ঢাকা , মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬, ৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
ঢাকায় ২০০ ইভি বাস কিনছে সরকার, নারীর জন্য ১০০: সড়কমন্ত্রী তিন দিনের ছুটি নিয়ে ৪ বছর ধরে যুক্তরাষ্ট্রে সরকারি স্কুলের প্রধান শিক্ষক জিল্লুর নারীদের জন্য গোলাপি বাসের যাত্রা শুরু  ঝগড়ার পর ৯৯৯-এ ফোন দিলেন স্ত্রী, ৫৪টি জাল নোটসহ স্বামী গ্রেপ্তার কেউ ব্যক্তি আক্রমণ করলে আমি তাকে চুমু দেব, এমন সুশীল আমি না: রাশেদ খান অস্ট্রেলিয়াকে হারাবে বাংলাদেশ, আশা করেননি ডি ভিলিয়ার্স ‘তারেক রহমান ভারতে না এলে সুযোগ হারাবে, বন্ধ হতে পারে যোগাযোগের পথ’ মহাসড়কে এআই ক্যামেরা স্থাপন করায় পরিবহনে চাঁদাবাজি কমে আসবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পদত্যাগ করছেন পিএসসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক মোবাশ্বের মোনেম আমরা টহল দেওয়া শুরু করলে অনেক এলাকা থেকে জামায়াত-শিবির নাই হয়ে যাবে: নুর

চুরি হওয়া গম আমদানির অভিযোগ বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠানের ওপর ইইউ-র নিষেধাজ্ঞা চায় ইউক্রেন

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৬:২৮:৪১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ জুন ২০২৫
  • ৮২৫ বার পড়া হয়েছে

রাশিয়ার দখলকৃত ইউক্রেনীয় অঞ্চল থেকে সংগৃহীত গম আমদানি করছে বাংলাদেশের কিছু প্রতিষ্ঠান—এমন অভিযোগ তুলেছে কিয়েভ। ইউক্রেন দাবি করছে, রাশিয়া দখল করা অঞ্চল থেকে শস্য সংগ্রহ করে তা নিজেদের গমের সঙ্গে মিশিয়ে রপ্তানি করছে, যা আন্তর্জাতিকভাবে বেআইনি ও চুরির শামিল। এই গম আমদানি বন্ধে বাংলাদেশকে একাধিকবার চিঠি দিয়ে সতর্ক করা হলেও, ঢাকার পক্ষ থেকে কোনো সাড়া মেলেনি বলে অভিযোগ ইউক্রেনের।

ইউক্রেনের নয়াদিল্লি দূতাবাসের পক্ষ থেকে চলতি বছর বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে একাধিকবার চিঠি পাঠানো হয়েছে। চিঠিগুলোতে কফকাজ বন্দর থেকে আসা দেড় লাখ টনেরও বেশি ‘চুরি করা’ গম আমদানি না করার অনুরোধ জানানো হয়। তবে কোনো সাড়া না পাওয়ায় ইউক্রেন এখন ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) কাছে বিষয়টি তুলে ধরবে এবং সংশ্লিষ্ট আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানের ওপর নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার অনুরোধ জানাবে।

ভারতে নিযুক্ত ইউক্রেনের রাষ্ট্রদূত ওলেক্সান্ডার পোলিশচুক বলেছেন, রাশিয়ার জাহাজগুলোতে রপ্তানির আগে ইউক্রেনীয় অঞ্চল থেকে নেওয়া শস্য মিশিয়ে দেওয়া হচ্ছে। এটি সরাসরি আন্তর্জাতিক বাণিজ্য আইন লঙ্ঘন।

এদিকে বাংলাদেশের খাদ্য মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা দাবি করেছেন, দখলকৃত অঞ্চল থেকে গম আমদানির কোনো অনুমতি নেই এবং দেশটি ‘চুরি করা গম’ আমদানি করছে না। তবুও কিয়েভের দাবি অনুযায়ী, আনুষ্ঠানিকভাবে এ বিষয়ে বাংলাদেশ কোনো জবাব দেয়নি।

২০১৪ সাল থেকেই ইউক্রেনের দক্ষিণাঞ্চলের বিস্তীর্ণ কৃষিভূমি রাশিয়ার দখলে। ২০২২ সালে ইউক্রেনে রাশিয়ার পূর্ণমাত্রার আগ্রাসনের আগেই কিয়েভ গম চুরির অভিযোগ তোলে। রাশিয়া বরাবরই দাবি করে, দখলকৃত অঞ্চলগুলো এখন তাদের অংশ, এবং তারা নিজস্ব গম রপ্তানি করছে।

