এবার নেপালে পাহাড়ি ঢলে আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে প্রাণহানি দেড়শো ছাড়িয়েছে। ভেসে গেছে হাজারো মানুষ। নিখোঁজদের উদ্ধারে চলছে তল্লাশি অভিযান। স্থানীয় সময় বুধবার (২৬ আগস্ট) সকালে নেপালের উত্তরাঞ্চলীয় ভোটে কোশি নদীতে ব্যাপক ঢল নামে।
বানের পনিতে ভেসে যায় তিব্বত সীমান্তবর্তী রসুয়া জেলার ঘরবাড়ি, যানবাহন, সেতুসহ বিভিন্ন অবকাঠামো। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত টিমুরে ও স্যাব্রুবেশি এলাকা। তাৎক্ষনিক উদ্ধার অভিযানে মোতায়েন করা হয় ১২টি হেলিকপ্টার। টিমুরে এলাকায় আটকে পড়াদের উদ্ধারে হেলিকপ্টার পাঠানো হলেও হেলিপ্যাড ভেসে যাওয়ায় তা নামতে পারেনি।
পাঁচ শতাধিক নিখোঁজ পর্যটকের মধ্যে ১০৯ জন ভারতের। রয়েছেন যুক্তরাজ্য, দক্ষিণ আফ্রিকা, অস্ট্রেলিয়া, নেদারল্যান্ডসের নাগরিকও। নেপালের বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বন্যায় রাসুয়াগঢ়ি, চিলিমে, ত্রিশূলি–তিনের জলবিদ্যুৎ প্রকল্প ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
২২০ কিলো ভোল্ট বিদ্যুৎ উপকেন্দ্র এবং একাধিক সঞ্চালন ও বন্টন অবকাঠামো ক্ষতির মুখে পড়েছে। স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, ত্রিশূলি নদী তীরবর্তী এলাকায় পানির স্তরের উচ্চতা বাড়তে পারে। নুয়াকোট ও ধাদিং জেলার বিভিন্ন এলাকাতেও সতর্কতা জারি করা হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোকে আগামী তিনমাসের জন্য দুর্গত অঞ্চল ঘোষণা করেছেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহ।

ডেস্ক রিপোর্ট 
























