এবার ঢাকা–চট্টগ্রাম মহাসড়কের উপরে ছড়িয়ে–ছিটিয়ে পড়ে থাকা হাজার হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট কুড়িয়ে নিতে দেখা গেছে স্থানীয়, পথচারী ও গাড়ি চালকদের। এছাড়াও অনেক ইয়াবা বিভিন্ন গাড়ির চাকার সঙ্গে পিষে গেছে। শুক্রবার (২৪ জুলাই) দুপুর দেড়টার দিকে পৌরসভার নুনাছড়া এলাকার মহাসড়কের চট্টগ্রামমুখী লেনে এ ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেন, হাজার হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট রাস্তায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকতে দেখা যায়। আমরা কয়েকজন মিলে প্রায় এক হাজারের অধিক ইয়াবা ট্যাবলেট রাস্তা থেকে কুড়িয়ে নিয়ে পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছি।
এদিকে পুলিশ বলছে, ১০০ থেকে ১৫০ পিস ইয়াবা ও একশ গ্রামের মতো গুঁড়া উদ্ধার করেছি। স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শী মোহাম্মদ জনি নামে এক যুবক বলেন, দুপুর দেড়টার দিকে ঢাকা–চট্টগ্রাম মহাসড়কের চট্টগ্রামমুখী লেনে হাজার হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট রাস্তায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকতে দেখি। তার পাশে দুটি মোটরসাইকেলের মধ্যে দুইজন আরোহী ঝগড়া করছিল। এই সময় স্থানীয়রা তাদেরকে ধাওয়া দিলে তারা পালিয়ে যায়। পরে আমরা নীল প্লাস্টিকে মোড়ানো ১০–১২ প্যাকেট ইয়াবা ও শতাধিক ইয়াবার পিস কুড়িয়ে নিয়ে পুলিশকে বুঝিয়ে দিই।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আরেক যুবক বলেন, আমি নিজেই কুড়িয়ে দিয়েছি প্রায় ২০০ থেকে ৩০০ পিস ইয়াবা। জনি নামে এক যুবক অনেকগুলো প্যাকেট ও ইয়াবা কুড়িয়ে দিয়েছে। কিন্তু পুলিশকে জনি কত পিস ইয়াবা দিয়েছে তা জানতে চাইলে পুলিশ বলেন আপনার কেন এত মাথা ব্যাথা। তাছাড়া আপনি কেন এত তদন্ত করছেন। এছাড়াও ঘটনাস্থল থেকে অনেক দূরে পুলিশ জনির কাছে থেকে ইয়াবাগুলো বুঝে নেন।
এ বিষয়ে ঘটনাস্থলে যাওয়া পুলিশের উপ–পরিদর্শক (এসআই) অনিক বলেন, ১০০ থেকে ১৫০ পিস ইয়াবা ও ১০০ গ্রামের মতো গুঁড়া উদ্ধার করেছি। এ বিষয়ে জানতে চাইলে সীতাকুণ্ড মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) মুঠোফোনে কয়েকবার কল দিলেও তিনি রিসিভ করেননি। কিন্তু সীতাকুণ্ড থানার ওসি (তদন্ত) মোহাম্মদ আলমগীর বলেন, আমি শহরে আছি। ঘটনাস্থলে এসআই অনিক গিয়েছিল। তার তথ্য অনুযায়ী ধারণা করা হচ্ছে কোনো মাদক নিয়ন্ত্রণ সংস্থা মাদক কারবারিদের ধাওয়া দিলে তারা মাদক রেখে পালিয়ে যায়। এবং ১০০ থেকে ১৫০ পিস ইয়াবা ও ১০০ গ্রামের মতো গুঁড়া উদ্ধার করেন। থানায় গেলে বিস্তারিত জানতে পারব।

ডেস্ক রিপোর্ট 

























