ঢাকা , সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
ভারতীয় ত্রাণ সীমান্তেই ফিরিয়ে দিচ্ছে নেপাল বিমানবন্দর থানা ছাত্রদলের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক গ্রেপ্তার জুলাই সনদ চাইবেন, আবার বাস্তবায়নে সহযোগিতা করবেন না, দুটি বিপরীতমুখী: বিরোধীদলকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আওয়ামী লীগ নেতাদের নিয়ে দিল্লির সেমিনার পুলিশি বাধায় বাতিল সাগর-রুনি হত্যায় জড়িত জিয়াউল আহসান ও রোকেয়া প্রাচী আলোচিত সবুজ মাংস: ল্যাব রিপোর্টে জানা গেল ঘটনার আসল রহস্য স্পিকারকে পিটিয়ে হত্যা ও জুতা ছোড়াছুড়ির কালো ইতিহাসে ফিরতে চাই না: সংসদে তাহের রাজনীতি আর কোনো নির্বাচনে এক ভোটও কারচুপি হতে দেবো না: সেলিম উদ্দীন আইফোন কিনতে সন্তানকে লাখ টাকায় বিক্রির অভিযোগ গুমের পুনরাবৃত্তি চিরতরে বন্ধ করাই আমাদের দায়িত্ব: প্রতিমন্ত্রী ইশরাক

জাতিসংঘে হঠাৎ মুখোমুখি যুক্তরাষ্ট্র-ফ্রান্স, তীব্র বাকযুদ্ধ

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১০:১৫:০৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬
  • ৭৮ বার পড়া হয়েছে

এবার জাতিসংঘে হঠাৎ করেই কূটনৈতিক উত্তেজনায় জড়িয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ফ্রান্স। সংস্থাটির মানবাধিকারবিষয়ক সর্বোচ্চ কর্মকর্তার পুনর্নিয়োগের ভোটাভুটিকে কেন্দ্র করে মুখোমুখি অবস্থানে যায় দেশ দুটি। জাতিসংঘের ওই ভোটের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দুই দেশের কর্মকর্তারা একে অপরের বিরুদ্ধে তীব্র সমালোচনা ও কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন। বার্তাসংস্থা আনাদোলু বলছে, জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক শীর্ষ পদে ভোটকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র ও ফ্রান্সের মধ্যে কূটনৈতিক বিরোধ প্রকাশ্যে রূপ নিয়েছে। জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ ভলকার তুর্ককে দ্বিতীয় মেয়াদে জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার হিসেবে অনুমোদন দেয়ার পর এই বিতর্কের শুরু হয়।

এ ভোটে ১৪৪টি দেশ তার পক্ষে ভোট দেয় এবং ১৩টি দেশ ভোটদানে বিরত থাকে। ১০টি দেশ বিরুদ্ধে ভোট দেয়। তবে ওই ১০টি বিরোধী দেশের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ছিল। একইসঙ্গে এ তালিকায় ইসরায়েল, রাশিয়া ও আর্জেন্টিনাও রয়েছে। এর মধ্যেই জাতিসংঘে যুক্তরাষ্ট্রের মিশন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে একটি ভিডিও প্রকাশ করে। সেখানে মার্কিন রাষ্ট্রদূত জেফ বার্টোস দাবি করেন, জাতিসংঘের মানবাধিকার ব্যবস্থাদশকের পর দশক ধরে বিশ্বাসযোগ্যতা হারাচ্ছেএবং ভলকার তুর্ক এটিকেমৃত্যুশয্যায়নিয়ে গেছেন।

এর জবাবে জেনেভায় জাতিসংঘে ফ্রান্সের স্থায়ী মিশন এক্সে যুক্তরাষ্ট্রের ওই বক্তব্য শেয়ার করে ওয়াশিংটনের নৈতিক অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন তোলে। ফরাসি মিশন লিখেছে, ‘একসময় মানবাধিকারের আলোকবর্তিকা ছিল যুক্তরাষ্ট্র। এখন আর নয়।তারা আরও দাবি করে, যুক্তরাষ্ট্র এখন উত্তর কোরিয়া ও রাশিয়ার মতো দেশের পাশে দাঁড়িয়েছে। ফরাসি মিশন আরও লিখেছে, ‘এখন বিশ্ব আর যুক্তরাষ্ট্রের কথা শোনে না।এর জবাবে জাতিসংঘে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি মাইক ওয়াল্টজ ফ্রান্সের মন্তব্যকেলজ্জাজনকবলে আখ্যা দেন।

