১. Gaza রিজিয়নে গত ১০ অক্টোবরের যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলেও Israel এখনও ওই অঞ্চলে হামলা চালিয়ে যাচ্ছে — উল্লেখ করা হয়েছে যে গাজায় ফিলিস্তিনিদের ওপর চাপ কিছুটা কমলেও হামলা পুরোপুরি বন্ধ হয়নি।
২. পশ্চিম তীর অঞ্চলে — বিশেষ করে গাজা যুদ্ধের ঠিক পরবর্তী সময়ে — এদেশে ইসরায়েলের সেনা ও বসতি স্থাপনকারীর সঙ্গে সংঘর্ষ ও দমন অভিযান তীব্র হয়েছে। পশ্চিম তীরে এক হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে।
- সিরিয়া সীমান্তের দক্ষিণ অংশে — বিশেষ করে Quneitra প্রদেশে — গত সপ্তাহগুলোতে ইসরায়েলের নিয়ন্ত্রিত আক্রমণ ও অনুপ্রবেশের খবর পাওয়া গেছে।
- লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলেও ইসরায়েলি হামলা বিরতিহীন। শান্তিচুক্তি হয়েছে বললেও হামলার ধরণ ও বিরতি ঘাঁটিমধ্যে সংহত নয়। উদাহরণস্বরূপ, লেবাননের বেক্কা উপত্যকা ও নাকুরা এলাকায় নিহতের খবর পাওয়া গেছে।
- এইসব আঞ্চলিক অভিযানে যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকা সাধারণভাবে সীমাবদ্ধ — গাজার দিকে মনোযোগ আছে, কিন্তু পশ্চিম তীর, সিরিয়া ও লেবাননের সামরিক অভিযানের বিষয়ে চাপ প্রয়োগের বিষয় ঘনুইয়া নয় বলে বিশ্লেষকরা দেখছেন।
মূল্যায়ন ও প্রেক্ষাপট
- যুদ্ধবিরতির পরে গাজায় হামলার কিছুটা কম হলেও অন্যান্য ফ্রন্টে ইসরায়েলের অভিযান অব্যাহত থাকায় পুরো মধ্যপ্রাচ্যে অ־স্থিতিশীলতা বাড়ছে।
- বিশেষ করে পশ্চিম তীরকে দখল করার ইসরায়েলের আগ্রহ ও সেই সঙ্গে দক্ষিণ সীমান্ত সহ সীমান্তবর্তী এলাকায় অনুপ্রবেশ ও চেকপোস্ট স্থাপনের তথ্য সামনে এসেছে।
- লেবানন ও সিরিয়ায় হামলা ও সীমান্ত লঙ্ঘনের তথ্য রয়েছে — যা আন্তর্জাতিক আইন, সীমানা ও রাষ্ট্রীয় সার্বভৌমত্বের দৃষ্টিকোণ থেকে উদ্বেগের বিষয়।
উপসংহার
এই প্রতিবেদনের আলোকে বলা যায় যে গাজায় যুদ্ধবিরতি সত্ত্বেও মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য এলাকায় পরিস্থিতি শিথিল হয়নি, বরং একাধিক ফ্রন্টে উত্তেজনা ও সামরিক অভিযানের মাত্রা বজায় রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে মনোযোগ একাধিক চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে — বিশেষ করে পশ্চিম তীর, সিরিয়া ও লেবাননের জন্য।

