড়াইটা একসঙ্গে লড়তে হবে, কাউকে বাদ দিয়ে নয়।

আজ রোববার (২০ জুলাই) দুপুরে জুলাই পদযাত্রার অংশ হিসেবে রাঙ্গামাটিতে এক পথসভায় এসব কথা নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেন, পাহাড়ের দীর্ঘদিনে বিবেদ ও অশান্তি দূর করে, পাশাপাশি সার্বভৌমত্ব, আঞ্চলিক অখণ্ডতা এবং জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে লড়াই করবো।

নাহিদ ইসলাম বলেন, আমরা মনে করি একটা অন্তর্ভুক্তিমূলক গণতান্ত্রিক বাংলাদেশই সবার প্রত্যাশা। যে বাংলাদেশে সব ধর্মের, সব জাতিগোষ্ঠীর মানুষ মর্যাদা নিয়ে বসবাস করতে পারবেন। আমরা দেখেছি গত ৫০ বছরে বাংলাদেশকে নানাভাবে বিভাজিত করে রাখা হয়েছে। যার অন্যতম উদাহরণ এই পার্বত্য চট্টগ্রাম। এখানে নানা বিভাজন নানা অশান্তি জিইয়ে রেখে অন্য একটি পক্ষ বার বার সুবিধা নেওয়ার চেষ্টা করেছে। আমরা এই তৃতীয় পক্ষকে আর কোনো সুবিধা নিতে দেবো না।

রাঙ্গামাটির পথসভায় নাহিদ আরও বলেন, বাংলাদেশের ৭২ এর সংবিধান মুজিববাদী সংবিধান। এই সংবিধানে সব জনগোষ্ঠীকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। বাঙালি জাতীয়তাবাদের নামে এখানে অবাঙালি জাতিগোষ্ঠীর সঙ্গে বিবেদ তৈরি করা হয়েছে। আমরা সব বিবেদের ঊর্ধ্বে গিয়ে সব জনগোষ্ঠীকে মর্যাদা দিয়ে একটি নতুন সংবিধান তৈরি করতে চাই।

তিনি বলেন, আপনারা জানেন পাহাড়ের নেতা এমএন লারমা (মানবেন্দ্র নারায়ণ লারমা) সেই ৭২ এর সংবিধানের বিরোধিতা করেছিলেন। আমরা চাই মুজিববাদী সংবিধানকে বাতিল করে নতুন একটি গণতান্ত্রিক সংবিধান। যেখানে আপনার ও আমার অধিকারের কথা থাকবে।