ঢাকা , শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
‘খুনিদের সঙ্গে আঁতাত করে আইভীকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে’ : পাটওয়ারী আর্জেন্টিনার জার্সি পরলেই অর্ধেক ফি, বিশ্বকাপ উপলক্ষে চিকিৎসকের বিশেষ ঘোষণা জন্মদিনের দিনই ঝুলন্ত মরদেহ, রহস্য ঘনীভূত বিমানবন্দর লোডারের মৃত্যুতে মসজিদের মাইকে ঘোষণা, পুলিশের কাছ থেকে বিএনপি নেতাকে ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ বিএনপি আবারও আ. লীগের ফাঁদে পড়েছে: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী হযরত শাহজালাল বিমানবন্দরে আগুন বাংলাদেশে যৌথ ড্রোন কারখানা গড়তে চায় তুরস্ক তুরস্ক বাংলাদেশের পরীক্ষিত বন্ধু: জামায়াত আমির ক্ষেপণাস্ত্র-ড্রোনে মার্কিন নৌবহরকে সতর্কবার্তা দিল ইরান লালমনিরহাটের তিন সীমান্তে ৩৩ জনকে পুশইনের চেষ্টা, বিজিবি-জনতার বাধায় ব্যর্থ বিএসএফ

৪১ বছর আগে জামায়াতের পক্ষ থেকে তত্ত্বাবধায়কের প্রথম প্রস্তাব দেওয়া হয়: শিশির মনির

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৩:৩৩:৩৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ নভেম্বর ২০২৫
  • ২২০ বার পড়া হয়েছে

এবার সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী বৈধ ঘোষণা করে নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা পুনর্বহালের রায় দিয়েছেন আপিল বিভাগ। তবে এই ব্যবস্থা চতুর্দশ সংসদ নির্বাচন থেকে কার্যকর হবে বলে জানিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী সিনিয়র শিশির মনির। আজ বৃহস্পতিবার (২০ নভেম্বর) আপিল বিভাগের রায়ের পর সুপ্রিম কোর্টের এনেক্স ভবনের সামনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।

সুপ্রিম কোর্টের এই আইনজীবী বলেন, আজ থেকে ৪১ বছর আগে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে প্রথম তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। এর মাঝে অনেক কিছু হয়ে গেছে, অবশেষে জাতি তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করছে। কেয়ারটেকার সরকার একটা পিলার, যা সরিয়ে ফেললে অবাধ নির্বাচন সম্ভব নয়। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের রায় প্রসঙ্গে শিশির মনির বলেন, রায়ে বলা হয়েছে অতীতের যে রায় দেওয়া হয়েছে, তা কলঙ্কিত ছিল। এই রায় ঘোষণার ভিত্তিতে তত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা পুনরুজ্জীবিত হলো। সংসদ ভেঙে যাওয়ার ১৫ দিনের মধ্যে এই সরকার গঠিত হবে। এখন যেহেতু সংসদ নেই, সেহেতু এই সরকার গঠন এখন কার্যকর হবে না। এটা মূলত আগামীতে কার্যকর হবে, এখন না। অর্থাৎ চতুর্দশ সংসদ নির্বাচনে এই সরকার ব্যবস্থা কার্যকর হবে।

তিনি আরও বলেন, আমরা মনে করি, নির্বাচনের ক্ষেত্রে জয়-পরাজয় গ্রহণের মানসিকতা তৈরি করতে হবে। আমরা যখন তত্ত্বাবধায়ক সরকার চেয়েছিলাম, আমরা ব্যক্তিগত বা দলীয় স্বার্থের জন্য চাইনি। অবশেষে আমরা সেখানে ফিরে এলাম। আমাদের পরবর্তী সবার দায়িত্ব হবে, একটি গণতান্ত্রিক পরিবেশ সৃষ্টি করা। ফ্রি ফেয়ার ইলেকশন যাতে রাষ্ট্রপরিচালনার মূলমন্ত্র হয়। শিশির মনির বলেন, জুলাই চার্টারে চারটি অপশন দেওয়া হয়েছে। এই চারটি অপশন যদি গণভোটে জয়ী হয়, তাহলে নতুন পার্লামেন্টে সংবিধান সংস্কারের সভায় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের ফরম্যাটে পরিবর্তন আসতে পারে।

