ঢাকা , মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
পুলিশি অভিযান বন্ধ না হলে আবার আন্দোলনের হুঁশিয়ারি ককরোচদের হাসনাত-সারজিস গণঅভ্যুত্থানের সঙ্গে বেঈমানি করার কারণে ছাত্র উপদেষ্টা হতে পারেননি: রাশেদ খাঁন ইরানের অনুরোধেই যুদ্ধ বন্ধ, সমঝোতা না হলে আবারও হামলা: ট্রাম্প ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্পের ২৯ দিন পর ধ্বংসস্তূপ থেকে জীবিত কুকুর উদ্ধার আমি কাকে কী বিক্রি করব, সেটা কেউ ঠিক করে দেয় না: তুরস্ককে যুদ্ধবিমান বিক্রিতে নেতানিয়াহুর আপত্তি নিয়ে ট্রাম্প মধ্যরাতে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে মোদি সরকারের বৈঠক পরিত্যক্ত বাড়িতে জবাই করা হতো ঘোড়া, মাংস যেত রাজধানীর রেস্তোরাঁয় ২০২৪ সালের আজকের দিনে ৬ সমন্বয়ককে দিয়ে আন্দোলন প্রত্যাহারের ঘোষণা দেওয়ায় ডিবি ‘পালিয়ে যাব না বলে যে পালিয়ে যায়, সে আসি আসি বলে কখনও আসবে না’ বিয়ে না হওয়ায় ৬ মাসে প্রাণ দিলেন ২৯ যুবক

বিয়ে না হওয়ায় ৬ মাসে প্রাণ দিলেন ২৯ যুবক

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১০:৩৫:৫৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬
  • ১৩ বার পড়া হয়েছে

ভারতের মহারাষ্ট্রের জলগাঁও জেলায় চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে আত্মহত্যার পরিসংখ্যানে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক এক চিত্র। পুলিশ প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে দেখা গেছে, এ সময়ে জেলায় মোট ৪৩১ জন আত্মহত্যা করেছেন। এর মধ্যে ২৯ জন পুরুষের ক্ষেত্রে বিয়ে না হওয়া বা বিয়ের আলোচনা ভেঙে যাওয়াকে আত্মহত্যার সম্ভাব্য একটি কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ১ জানুয়ারি থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত আত্মহত্যাকারীদের মধ্যে ৩৮৩ জন পুরুষ, ২৯ জন নারী, ৮ জন কিশোর এবং ১১ জন কিশোরী। এতে দেখা যায়, পুরুষদের আত্মহত্যার সংখ্যা নারীদের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি।

পুলিশের তথ্যে বলা হয়েছে, আর্থিক সংকট, পারিবারিক কলহ, মানসিক অবসাদ, মাদক বা মদ্যপানের আসক্তি, ঋণের চাপ এবং দীর্ঘদিনের অসুস্থতাসহ বিভিন্ন কারণ আত্মহত্যার পেছনে ভূমিকা রেখেছে। পাশাপাশি ২৯ জন পুরুষের ক্ষেত্রে বিয়ে না হওয়া বা বিয়ের প্রক্রিয়া ভেঙে যাওয়ার বিষয়টিও একটি সম্ভাব্য কারণ হিসেবে উঠে এসেছে।

বিশ্লেষকদের মতে, জলগাঁও জেলায় নারী-পুরুষের অনুপাত তুলনামূলকভাবে অসম। প্রতি এক হাজার পুরুষের বিপরীতে সেখানে প্রায় ৯২৫ জন নারী রয়েছেন, আর শহরাঞ্চলে এই সংখ্যা আরও কম। ফলে উপযুক্ত জীবনসঙ্গী খুঁজে পেতে দীর্ঘ সময় লাগা, সামাজিক চাপ এবং ব্যক্তিগত হতাশা অনেকের মানসিক স্বাস্থ্যে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

তবে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেছেন, আত্মহত্যার পেছনে সাধারণত একাধিক সামাজিক, অর্থনৈতিক ও মানসিক কারণ একসঙ্গে কাজ করে। তাই কোনো একটি কারণকে এককভাবে দায়ী না করে মানসিক স্বাস্থ্যসেবা সহজলভ্য করা, সামাজিক সহায়তা জোরদার করা এবং সংকটে থাকা মানুষের পাশে দাঁড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

পুলিশি অভিযান বন্ধ না হলে আবার আন্দোলনের হুঁশিয়ারি ককরোচদের

বিয়ে না হওয়ায় ৬ মাসে প্রাণ দিলেন ২৯ যুবক

আপডেট সময় ১০:৩৫:৫৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬

ভারতের মহারাষ্ট্রের জলগাঁও জেলায় চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে আত্মহত্যার পরিসংখ্যানে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক এক চিত্র। পুলিশ প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে দেখা গেছে, এ সময়ে জেলায় মোট ৪৩১ জন আত্মহত্যা করেছেন। এর মধ্যে ২৯ জন পুরুষের ক্ষেত্রে বিয়ে না হওয়া বা বিয়ের আলোচনা ভেঙে যাওয়াকে আত্মহত্যার সম্ভাব্য একটি কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ১ জানুয়ারি থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত আত্মহত্যাকারীদের মধ্যে ৩৮৩ জন পুরুষ, ২৯ জন নারী, ৮ জন কিশোর এবং ১১ জন কিশোরী। এতে দেখা যায়, পুরুষদের আত্মহত্যার সংখ্যা নারীদের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি।

পুলিশের তথ্যে বলা হয়েছে, আর্থিক সংকট, পারিবারিক কলহ, মানসিক অবসাদ, মাদক বা মদ্যপানের আসক্তি, ঋণের চাপ এবং দীর্ঘদিনের অসুস্থতাসহ বিভিন্ন কারণ আত্মহত্যার পেছনে ভূমিকা রেখেছে। পাশাপাশি ২৯ জন পুরুষের ক্ষেত্রে বিয়ে না হওয়া বা বিয়ের প্রক্রিয়া ভেঙে যাওয়ার বিষয়টিও একটি সম্ভাব্য কারণ হিসেবে উঠে এসেছে।

বিশ্লেষকদের মতে, জলগাঁও জেলায় নারী-পুরুষের অনুপাত তুলনামূলকভাবে অসম। প্রতি এক হাজার পুরুষের বিপরীতে সেখানে প্রায় ৯২৫ জন নারী রয়েছেন, আর শহরাঞ্চলে এই সংখ্যা আরও কম। ফলে উপযুক্ত জীবনসঙ্গী খুঁজে পেতে দীর্ঘ সময় লাগা, সামাজিক চাপ এবং ব্যক্তিগত হতাশা অনেকের মানসিক স্বাস্থ্যে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

তবে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেছেন, আত্মহত্যার পেছনে সাধারণত একাধিক সামাজিক, অর্থনৈতিক ও মানসিক কারণ একসঙ্গে কাজ করে। তাই কোনো একটি কারণকে এককভাবে দায়ী না করে মানসিক স্বাস্থ্যসেবা সহজলভ্য করা, সামাজিক সহায়তা জোরদার করা এবং সংকটে থাকা মানুষের পাশে দাঁড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।