তিনি অভিযোগ করেন, সবচেয়ে ভয়াবহ মানবাধিকার লঙ্ঘনকারীদের প্রতি ফ্রান্স নমনীয় আচরণ করছে এবং একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও ইসরায়েলের মতোস্বাধীন ও সার্বভৌম গণতান্ত্রিক দেশগুলোকেউপদেশ দিচ্ছে। মার্কিন কংগ্রেস সদস্য র‌্যান্ডি ফাইন ফ্রান্সের সামরিক ইতিহাস নিয়ে কটাক্ষ করে বলেন, ‘আপনাদের কি আবার কারও কাছে আত্মসমর্পণ করার আছে?’ ১৯৪০ সালে নাৎসি জার্মানির কাছে ফ্রান্সের আত্মসমর্পণের প্রসঙ্গ টেনে তিনি এই মন্তব্য করেন।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

ভারতীয় ত্রাণ সীমান্তেই ফিরিয়ে দিচ্ছে নেপাল

জাতিসংঘে হঠাৎ মুখোমুখি যুক্তরাষ্ট্র-ফ্রান্স, তীব্র বাকযুদ্ধ

আপডেট সময় ১০:১৫:০৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬

এবার জাতিসংঘে হঠাৎ করেই কূটনৈতিক উত্তেজনায় জড়িয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ফ্রান্স। সংস্থাটির মানবাধিকারবিষয়ক সর্বোচ্চ কর্মকর্তার পুনর্নিয়োগের ভোটাভুটিকে কেন্দ্র করে মুখোমুখি অবস্থানে যায় দেশ দুটি। জাতিসংঘের ওই ভোটের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দুই দেশের কর্মকর্তারা একে অপরের বিরুদ্ধে তীব্র সমালোচনা ও কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন। বার্তাসংস্থা আনাদোলু বলছে, জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক শীর্ষ পদে ভোটকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র ও ফ্রান্সের মধ্যে কূটনৈতিক বিরোধ প্রকাশ্যে রূপ নিয়েছে। জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ ভলকার তুর্ককে দ্বিতীয় মেয়াদে জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার হিসেবে অনুমোদন দেয়ার পর এই বিতর্কের শুরু হয়।

এ ভোটে ১৪৪টি দেশ তার পক্ষে ভোট দেয় এবং ১৩টি দেশ ভোটদানে বিরত থাকে। ১০টি দেশ বিরুদ্ধে ভোট দেয়। তবে ওই ১০টি বিরোধী দেশের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ছিল। একইসঙ্গে এ তালিকায় ইসরায়েল, রাশিয়া ও আর্জেন্টিনাও রয়েছে। এর মধ্যেই জাতিসংঘে যুক্তরাষ্ট্রের মিশন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে একটি ভিডিও প্রকাশ করে। সেখানে মার্কিন রাষ্ট্রদূত জেফ বার্টোস দাবি করেন, জাতিসংঘের মানবাধিকার ব্যবস্থাদশকের পর দশক ধরে বিশ্বাসযোগ্যতা হারাচ্ছেএবং ভলকার তুর্ক এটিকেমৃত্যুশয্যায়নিয়ে গেছেন।

এর জবাবে জেনেভায় জাতিসংঘে ফ্রান্সের স্থায়ী মিশন এক্সে যুক্তরাষ্ট্রের ওই বক্তব্য শেয়ার করে ওয়াশিংটনের নৈতিক অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন তোলে। ফরাসি মিশন লিখেছে, ‘একসময় মানবাধিকারের আলোকবর্তিকা ছিল যুক্তরাষ্ট্র। এখন আর নয়।তারা আরও দাবি করে, যুক্তরাষ্ট্র এখন উত্তর কোরিয়া ও রাশিয়ার মতো দেশের পাশে দাঁড়িয়েছে। ফরাসি মিশন আরও লিখেছে, ‘এখন বিশ্ব আর যুক্তরাষ্ট্রের কথা শোনে না।এর জবাবে জাতিসংঘে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি মাইক ওয়াল্টজ ফ্রান্সের মন্তব্যকেলজ্জাজনকবলে আখ্যা দেন।

তিনি অভিযোগ করেন, সবচেয়ে ভয়াবহ মানবাধিকার লঙ্ঘনকারীদের প্রতি ফ্রান্স নমনীয় আচরণ করছে এবং একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও ইসরায়েলের মতোস্বাধীন ও সার্বভৌম গণতান্ত্রিক দেশগুলোকেউপদেশ দিচ্ছে। মার্কিন কংগ্রেস সদস্য র‌্যান্ডি ফাইন ফ্রান্সের সামরিক ইতিহাস নিয়ে কটাক্ষ করে বলেন, ‘আপনাদের কি আবার কারও কাছে আত্মসমর্পণ করার আছে?’ ১৯৪০ সালে নাৎসি জার্মানির কাছে ফ্রান্সের আত্মসমর্পণের প্রসঙ্গ টেনে তিনি এই মন্তব্য করেন।