ঢাকা , বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬, ৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
BD24Report-এ একাধিক পদে নিয়োগ, আবেদন করতে পারবেন যোগ্য প্রার্থীরা সমতার ভিত্তিতে সব দেশের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক চায় বাংলাদেশ: রিজভী একনেকে ৯ হাজার ৩৩৩ কোটি টাকার ১০ প্রকল্প অনুমোদন মোবাইল অপারেটরদের কলড্রপ কমানোর নির্দেশ মন্ত্রীর কুমিল্লায় এআই ক্যামেরা চালুর প্রথম দিনেই ৪৪৯ মামলা, জরিমানা সাড়ে ১৫ লাখ দক্ষিণ সিটিতে উত্তরের রিকশা চলবে না: ডিএসসিসি প্রশাসক স্বামীর শেষযাত্রায় ১২ ঘণ্টার জন্য প্যারোলে মুক্তি পেলেন দীপু মনি মাত্র ৫০–৬০ ডলারে স্মার্টফোন পৌঁছে দিতে উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার স্বামীর মৃত্যুতে ১২ ঘণ্টার প্যারোলে মুক্তি পাচ্ছেন দীপু মনি দক্ষিণ সিটিতে উত্তরের রিকশা চলবে না: ডিএসসিসি প্রশাসক

হাসিনার রায় নিয়ে ছড়িয়ে পড়া বিচারকদের ছবি সরানোর নির্দেশ ট্রাইব্যুনালের

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৩:০৯:৪৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ নভেম্বর ২০২৫
  • ৭৭৫ বার পড়া হয়েছে

এবার মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের রায়ের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিচারকদের ছবি এবং ভিডিওর সঙ্গে অবমাননাকর মন্তব্য ছড়িয়ে পড়ায় তা দ্রুত সরানোর নির্দেশ দিয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। একই সঙ্গে আগামী ৩ ডিসেম্বরের মধ্যে এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন দেওয়ার জন্যও বলা হয়েছে।

আজ রোববার (২৩ নভেম্বর) ট্রাইব্যুনাল-১-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বে গঠিত দুই সদস্যের বিচারিক প্যানেল এই আদেশ দেন। প্যানেলের অন্য সদস্য হলেন অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী। জুলাই-আগস্টে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ট্রাইব্যুনাল শেখ হাসিনা ও কামালকে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করেন এবং সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুনকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেন। রায়টি ১৩ নভেম্বর ঘোষণা করা হয়।

রায়ের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও সংবাদমাধ্যমে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বিচারকদের ছবি ব্যবহার করে অবমাননাকর মন্তব্য ছড়িয়ে পড়ে, যা নজরে আসে ট্রাইব্যুনালের। এর পরিপ্রেক্ষিতে স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে বিচারপতি গোলাম মর্তূজা মজুমদার বিটিআরসির চেয়ারম্যান ও তথ্য সচিবকে এসব ছবি এবং মন্তব্য মুছে ফেলার নির্দেশ দেন।

ট্রাইব্যুনাল আডিশনে বলেন, মুক্ত চিন্তা ও বাক স্বাধীনতা সবাইকে প্রাপ্য, তবে তা অবশ্যই দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী এবং কাউকে অবমাননা না করে প্রকাশ করতে হবে। আদেশের সময় ট্রাইব্যুনালে উপস্থিত ছিলেন চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম, প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম, গাজী এমএইচ তামিমসহ অন্যান্য প্রসিকিউশনের সদস্যরা। এছাড়া আসামিপক্ষের আইনজীবী এবং সাংবাদিকরাও সেখানে উপস্থিত ছিলেন।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

BD24Report-এ একাধিক পদে নিয়োগ, আবেদন করতে পারবেন যোগ্য প্রার্থীরা

হাসিনার রায় নিয়ে ছড়িয়ে পড়া বিচারকদের ছবি সরানোর নির্দেশ ট্রাইব্যুনালের

আপডেট সময় ০৩:০৯:৪৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ নভেম্বর ২০২৫

এবার মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের রায়ের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিচারকদের ছবি এবং ভিডিওর সঙ্গে অবমাননাকর মন্তব্য ছড়িয়ে পড়ায় তা দ্রুত সরানোর নির্দেশ দিয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। একই সঙ্গে আগামী ৩ ডিসেম্বরের মধ্যে এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন দেওয়ার জন্যও বলা হয়েছে।

আজ রোববার (২৩ নভেম্বর) ট্রাইব্যুনাল-১-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বে গঠিত দুই সদস্যের বিচারিক প্যানেল এই আদেশ দেন। প্যানেলের অন্য সদস্য হলেন অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী। জুলাই-আগস্টে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ট্রাইব্যুনাল শেখ হাসিনা ও কামালকে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করেন এবং সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুনকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেন। রায়টি ১৩ নভেম্বর ঘোষণা করা হয়।

রায়ের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও সংবাদমাধ্যমে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বিচারকদের ছবি ব্যবহার করে অবমাননাকর মন্তব্য ছড়িয়ে পড়ে, যা নজরে আসে ট্রাইব্যুনালের। এর পরিপ্রেক্ষিতে স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে বিচারপতি গোলাম মর্তূজা মজুমদার বিটিআরসির চেয়ারম্যান ও তথ্য সচিবকে এসব ছবি এবং মন্তব্য মুছে ফেলার নির্দেশ দেন।

ট্রাইব্যুনাল আডিশনে বলেন, মুক্ত চিন্তা ও বাক স্বাধীনতা সবাইকে প্রাপ্য, তবে তা অবশ্যই দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী এবং কাউকে অবমাননা না করে প্রকাশ করতে হবে। আদেশের সময় ট্রাইব্যুনালে উপস্থিত ছিলেন চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম, প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম, গাজী এমএইচ তামিমসহ অন্যান্য প্রসিকিউশনের সদস্যরা। এছাড়া আসামিপক্ষের আইনজীবী এবং সাংবাদিকরাও সেখানে উপস্থিত ছিলেন।