ঢাকা , শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬, ১০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::

আমাদের মধ্যে হিন্দু-মুসলিম রাজনীতি না থাকলে বড় বড় সিংহাসন কেঁপে যাবে

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৬:১০:১৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬
  • ৪ বার পড়া হয়েছে

টানা শিক্ষার্থী আন্দোলনের মুখে ভারতের কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগকে বড় জয় হিসেবে দেখছেন আন্দোলনের নেতৃত্ব দেওয়া ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে। তিনি দাবি করেছেন, দেশের তরুণরা ধর্ম-বর্ণের বিভাজন ভুলে এক হওয়াতেই এই সাফল্য এসেছে।

পদত্যাগের পর দেওয়া প্রতিক্রিয়ায় অভিজিৎ বলেন, হিন্দু-মুসলিম বিভাজনের রাজনীতি নয়, ইস্যুভিত্তিক রাজনীতিই দেশকে এগিয়ে নিতে পারে। তার ভাষায়, মানুষ যদি ধর্মীয় বিভেদের ঊর্ধ্বে উঠে প্রকৃত জনস্বার্থের প্রশ্নে ঐক্যবদ্ধ হয়, তাহলে আরও বড় বড় ক্ষমতার আসনও কেঁপে উঠবে।

তিনি আরও বলেন, দেশের মানুষ যখন প্রকৃত সমস্যা নিয়ে সোচ্চার হবে, তখন সেটিই হবে গণতন্ত্রের সবচেয়ে বড় শক্তি। এ সময় তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকারকেও ইঙ্গিত করে বলেন, একসময় ধারণা ছিল এই সরকারের কেউ পদত্যাগ করেন না। কিন্তু জনগণের ধারাবাহিক আন্দোলন সেই ধারণা বদলে দিয়েছে।

উল্লেখ্য, মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা ‘নিট’-এর প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগকে কেন্দ্র করে গত দুই মাসের বেশি সময় ধরে দিল্লির যন্তর-মন্তরে আন্দোলন চালিয়ে আসছিলেন শিক্ষার্থীরা। পরীক্ষার স্বচ্ছতা নিশ্চিত এবং দায়ীদের শাস্তির দাবিতে গড়ে ওঠা এ আন্দোলনই শেষ পর্যন্ত শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের পথ তৈরি করেছে বলে দাবি করছেন আন্দোলনকারীরা।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

ট্রাম্পকে সমর্থনের অভিযোগে ইনফান্তিনোকে অব্যাহতি দিল আইওসি

আমাদের মধ্যে হিন্দু-মুসলিম রাজনীতি না থাকলে বড় বড় সিংহাসন কেঁপে যাবে

আপডেট সময় ০৬:১০:১৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬

টানা শিক্ষার্থী আন্দোলনের মুখে ভারতের কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগকে বড় জয় হিসেবে দেখছেন আন্দোলনের নেতৃত্ব দেওয়া ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে। তিনি দাবি করেছেন, দেশের তরুণরা ধর্ম-বর্ণের বিভাজন ভুলে এক হওয়াতেই এই সাফল্য এসেছে।

পদত্যাগের পর দেওয়া প্রতিক্রিয়ায় অভিজিৎ বলেন, হিন্দু-মুসলিম বিভাজনের রাজনীতি নয়, ইস্যুভিত্তিক রাজনীতিই দেশকে এগিয়ে নিতে পারে। তার ভাষায়, মানুষ যদি ধর্মীয় বিভেদের ঊর্ধ্বে উঠে প্রকৃত জনস্বার্থের প্রশ্নে ঐক্যবদ্ধ হয়, তাহলে আরও বড় বড় ক্ষমতার আসনও কেঁপে উঠবে।

তিনি আরও বলেন, দেশের মানুষ যখন প্রকৃত সমস্যা নিয়ে সোচ্চার হবে, তখন সেটিই হবে গণতন্ত্রের সবচেয়ে বড় শক্তি। এ সময় তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকারকেও ইঙ্গিত করে বলেন, একসময় ধারণা ছিল এই সরকারের কেউ পদত্যাগ করেন না। কিন্তু জনগণের ধারাবাহিক আন্দোলন সেই ধারণা বদলে দিয়েছে।

উল্লেখ্য, মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা ‘নিট’-এর প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগকে কেন্দ্র করে গত দুই মাসের বেশি সময় ধরে দিল্লির যন্তর-মন্তরে আন্দোলন চালিয়ে আসছিলেন শিক্ষার্থীরা। পরীক্ষার স্বচ্ছতা নিশ্চিত এবং দায়ীদের শাস্তির দাবিতে গড়ে ওঠা এ আন্দোলনই শেষ পর্যন্ত শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের পথ তৈরি করেছে বলে দাবি করছেন আন্দোলনকারীরা।