ঢাকা , সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
হরমুজ প্রণালি নিয়ে ইরান ও ওমানের মধ্যে নতুন সমঝোতা আমি কাউকে ধর্ষণ করিনি: এপস্টাইন ইস্যুতে ট্রাম্প মিথ্যা মামলার সংস্কৃতি থেকে বের হয়ে আসার আহ্বান আইনমন্ত্রীর অখণ্ড ভারতের অবিসংবাদিত নেতা ছিলেন শেরেবাংলা: প্রধানমন্ত্রী পবিত্র হজ পালন করতে গিয়ে ৪ বাংলাদেশির মৃত্যু হরমুজ প্রণালী খুললেও পারমাণবিক কর্মসূচি বন্ধ করবে না ইরান দেশ ছেড়ে পালানোর চেষ্টা তনু হত্যাকাণ্ডের রিপোর্ট দেওয়া চিকিৎসকের কালবৈশাখী ঝড়ে বসতবাড়ির ওপর গাছ পড়ে ঘুমন্ত মা-মেয়েসহ নিহত ৩ কালবৈশাখী ঝড়ে দোকানে উপড়ে পড়ল বিশাল গাছ, প্রাণ গেল ঘুমন্ত ব্যবসায়ীর সন্ধ্যার মধ্যে দেশের ৫ অঞ্চলে ৮০ কিমি বেগে ঝড়-বৃষ্টির আভাস

জাপানে ১ লাখ দক্ষ কর্মী পাঠাতে চায় সরকার: বাজেট ও রেল খাতে সহায়তা প্রত্যাশা

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৫:২৬:০৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ মে ২০২৫
  • ৩৫৭ বার পড়া হয়েছে

জাপানে ১ লাখ দক্ষ কর্মী পাঠানোর পরিকল্পনা নিয়েছে বাংলাদেশ সরকার। এই উদ্যোগকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছেন প্রধান উপদেষ্টা। বুধবার প্রেস সচিব শফিকুল আলম গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, সরকারের লক্ষ্য জাপানে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ও ভাষাজ্ঞানসম্পন্ন দক্ষ জনশক্তি পাঠানো, যা দেশের বৈদেশিক আয় বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

প্রেস সচিব আরও জানান, বাংলাদেশ সরকার জাপানের কাছ থেকে ৫০ কোটি মার্কিন ডলার বাজেট সহায়তা এবং ২৫ কোটি ডলার রেল খাতে অতিরিক্ত সহায়তা প্রত্যাশা করছে। এই অর্থ সহায়তা দেশের চলমান বৈদেশিক মুদ্রার সংকট মোকাবিলায় সহায়ক হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

শফিকুল আলম বলেন,

“প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ এবং বিশেষ করে জাপানি ভাষা শিক্ষা নিশ্চিত করে দক্ষ কর্মীদের দ্রুত পাঠাতে চায় সরকার। এটি প্রধান উপদেষ্টার অগ্রাধিকারভুক্ত বিষয়।”

তিনি আরও বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে জাপান বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় উন্নয়ন অংশীদার হিসেবে ভূমিকা পালন করছে। বিদায়ী ২০২৩-২৪ অর্থবছরের প্রথম ১০ মাসে (জুলাই থেকে এপ্রিল পর্যন্ত) বাংলাদেশে সর্বাধিক বৈদেশিক সহায়তা দিয়েছে জাপান, যার পরিমাণ ছিল ১.৬৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি) এর তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ অর্থবছরে বাংলাদেশ জাপান থেকে সর্বোচ্চ ১.৯৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ঋণ ও অনুদান পেয়েছে, যা দ্বিপাক্ষিক দাতাদের মধ্যে রেকর্ড সহায়তা।

এই সহায়তার প্রেক্ষিতে বাংলাদেশ সরকারের অন্যতম কৌশলগত লক্ষ্য হচ্ছে দেশের বিপুল তরুণ জনশক্তিকে আন্তর্জাতিক মানে প্রশিক্ষিত করে বৈদেশিক কর্মসংস্থানে নিয়োজিত করা। এতে বৈদেশিক আয় বাড়বে, কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে এবং দেশে অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা রক্ষা সম্ভব হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

জাপানে দক্ষ কর্মী প্রেরণ, বাজেট সহায়তা এবং অবকাঠামো খাতে বিনিয়োগ—এই তিনটি দিক বাংলাদেশের পরবর্তী উন্নয়ন পরিকল্পনায় বিশেষভাবে গুরুত্ব পাচ্ছে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

হরমুজ প্রণালি নিয়ে ইরান ও ওমানের মধ্যে নতুন সমঝোতা

জাপানে ১ লাখ দক্ষ কর্মী পাঠাতে চায় সরকার: বাজেট ও রেল খাতে সহায়তা প্রত্যাশা

আপডেট সময় ০৫:২৬:০৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ মে ২০২৫

জাপানে ১ লাখ দক্ষ কর্মী পাঠানোর পরিকল্পনা নিয়েছে বাংলাদেশ সরকার। এই উদ্যোগকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছেন প্রধান উপদেষ্টা। বুধবার প্রেস সচিব শফিকুল আলম গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, সরকারের লক্ষ্য জাপানে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ও ভাষাজ্ঞানসম্পন্ন দক্ষ জনশক্তি পাঠানো, যা দেশের বৈদেশিক আয় বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

প্রেস সচিব আরও জানান, বাংলাদেশ সরকার জাপানের কাছ থেকে ৫০ কোটি মার্কিন ডলার বাজেট সহায়তা এবং ২৫ কোটি ডলার রেল খাতে অতিরিক্ত সহায়তা প্রত্যাশা করছে। এই অর্থ সহায়তা দেশের চলমান বৈদেশিক মুদ্রার সংকট মোকাবিলায় সহায়ক হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

শফিকুল আলম বলেন,

“প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ এবং বিশেষ করে জাপানি ভাষা শিক্ষা নিশ্চিত করে দক্ষ কর্মীদের দ্রুত পাঠাতে চায় সরকার। এটি প্রধান উপদেষ্টার অগ্রাধিকারভুক্ত বিষয়।”

তিনি আরও বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে জাপান বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় উন্নয়ন অংশীদার হিসেবে ভূমিকা পালন করছে। বিদায়ী ২০২৩-২৪ অর্থবছরের প্রথম ১০ মাসে (জুলাই থেকে এপ্রিল পর্যন্ত) বাংলাদেশে সর্বাধিক বৈদেশিক সহায়তা দিয়েছে জাপান, যার পরিমাণ ছিল ১.৬৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি) এর তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ অর্থবছরে বাংলাদেশ জাপান থেকে সর্বোচ্চ ১.৯৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ঋণ ও অনুদান পেয়েছে, যা দ্বিপাক্ষিক দাতাদের মধ্যে রেকর্ড সহায়তা।

এই সহায়তার প্রেক্ষিতে বাংলাদেশ সরকারের অন্যতম কৌশলগত লক্ষ্য হচ্ছে দেশের বিপুল তরুণ জনশক্তিকে আন্তর্জাতিক মানে প্রশিক্ষিত করে বৈদেশিক কর্মসংস্থানে নিয়োজিত করা। এতে বৈদেশিক আয় বাড়বে, কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে এবং দেশে অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা রক্ষা সম্ভব হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

জাপানে দক্ষ কর্মী প্রেরণ, বাজেট সহায়তা এবং অবকাঠামো খাতে বিনিয়োগ—এই তিনটি দিক বাংলাদেশের পরবর্তী উন্নয়ন পরিকল্পনায় বিশেষভাবে গুরুত্ব পাচ্ছে।