ঢাকা , শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬, ৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পদত্যাগ করলেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৪:৪৩:৪১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬
  • ১৬ বার পড়া হয়েছে

রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন মো. সাহাবুদ্দিন। শুক্রবার বিকেলে জাতীয় সংসদের স্পিকারের কাছে তিনি স্বাক্ষরিত পদত্যাগপত্র জমা দেন। বিষয়টি নিয়ে বিকেল ৫টায় সংবাদ সম্মেলন করার কথা রয়েছে জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের।

সংবিধান অনুযায়ী, নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত স্পিকারই ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন। একই সঙ্গে রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হওয়ার পরবর্তী ৯০ দিনের মধ্যে জাতীয় সংসদকে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত করতে হবে।

২০২৪ সালের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর থেকেই মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের দাবি জোরালো হতে থাকে। সর্বশেষ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির প্রারম্ভিক ভাষণের সময় বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরাও তার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানান।

২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব নেন মো. সাহাবুদ্দিন। নিয়ম অনুযায়ী ২০২৮ সালের এপ্রিল পর্যন্ত তার মেয়াদ থাকার কথা ছিল। তবে মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই পদত্যাগ করলেন তিনি।

রাষ্ট্রপতি হিসেবে তার দায়িত্বকাল ছিল দেশের সাম্প্রতিক ইতিহাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সময়। এ সময়ের মধ্যেই সংঘটিত হয়েছে ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থান, আওয়ামী লীগ সরকারের পতন, অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্ব গ্রহণ এবং ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। একই সঙ্গে বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো স্বল্প সময়ের ব্যবধানে তিনজন ভিন্ন সরকারপ্রধানকে শপথ পড়ানোর নজিরও গড়েন তিনি।

এদিকে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের পর নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সাংবিধানিক প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে জাতীয় সংসদ।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

পদত্যাগ করলেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন

আপডেট সময় ০৪:৪৩:৪১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬

রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন মো. সাহাবুদ্দিন। শুক্রবার বিকেলে জাতীয় সংসদের স্পিকারের কাছে তিনি স্বাক্ষরিত পদত্যাগপত্র জমা দেন। বিষয়টি নিয়ে বিকেল ৫টায় সংবাদ সম্মেলন করার কথা রয়েছে জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের।

সংবিধান অনুযায়ী, নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত স্পিকারই ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন। একই সঙ্গে রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হওয়ার পরবর্তী ৯০ দিনের মধ্যে জাতীয় সংসদকে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত করতে হবে।

২০২৪ সালের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর থেকেই মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের দাবি জোরালো হতে থাকে। সর্বশেষ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির প্রারম্ভিক ভাষণের সময় বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরাও তার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানান।

২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব নেন মো. সাহাবুদ্দিন। নিয়ম অনুযায়ী ২০২৮ সালের এপ্রিল পর্যন্ত তার মেয়াদ থাকার কথা ছিল। তবে মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই পদত্যাগ করলেন তিনি।

রাষ্ট্রপতি হিসেবে তার দায়িত্বকাল ছিল দেশের সাম্প্রতিক ইতিহাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সময়। এ সময়ের মধ্যেই সংঘটিত হয়েছে ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থান, আওয়ামী লীগ সরকারের পতন, অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্ব গ্রহণ এবং ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। একই সঙ্গে বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো স্বল্প সময়ের ব্যবধানে তিনজন ভিন্ন সরকারপ্রধানকে শপথ পড়ানোর নজিরও গড়েন তিনি।

এদিকে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের পর নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সাংবিধানিক প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে জাতীয় সংসদ।