ঢাকা , বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
সালমান শাহর দেহাবশেষ উত্তোলনের অনুমতি আদালতের ‘পুলিশ হত্যা করেছি’ ঘোষণা দেওয়া সেই মাহাদী এবার প্রাণ বাঁচাতে আশ্রয় নিলেন থানায় প্রাথমিকে যুক্ত হচ্ছে সংগীত-নাট্যকলা-নৃত্যকলা-চারু ও কারুকলা মহাসড়কে ‘জয়বাংলা স্লোগান’ নিয়ে পুলিশের ওপর হামলা-গাড়ি ভাঙচুর, আটক ১৯ ভোটের দায়িত্ব পালনকালে মৃত্যু হলে ১০ লাখ টাকা পাবে পরিবার: নির্বাচন কমিশন ১৭ বছর ভুয়া লাইসেন্সে ৯০০ ফ্লাইট চালানোর পর ধরা পড়ল পাইলট স্ত্রীর নামে এনজিও থেকে ৫০ হাজার টাকা ঋণ তুলে আর্জেন্টিনার পতাকা-ব্যানারে রাঙালেন ভ্যানচালক আল আকসার ঐতিহাসিক নিদর্শন সরানোর চেষ্টা ইসরাইলের, সতর্ক করলো হামাস পুশ-ইন ও সীমান্ত হত্যা ইস্যুতে মাঠে নামছে জামায়াতের ১১ দলীয় ঐক্য নিজের ৩০ শতক জমি বিক্রি করে সাড়ে ৭ কিমি. দীর্ঘ জার্মান পতাকা বানালেন আমজাদ

হামাসের ‘বিদায়ী ছবি’: বাকি ৪৭ জিম্মির ছবি প্রকাশ

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১০:৩৬:০৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ৫৪৬ বার পড়া হয়েছে

হাতে থাকা বাকি ৪৭ জিম্মির ছবি প্রকাশ করছে হামাস। ছবিটিকে তারা ‘বিদায়ী ছবি’ বা ‘ফেয়ারওয়েল ফটো’ বলে আখ্যায়িত করছে। প্রকাশিত ছবিটিতে দেখা যায় প্রতিটি জিম্মিকে রন আরাদ নামে চিহ্নিত করে সঙ্গে একটি করে নম্বর যোগ করে দিয়েছে।

 

 

উল্লেখ্য, ১৯৮৬ সালের ১৬ অক্টোবর দক্ষিণ লেবাননে এক অভিযানে অংশ নেন ইসরায়েলি বিমানবাহিনীর নেভিগেটর রন আরাদ। ওই অভিযানে নিখোঁজ হন তিনি।

 

 

ছবির সঙ্গে প্রকাশিত লেখায় ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে জিম্মি বিনিময়ের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যানের জন্য দায়ী করা হয়েছে। পাশাপাশি অভিযোগ করা হয়েছে, সেনাপ্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল ইয়াল জামির নিজে আপত্তি থাকলেও শেষ পর্যন্ত গাজা অভিযানে এগিয়ে গেছেন। লেখাটিতে বলা হয়েছে, ‘নেতানিয়াহুর অস্বীকৃতি আর জামিরের নতি স্বীকারের কারণেই গাজা সিটিতে সামরিক অভিযান শুরু হয়েছে। আর তার কারণেই এ বিদায়ী ছবি প্রকাশ করা হলো।’

 

ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম ওয়াইনেটের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ৪৭ জিম্মির মধ্যে কেবল ২০ জন এখনো জীবিত আছে বলে মনে করা হচ্ছে। আরও দুজন আশঙ্কাজনক অবস্থায় এবং বাকিরা মৃত বলে ধারণা করছে কর্তৃপক্ষ।

 

হামাসের সশস্ত্র শাখা আল-কাসাম ব্রিগেডের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘তোমাদের বন্দীরা গাজা সিটির বিভিন্ন মহল্লায় ছড়িয়ে রয়েছে। নেতানিয়াহু যখন তাঁদের হত্যা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, আমরা তাঁদের জীবনের ব্যাপারে আর উদ্বিগ্ন নই। এই অভিযান শুরু মানেই তোমরা কোনো বন্দী ফেরত পাবে না। না জীবিত, না মৃত। তাঁদের পরিণতিও হবে রন আরাদের মতো।’

 