এর আগে, বৃহস্পতিবার (২০ নভেম্বর) সকাল ৯টা ৪০ মিনিটে প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বে সাত বিচারপতির পূর্ণাঙ্গ আপিল বিভাগ ঐতিহাসিক এ রায় ঘোষণা করেন। বেঞ্চের অপর ছয় বিচারপতি হলেন—বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলাম, বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী, বিচারপতি মো. রেজাউল হক, বিচারপতি এস এম ইমদাদুল হক, বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান ও বিচারপতি ফারাহ মাহবুব। আপিল বিভাগ বলেন, বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। আর চতুর্দশ সংসদ নির্বাচন থেকে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা কার্যকর হবে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

‘খুনিদের সঙ্গে আঁতাত করে আইভীকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে’ : পাটওয়ারী

৪১ বছর আগে জামায়াতের পক্ষ থেকে তত্ত্বাবধায়কের প্রথম প্রস্তাব দেওয়া হয়: শিশির মনির

আপডেট সময় ০৩:৩৩:৩৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ নভেম্বর ২০২৫

এবার সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী বৈধ ঘোষণা করে নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা পুনর্বহালের রায় দিয়েছেন আপিল বিভাগ। তবে এই ব্যবস্থা চতুর্দশ সংসদ নির্বাচন থেকে কার্যকর হবে বলে জানিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী সিনিয়র শিশির মনির। আজ বৃহস্পতিবার (২০ নভেম্বর) আপিল বিভাগের রায়ের পর সুপ্রিম কোর্টের এনেক্স ভবনের সামনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।

সুপ্রিম কোর্টের এই আইনজীবী বলেন, আজ থেকে ৪১ বছর আগে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে প্রথম তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। এর মাঝে অনেক কিছু হয়ে গেছে, অবশেষে জাতি তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করছে। কেয়ারটেকার সরকার একটা পিলার, যা সরিয়ে ফেললে অবাধ নির্বাচন সম্ভব নয়। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের রায় প্রসঙ্গে শিশির মনির বলেন, রায়ে বলা হয়েছে অতীতের যে রায় দেওয়া হয়েছে, তা কলঙ্কিত ছিল। এই রায় ঘোষণার ভিত্তিতে তত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা পুনরুজ্জীবিত হলো। সংসদ ভেঙে যাওয়ার ১৫ দিনের মধ্যে এই সরকার গঠিত হবে। এখন যেহেতু সংসদ নেই, সেহেতু এই সরকার গঠন এখন কার্যকর হবে না। এটা মূলত আগামীতে কার্যকর হবে, এখন না। অর্থাৎ চতুর্দশ সংসদ নির্বাচনে এই সরকার ব্যবস্থা কার্যকর হবে।

তিনি আরও বলেন, আমরা মনে করি, নির্বাচনের ক্ষেত্রে জয়-পরাজয় গ্রহণের মানসিকতা তৈরি করতে হবে। আমরা যখন তত্ত্বাবধায়ক সরকার চেয়েছিলাম, আমরা ব্যক্তিগত বা দলীয় স্বার্থের জন্য চাইনি। অবশেষে আমরা সেখানে ফিরে এলাম। আমাদের পরবর্তী সবার দায়িত্ব হবে, একটি গণতান্ত্রিক পরিবেশ সৃষ্টি করা। ফ্রি ফেয়ার ইলেকশন যাতে রাষ্ট্রপরিচালনার মূলমন্ত্র হয়। শিশির মনির বলেন, জুলাই চার্টারে চারটি অপশন দেওয়া হয়েছে। এই চারটি অপশন যদি গণভোটে জয়ী হয়, তাহলে নতুন পার্লামেন্টে সংবিধান সংস্কারের সভায় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের ফরম্যাটে পরিবর্তন আসতে পারে।

এর আগে, বৃহস্পতিবার (২০ নভেম্বর) সকাল ৯টা ৪০ মিনিটে প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বে সাত বিচারপতির পূর্ণাঙ্গ আপিল বিভাগ ঐতিহাসিক এ রায় ঘোষণা করেন। বেঞ্চের অপর ছয় বিচারপতি হলেন—বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলাম, বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী, বিচারপতি মো. রেজাউল হক, বিচারপতি এস এম ইমদাদুল হক, বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান ও বিচারপতি ফারাহ মাহবুব। আপিল বিভাগ বলেন, বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। আর চতুর্দশ সংসদ নির্বাচন থেকে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা কার্যকর হবে।