ঢাকা , শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ১২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
১৩ কোটি টাকার প্রতারণার অভিযোগ, পূজা চেরির বাবা গ্রেপ্তার উচ্ছেদ হওয়া হকারদের দ্রুত পুনর্বাসনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর স্মার্টফোনের ন্যূনতম দাম ২৫০০ টাকার মধ্যে আনতে চায় সরকার: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা ছাড়া মধ্যপ্রাচ্যে ‘স্থায়ী শান্তি’ আসবে না: রাশিয়া হাজার চেষ্টা করলেও আ.লীগ হতে পারবেন না: বিএনপিকে জামায়াত আমির আজহারী ও জারার ছবি ব্যবহার করে যৌন উত্তেজক ওষুধের বিজ্ঞাপন, গ্রেপ্তার ১০ নিজেদের সক্ষমতার সামান্যই ব্যবহার করেছে ইরান, নিচ্ছে পাল্টা হামলার প্রস্তুতি জামায়াতকে রাজনৈতিকভাবে নির্মূলে কাজ করতে হবে: মির্জা ফখরুল ৭২-এর সংবিধান মোতাবেক শেখ হাসিনা এখনও দেশের প্রধানমন্ত্রী: ব্যারিস্টার ফুয়াদ ‘যেই বিএনপির জন্ম হয়েছে গণভোটের মাধ্যমে, তারাই আজ গণভোটকে অস্বীকার করছে’

নারী বাউল শিল্পী হাসিনা সরকারের বিস্ফোরক অভিযোগ: প্রোগ্রামের জন্য কুপ্রস্তাব দেওয়া হয়

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৬:১৩:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ নভেম্বর ২০২৫
  • ১১৬৪ বার পড়া হয়েছে

গত ৪ অক্টোবর মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলায় এক সঙ্গীত অনুষ্ঠানে বাউল শিল্পী আবুল সরকার ইসলাম ও আল্লাহকে নিয়ে কটূক্তি করার ঘটনায় দেশে তোলপাড় সৃষ্টি হয়। ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন ধর্মীয় সংগঠন থেকে তার দ্রুত গ্রেফতার ও শাস্তির দাবি জানানো হয়। এ ঘটনায় ডিবি পুলিশ বিশেষ অভিযানে গত বৃহস্পতিবার ভোরে মাদারীপুর থেকে আবুল সরকারকে গ্রেফতার করে। বর্তমানে তিনি কারাগারে রয়েছেন।

যখন দেশের মানুষ আবুল সরকারের বিচারের দাবিতে ফুঁসে উঠেছে, ঠিক তখনই নারী বাউল শিল্পী হাসিনা সরকার নতুন করে পুরুষ বাউল শিল্পীদের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন।

এক ভিডিও বার্তায় হাসিনা সরকার বলেন, নারী বাউল শিল্পীরা প্রায়শই কুপ্রস্তাবের শিকার হন। প্রোগ্রামে অংশ নেওয়ার জন্য তাদেরকে বিছানায় যেতে বলা হয়। তিনি জানান, এমন পরিস্থিতির শিকার নিজেও হয়েছেন। তবে তিনি যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছেন তাদের নাম উল্লেখ করেননি।

তিনি বলেন, “আমি বাউলদের বলতাম, ‘আমার তো প্রোগ্রাম নাই, আমার দিকে একটু খেয়াল রাখবেন’। তখন তারা বলেন, ‘যদি খেয়াল রাখতে হয়, তাহলে কথা শুনতে হবে, যখন ডাকব তখন আসতে হবে’। আমি বলি, ‘আসলে কী হবে’? তখন তারা বলেন, ‘এইটা কি ভেঙে বলতে হবে’। আমি তখন বলেছি, ‘মাফ চাই, দোয়া চাই। ও ধরনের প্রোগ্রাম আমার দরকার নাই। আমার ইজ্জত বিক্রি করে প্রোগ্রাম নিতে হবে না। এটাকে বাউল গান বলে না।’