গত জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত বিরতিতে হামাস ৩০ জন জিম্মি মুক্তি দিয়েছিল, যার মধ্যে ছিল ২০ জন ইসরায়েলি বেসামরিক নাগরিক, পাঁচ সেনা ও পাঁচজন ছিলেন থাই নাগরিক। এ সময় আট নিহত ইসরায়েলির মরদেহও ফেরত দেওয়া হয়। চলতি বছরের মে মাসে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি ‘ইঙ্গিতমূলক পদক্ষেপ’ হিসেবে একজন মার্কিন-ইসরায়েলি জিম্মি মুক্তি দেয় হামাস। বিনিময়ে মুক্তি পায় ইসরায়েলের কারাগারে বন্দী থাকা ২ হাজার ফিলিস্তিনি।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

সালমান শাহর দেহাবশেষ উত্তোলনের অনুমতি আদালতের

হামাসের ‘বিদায়ী ছবি’: বাকি ৪৭ জিম্মির ছবি প্রকাশ

আপডেট সময় ১০:৩৬:০৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৫

হাতে থাকা বাকি ৪৭ জিম্মির ছবি প্রকাশ করছে হামাস। ছবিটিকে তারা ‘বিদায়ী ছবি’ বা ‘ফেয়ারওয়েল ফটো’ বলে আখ্যায়িত করছে। প্রকাশিত ছবিটিতে দেখা যায় প্রতিটি জিম্মিকে রন আরাদ নামে চিহ্নিত করে সঙ্গে একটি করে নম্বর যোগ করে দিয়েছে।

 

 

উল্লেখ্য, ১৯৮৬ সালের ১৬ অক্টোবর দক্ষিণ লেবাননে এক অভিযানে অংশ নেন ইসরায়েলি বিমানবাহিনীর নেভিগেটর রন আরাদ। ওই অভিযানে নিখোঁজ হন তিনি।

 

 

ছবির সঙ্গে প্রকাশিত লেখায় ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে জিম্মি বিনিময়ের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যানের জন্য দায়ী করা হয়েছে। পাশাপাশি অভিযোগ করা হয়েছে, সেনাপ্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল ইয়াল জামির নিজে আপত্তি থাকলেও শেষ পর্যন্ত গাজা অভিযানে এগিয়ে গেছেন। লেখাটিতে বলা হয়েছে, ‘নেতানিয়াহুর অস্বীকৃতি আর জামিরের নতি স্বীকারের কারণেই গাজা সিটিতে সামরিক অভিযান শুরু হয়েছে। আর তার কারণেই এ বিদায়ী ছবি প্রকাশ করা হলো।’

 

ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম ওয়াইনেটের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ৪৭ জিম্মির মধ্যে কেবল ২০ জন এখনো জীবিত আছে বলে মনে করা হচ্ছে। আরও দুজন আশঙ্কাজনক অবস্থায় এবং বাকিরা মৃত বলে ধারণা করছে কর্তৃপক্ষ।

 

হামাসের সশস্ত্র শাখা আল-কাসাম ব্রিগেডের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘তোমাদের বন্দীরা গাজা সিটির বিভিন্ন মহল্লায় ছড়িয়ে রয়েছে। নেতানিয়াহু যখন তাঁদের হত্যা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, আমরা তাঁদের জীবনের ব্যাপারে আর উদ্বিগ্ন নই। এই অভিযান শুরু মানেই তোমরা কোনো বন্দী ফেরত পাবে না। না জীবিত, না মৃত। তাঁদের পরিণতিও হবে রন আরাদের মতো।’

 

গত জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত বিরতিতে হামাস ৩০ জন জিম্মি মুক্তি দিয়েছিল, যার মধ্যে ছিল ২০ জন ইসরায়েলি বেসামরিক নাগরিক, পাঁচ সেনা ও পাঁচজন ছিলেন থাই নাগরিক। এ সময় আট নিহত ইসরায়েলির মরদেহও ফেরত দেওয়া হয়। চলতি বছরের মে মাসে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি ‘ইঙ্গিতমূলক পদক্ষেপ’ হিসেবে একজন মার্কিন-ইসরায়েলি জিম্মি মুক্তি দেয় হামাস। বিনিময়ে মুক্তি পায় ইসরায়েলের কারাগারে বন্দী থাকা ২ হাজার ফিলিস্তিনি।