ইউক্রেন বলছে, এই পরিস্থিতি চলতে থাকলে ইইউর কাছে তারা কেবল বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠান নয়, সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধেও নিষেধাজ্ঞা আরোপের সুপারিশ করবে। এখন ইউরোপীয় ইউনিয়নের সিদ্ধান্তের দিকে নজর রাখছে কিয়েভ।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

ঢাকায় ২০০ ইভি বাস কিনছে সরকার, নারীর জন্য ১০০: সড়কমন্ত্রী

চুরি হওয়া গম আমদানির অভিযোগ বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠানের ওপর ইইউ-র নিষেধাজ্ঞা চায় ইউক্রেন

আপডেট সময় ০৬:২৮:৪১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ জুন ২০২৫

রাশিয়ার দখলকৃত ইউক্রেনীয় অঞ্চল থেকে সংগৃহীত গম আমদানি করছে বাংলাদেশের কিছু প্রতিষ্ঠান—এমন অভিযোগ তুলেছে কিয়েভ। ইউক্রেন দাবি করছে, রাশিয়া দখল করা অঞ্চল থেকে শস্য সংগ্রহ করে তা নিজেদের গমের সঙ্গে মিশিয়ে রপ্তানি করছে, যা আন্তর্জাতিকভাবে বেআইনি ও চুরির শামিল। এই গম আমদানি বন্ধে বাংলাদেশকে একাধিকবার চিঠি দিয়ে সতর্ক করা হলেও, ঢাকার পক্ষ থেকে কোনো সাড়া মেলেনি বলে অভিযোগ ইউক্রেনের।

ইউক্রেনের নয়াদিল্লি দূতাবাসের পক্ষ থেকে চলতি বছর বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে একাধিকবার চিঠি পাঠানো হয়েছে। চিঠিগুলোতে কফকাজ বন্দর থেকে আসা দেড় লাখ টনেরও বেশি ‘চুরি করা’ গম আমদানি না করার অনুরোধ জানানো হয়। তবে কোনো সাড়া না পাওয়ায় ইউক্রেন এখন ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) কাছে বিষয়টি তুলে ধরবে এবং সংশ্লিষ্ট আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানের ওপর নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার অনুরোধ জানাবে।

ভারতে নিযুক্ত ইউক্রেনের রাষ্ট্রদূত ওলেক্সান্ডার পোলিশচুক বলেছেন, রাশিয়ার জাহাজগুলোতে রপ্তানির আগে ইউক্রেনীয় অঞ্চল থেকে নেওয়া শস্য মিশিয়ে দেওয়া হচ্ছে। এটি সরাসরি আন্তর্জাতিক বাণিজ্য আইন লঙ্ঘন।

এদিকে বাংলাদেশের খাদ্য মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা দাবি করেছেন, দখলকৃত অঞ্চল থেকে গম আমদানির কোনো অনুমতি নেই এবং দেশটি ‘চুরি করা গম’ আমদানি করছে না। তবুও কিয়েভের দাবি অনুযায়ী, আনুষ্ঠানিকভাবে এ বিষয়ে বাংলাদেশ কোনো জবাব দেয়নি।

২০১৪ সাল থেকেই ইউক্রেনের দক্ষিণাঞ্চলের বিস্তীর্ণ কৃষিভূমি রাশিয়ার দখলে। ২০২২ সালে ইউক্রেনে রাশিয়ার পূর্ণমাত্রার আগ্রাসনের আগেই কিয়েভ গম চুরির অভিযোগ তোলে। রাশিয়া বরাবরই দাবি করে, দখলকৃত অঞ্চলগুলো এখন তাদের অংশ, এবং তারা নিজস্ব গম রপ্তানি করছে।

ইউক্রেন বলছে, এই পরিস্থিতি চলতে থাকলে ইইউর কাছে তারা কেবল বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠান নয়, সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধেও নিষেধাজ্ঞা আরোপের সুপারিশ করবে। এখন ইউরোপীয় ইউনিয়নের সিদ্ধান্তের দিকে নজর রাখছে কিয়েভ।