ঢাকা , রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬, ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মাইলস্টোনে কোচিং বাধ্যতামূলক: বিচারের আওতায় আনার দাবি গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১০:০০:৪৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ জুলাই ২০২৫
  • ৩৬৪ বার পড়া হয়েছে

রাজধানীর উত্তরার মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে কোচিং বাধ্যতামূলক করায় প্রতিষ্ঠানটির কর্তৃপক্ষকে বিচারের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়।

শুক্রবার (২৫ জুলাই) সকালে বিমান দুর্ঘটনায় নিহত তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী নুসরাত জাহান আনিকার উত্তরার বাসায় পরিবারের সদস্যদের সান্ত্বনা জানাতে গিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ দাবি জানান। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশে তিনি এই সফর করেন।

আনিকার বাবা আবুল হোসেনের পাশে দাঁড়িয়ে গয়েশ্বর বলেন, “মাইলস্টোন তো নামকরা স্কুল, তাহলে কোচিং বাধ্যতামূলক কেন? আনিকার বাবার কাছ থেকেই শুনলাম—যারা কোচিংয়ের জন্য অপেক্ষা করছিল, তারাই দুর্ঘটনার শিকার হয়েছেন। স্কুলের মাসিক বেতন ১৭০০ টাকা, অথচ কোচিংয়ের জন্য দিতে হয় সাড়ে ৩ হাজার টাকা। এটি যদি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান হয়, তাহলে অবশ্যই কর্তৃপক্ষকে বিচারের মুখোমুখি করতে হবে।”

বিমান দুর্ঘটনা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “এ ধরনের মর্মান্তিক দুর্ঘটনা আমরা দেশে আগে দেখিনি। জনবহুল এলাকায় প্রশিক্ষণ বিমান উড্ডয়ন কীভাবে সম্ভব? বিমানটি নাকি পুরোনো ছিল, উড্ডয়নের উপযোগীও নয়। আর মাত্র ২১ বছর বয়সী এক প্রশিক্ষণার্থী পাইলটকেও হারাল দেশ।”

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

মাইলস্টোনে কোচিং বাধ্যতামূলক: বিচারের আওতায় আনার দাবি গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের

আপডেট সময় ১০:০০:৪৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ জুলাই ২০২৫

রাজধানীর উত্তরার মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে কোচিং বাধ্যতামূলক করায় প্রতিষ্ঠানটির কর্তৃপক্ষকে বিচারের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়।

শুক্রবার (২৫ জুলাই) সকালে বিমান দুর্ঘটনায় নিহত তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী নুসরাত জাহান আনিকার উত্তরার বাসায় পরিবারের সদস্যদের সান্ত্বনা জানাতে গিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ দাবি জানান। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশে তিনি এই সফর করেন।

আনিকার বাবা আবুল হোসেনের পাশে দাঁড়িয়ে গয়েশ্বর বলেন, “মাইলস্টোন তো নামকরা স্কুল, তাহলে কোচিং বাধ্যতামূলক কেন? আনিকার বাবার কাছ থেকেই শুনলাম—যারা কোচিংয়ের জন্য অপেক্ষা করছিল, তারাই দুর্ঘটনার শিকার হয়েছেন। স্কুলের মাসিক বেতন ১৭০০ টাকা, অথচ কোচিংয়ের জন্য দিতে হয় সাড়ে ৩ হাজার টাকা। এটি যদি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান হয়, তাহলে অবশ্যই কর্তৃপক্ষকে বিচারের মুখোমুখি করতে হবে।”

বিমান দুর্ঘটনা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “এ ধরনের মর্মান্তিক দুর্ঘটনা আমরা দেশে আগে দেখিনি। জনবহুল এলাকায় প্রশিক্ষণ বিমান উড্ডয়ন কীভাবে সম্ভব? বিমানটি নাকি পুরোনো ছিল, উড্ডয়নের উপযোগীও নয়। আর মাত্র ২১ বছর বয়সী এক প্রশিক্ষণার্থী পাইলটকেও হারাল দেশ।”