ঢাকা , শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬, ১০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
টাইফয়েডে আক্রান্ত ককরোচ পার্টির প্রতিষ্ঠাতা, আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা ধর্মেন্দ্র প্রধানকে বরখাস্ত করতেই হবে, এ বিষয়ে কোনো আপস নয়: রাহুল গান্ধি আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা খাইয়ো না: শিক্ষার্থীদের শান্ত থাকার অনুরোধ শিক্ষকের পরবর্তী রাষ্ট্রপতি নিয়ে যা বললেন রিজভী স্ত্রীকে হাসপাতালে রেখে নামাজের জন্য বের হয়েছিলেন দোকানি, মোটরসাইকেলের ধাক্কায় প্রা/ণ গেল শিক্ষামন্ত্রী পদত্যাগ না করলে কথা বলে লাভ নেই: সিজেপির মুখপাত্র জামায়াতের জোট থেকে বেরিয়ে গেল খেলাফত মজলিস দেশের সবকিছু বন্ধ করতে পেরেছেন, শুধু প্রশ্নফাঁস বন্ধ করতে পারেননি: মোদিকে রাহুলের কটাক্ষ সৌদির সঙ্গে পারমাণবিক চুক্তির ২৪ ঘণ্টায় কেন সুর বদলালেন ট্রাম্প ইরান এখন আলোচনায় আগের চেয়ে ‘বেশি আন্তরিক’: ট্রাম্প

আন্দোলনকারীদের সঙ্গে আলোচনায় বসছে দিল্লি সরকার

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১২:১৫:২২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬
  • ২২ বার পড়া হয়েছে

ভারতে প্রশ্নফাঁসকে কেন্দ্র করে চলমান আন্দোলনের মধ্যেই সংকট নিরসনের লক্ষ্যে আলোচনায় বসতে যাচ্ছে সরকার ও আন্দোলনকারীরা। শুক্রবার সরকারের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকে বসবেন তরুণদের নেতৃত্বাধীন ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)-এর নেতারা। তবে আলোচনা শুরু হলেও দেশজুড়ে চলমান বিক্ষোভ কর্মসূচি আপাতত প্রত্যাহার করা হচ্ছে না বলে স্পষ্ট জানিয়েছে সংগঠনটি।

সিজেপির মুখপাত্র সৌরভ দাস জানান, একটি নিরপেক্ষ স্থানে সরকারের মন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠক হবে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, সরকার খোলা মনে আন্দোলনকারীদের দাবি শুনবে। একই সঙ্গে তিনি বলেন, প্রশ্নফাঁসের বিচার এবং পরীক্ষা ব্যবস্থার সংস্কারের দাবিতে আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।

এদিকে অধিকারকর্মী সোনম ওয়াংচুক টানা ২৬ দিনের অনশন ভেঙেছেন। এর কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই সরকার ও আন্দোলনকারীদের বৈঠকের ঘোষণা আসায় সংকট নিরসনের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ এবং প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় জড়িতদের বিচারের দাবিতে দিল্লির যন্তর মন্তরে এখনো অবস্থান করছেন হাজারো শিক্ষার্থী। আন্দোলন ইতোমধ্যে ছড়িয়ে পড়েছে ভারতের বিভিন্ন শহরে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে দিল্লির একাধিক মেট্রো স্টেশন বন্ধ রাখা হয়েছে এবং নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।

অন্যদিকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি জানিয়েছেন, প্রশ্নফাঁসে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির বিধান রেখে নতুন আইনের খসড়া নিয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠকে আলোচনা হবে। তবে আন্দোলনকারীদের দাবি, শুধু কঠোর শাস্তি নয়—ভবিষ্যতে প্রশ্নফাঁস ঠেকাতে পুরো পরীক্ষা ও নিয়োগ ব্যবস্থায় মৌলিক সংস্কার আনতে হবে।

এখন সবার নজর সরকার ও আন্দোলনকারীদের বৈঠকের দিকে। কারণ, এই আলোচনা চলমান আন্দোলনের গতিপথ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

টাইফয়েডে আক্রান্ত ককরোচ পার্টির প্রতিষ্ঠাতা, আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা

আন্দোলনকারীদের সঙ্গে আলোচনায় বসছে দিল্লি সরকার

আপডেট সময় ১২:১৫:২২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬

ভারতে প্রশ্নফাঁসকে কেন্দ্র করে চলমান আন্দোলনের মধ্যেই সংকট নিরসনের লক্ষ্যে আলোচনায় বসতে যাচ্ছে সরকার ও আন্দোলনকারীরা। শুক্রবার সরকারের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকে বসবেন তরুণদের নেতৃত্বাধীন ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)-এর নেতারা। তবে আলোচনা শুরু হলেও দেশজুড়ে চলমান বিক্ষোভ কর্মসূচি আপাতত প্রত্যাহার করা হচ্ছে না বলে স্পষ্ট জানিয়েছে সংগঠনটি।

সিজেপির মুখপাত্র সৌরভ দাস জানান, একটি নিরপেক্ষ স্থানে সরকারের মন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠক হবে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, সরকার খোলা মনে আন্দোলনকারীদের দাবি শুনবে। একই সঙ্গে তিনি বলেন, প্রশ্নফাঁসের বিচার এবং পরীক্ষা ব্যবস্থার সংস্কারের দাবিতে আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।

এদিকে অধিকারকর্মী সোনম ওয়াংচুক টানা ২৬ দিনের অনশন ভেঙেছেন। এর কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই সরকার ও আন্দোলনকারীদের বৈঠকের ঘোষণা আসায় সংকট নিরসনের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ এবং প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় জড়িতদের বিচারের দাবিতে দিল্লির যন্তর মন্তরে এখনো অবস্থান করছেন হাজারো শিক্ষার্থী। আন্দোলন ইতোমধ্যে ছড়িয়ে পড়েছে ভারতের বিভিন্ন শহরে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে দিল্লির একাধিক মেট্রো স্টেশন বন্ধ রাখা হয়েছে এবং নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।

অন্যদিকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি জানিয়েছেন, প্রশ্নফাঁসে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির বিধান রেখে নতুন আইনের খসড়া নিয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠকে আলোচনা হবে। তবে আন্দোলনকারীদের দাবি, শুধু কঠোর শাস্তি নয়—ভবিষ্যতে প্রশ্নফাঁস ঠেকাতে পুরো পরীক্ষা ও নিয়োগ ব্যবস্থায় মৌলিক সংস্কার আনতে হবে।

এখন সবার নজর সরকার ও আন্দোলনকারীদের বৈঠকের দিকে। কারণ, এই আলোচনা চলমান আন্দোলনের গতিপথ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।