তিনি আরও অভিযোগ করেন, “পুরুষ বাউলরা কুপ্রস্তাব দিতেন; তারা বলত, ‘বেডে যাও, গান গাও’। আমি বাউল শিল্পী হয়ে বলছি—এখন বাউল জগতের এমন পরিস্থিতি হয়ে গেছে। আমাকে যদি কেউ না ডাকে, বায়না না দেয়, কেউ খোঁজখবর না নেয়, তাতেও আমার কিছু যায় আসে না। আমাকেও বাউলরা এই ধরনের প্রস্তাব দিয়েছে। তারা বলেছেন, ‘আমাদের কথা শুনবি, তোকে বায়না দেব।’”


 

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

১৩ কোটি টাকার প্রতারণার অভিযোগ, পূজা চেরির বাবা গ্রেপ্তার

নারী বাউল শিল্পী হাসিনা সরকারের বিস্ফোরক অভিযোগ: প্রোগ্রামের জন্য কুপ্রস্তাব দেওয়া হয়

আপডেট সময় ০৬:১৩:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ নভেম্বর ২০২৫

গত ৪ অক্টোবর মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলায় এক সঙ্গীত অনুষ্ঠানে বাউল শিল্পী আবুল সরকার ইসলাম ও আল্লাহকে নিয়ে কটূক্তি করার ঘটনায় দেশে তোলপাড় সৃষ্টি হয়। ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন ধর্মীয় সংগঠন থেকে তার দ্রুত গ্রেফতার ও শাস্তির দাবি জানানো হয়। এ ঘটনায় ডিবি পুলিশ বিশেষ অভিযানে গত বৃহস্পতিবার ভোরে মাদারীপুর থেকে আবুল সরকারকে গ্রেফতার করে। বর্তমানে তিনি কারাগারে রয়েছেন।

যখন দেশের মানুষ আবুল সরকারের বিচারের দাবিতে ফুঁসে উঠেছে, ঠিক তখনই নারী বাউল শিল্পী হাসিনা সরকার নতুন করে পুরুষ বাউল শিল্পীদের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন।

এক ভিডিও বার্তায় হাসিনা সরকার বলেন, নারী বাউল শিল্পীরা প্রায়শই কুপ্রস্তাবের শিকার হন। প্রোগ্রামে অংশ নেওয়ার জন্য তাদেরকে বিছানায় যেতে বলা হয়। তিনি জানান, এমন পরিস্থিতির শিকার নিজেও হয়েছেন। তবে তিনি যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছেন তাদের নাম উল্লেখ করেননি।

তিনি বলেন, “আমি বাউলদের বলতাম, ‘আমার তো প্রোগ্রাম নাই, আমার দিকে একটু খেয়াল রাখবেন’। তখন তারা বলেন, ‘যদি খেয়াল রাখতে হয়, তাহলে কথা শুনতে হবে, যখন ডাকব তখন আসতে হবে’। আমি বলি, ‘আসলে কী হবে’? তখন তারা বলেন, ‘এইটা কি ভেঙে বলতে হবে’। আমি তখন বলেছি, ‘মাফ চাই, দোয়া চাই। ও ধরনের প্রোগ্রাম আমার দরকার নাই। আমার ইজ্জত বিক্রি করে প্রোগ্রাম নিতে হবে না। এটাকে বাউল গান বলে না।’

তিনি আরও অভিযোগ করেন, “পুরুষ বাউলরা কুপ্রস্তাব দিতেন; তারা বলত, ‘বেডে যাও, গান গাও’। আমি বাউল শিল্পী হয়ে বলছি—এখন বাউল জগতের এমন পরিস্থিতি হয়ে গেছে। আমাকে যদি কেউ না ডাকে, বায়না না দেয়, কেউ খোঁজখবর না নেয়, তাতেও আমার কিছু যায় আসে না। আমাকেও বাউলরা এই ধরনের প্রস্তাব দিয়েছে। তারা বলেছেন, ‘আমাদের কথা শুনবি, তোকে বায়না দেব।’”