ঢাকা , শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬, ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
আর্জেন্টিনার জার্সি পরে এলে ফি অর্ধেক নেওয়ার ঘোষণা দিলেন চিকিৎসক তিন দিনের সফরে ঢাকায় তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সরকার পতনের পর আ. লীগ নেতাদের সঙ্গে কয়েক ধাপে মিটিং হান্নান মাসউদের সিআইডি প্রধানের দায়িত্ব পাওয়ার তিন দিনের মাথায় অবসরের আবেদন কারাগারে গান-কবিতার আড্ডা, আইভীর কবিতায় সুর দেন মমতাজ আম কুড়াতে গিয়ে বজ্রাঘাতে নিহত ৬, শোকের ছায়া চাঁপাইনবাবগঞ্জে ‘জনগণ ভাবছে সরকার ভোট নয়, ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে নির্বাচিত’ যুদ্ধবিরতি পরিকল্পনা প্রত্যাখ্যান হিজবুল্লাহর, হামলা অব্যাহত ইসরায়েলের ওসমান হাদি হত্যার বিচার দাবিতে শাহবাগে ইনকিলাব মঞ্চের মশাল মিছিল নিখোঁজের ৬ দিন পর এভারেস্টে জীবিত উদ্ধার নেপালি শেরপা

বিসিবিতে কাজ করতে আগ্রহী ওয়াসিম আকরাম

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৪:৫০:৪৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ৬৭৩ বার পড়া হয়েছে

চন্ডিকা হাথুরুসিংহে, জেমি সিডন্স, ফিল সিমন্স, মুশতাক আহমেদ, রাসেল ডমিঙ্গো, শন টেইট—বাংলাদেশ ক্রিকেটে বিদেশি কোচদের তালিকাটা অনেক বড়ই বটে। কিন্তু এই তালিকায় নেই ওয়াসিম আকরাম। এবার পাকিস্তানি এই কিংবদন্তি বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সঙ্গে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।

গত ২০০৩ সালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ছেড়ে যাওয়া ওয়াসিম আকরাম এখন ধারাভাষ্যকার হিসেবে নিয়মিত কাজ করছেন। আইসিসি ইভেন্ট, এশিয়া কাপে শোনা যায় তাঁর কণ্ঠ। চুলচেঁড়া ক্রিকেট বিশ্লেষণ করতে তাঁর জুড়ি মেলা ভার। বিভিন্ন টিভি অনুষ্ঠানেও কাজ করেন পাকিস্তানি বোলিং কিংবদন্তি। দুবাইয়ের তাজ হোটেলে গতকাল দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে এসেছে বাংলাদেশের প্রসঙ্গ।

তবে বিসিবিতে কাজ করার প্রসঙ্গ যখন এসেছে, তখন জানিয়েছেন তাঁর দীর্ঘমেয়াদে কাজ করার অনিশ্চয়তার প্রসঙ্গ। কারণ ক্রিকেট ছাড়লেও ফ্রী সময় কাটানোর সুযোগ যে তাঁর কম। ওয়াসিম আকরাম বলেন,‘আমি কিছু দিনের জন্য কাজ করতে পারি। কিন্তু দীর্ঘ মেয়াদে কাজ করব কি না সেটা এখন বলা কঠিন। বাংলাদেশ দলে মুশতাক আহমেদের (স্পিন পরামর্শক) মতো একজন খুব ভালো কোচ আছেন। ফিল সিমন্স, শন টেইট আছেন। তাঁরা ভালো কাজ করছেন।’

আকরাম বলেন, ‘আমি গত ১০-১২ বছর বাংলাদেশে যাইনি। তবে আগামী জানুয়ারিতে যাওয়ার পরিকল্পনা আছে। আমার বন্ধুদের সঙ্গে দেখা করতে যাব। বাংলাদেশ ভ্রমণের জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি। চট্টগ্রাম, ঢাকা, সিলেট, বগুড়া; প্রতিটি শহরের কথা আমার মনে আছে। সেখানকার মানুষ এখনো আমাকে ভালোবাসে। বাংলাদেশের মানুষের প্রতি সব সময় আমার ভালোবাসা। আমি শুধু বাংলায় একটা কথাই বলতে পারি। অমিতাভ বচ্চনের সংলাপ থেকে বলতে পারি আমি তোমাকে ভালোবাসি।’

শ্রীলঙ্কা, পাকিস্তান, নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে টানা তিনটি টি-টোয়েন্টি সিরিজ জিতে বাংলাদেশ এবার খেলতে গিয়েছিল এশিয়া কাপ। সংযুক্ত আরব আমিরাতে সদ্য শেষ হওয়া মহাদেশীয় শ্রেষ্ঠত্বের টুর্নামেন্টে ফাইনাল খেলার সুযোগও তৈরি হয়েছিল। তবে ২৫ সেপ্টেম্বর অলিখিত সেমিফাইনালে ১৩৬ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে বাংলাদেশ হেরেছিল ১১ রানে। এর আগে ২০২৩ ওয়ানডে বিশ্বকাপ, ২০২৪ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ, ২০২৫ চ্যাম্পিয়নস ট্রফি—আইসিসির এই তিন ইভেন্টেও ভরাডুবি হয়েছিল বাংলাদেশের।

মেজর টুর্নামেন্টে খেলতে গেলে বাংলাদেশের কেন এমন অবস্থা হয়—এই প্রশ্নের উত্তরে ওয়াসিম আকরাম জানিয়েছেন, এখানে দায়টা পুরোপুরি ক্রিকেটারদের। আজকের পত্রিকাকে পাকিস্তানি কিংবদন্তি বলেন, ‘এখানে ক্রিকেট বোর্ডের করার কিছু নেই। বাংলাদেশের মানুষেরও এখানে কিছু করার নেই। এটা করতে হবে ক্রিকেটারদের। তাদের নিজেদের ওপর বিশ্বাস রাখতে হবে। ম্যাচের পরিস্থিতি অনুযায়ী সচেতন থাকতে হবে। সেটা তো কোচ আপনাকে শেখাতে পারবে না। আপনার নিজেকেই শিখতে হবে। এই অবস্থায় আমি এভাবে ব্যাটিং করব। এই অবস্থায় আমাকে এভাবে বোলিং করতে হবে। তবে বাংলাদেশ ক্রিকেট থেকে একটা ইতিবাচক ব্যাপার খুঁজে পাওয়া গেছে এবং সেটা হলো তাদের অসাধারণ ফিল্ডিং। দুই-তিনটা ক্যাচ মিস বাদ দিলে সব ঠিক আছে। এমনটা হতেই পারে। নিজেদের ওপর বিশ্বাস রাখতে হবে।’

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

আর্জেন্টিনার জার্সি পরে এলে ফি অর্ধেক নেওয়ার ঘোষণা দিলেন চিকিৎসক

বিসিবিতে কাজ করতে আগ্রহী ওয়াসিম আকরাম

আপডেট সময় ০৪:৫০:৪৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫

চন্ডিকা হাথুরুসিংহে, জেমি সিডন্স, ফিল সিমন্স, মুশতাক আহমেদ, রাসেল ডমিঙ্গো, শন টেইট—বাংলাদেশ ক্রিকেটে বিদেশি কোচদের তালিকাটা অনেক বড়ই বটে। কিন্তু এই তালিকায় নেই ওয়াসিম আকরাম। এবার পাকিস্তানি এই কিংবদন্তি বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সঙ্গে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।

গত ২০০৩ সালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ছেড়ে যাওয়া ওয়াসিম আকরাম এখন ধারাভাষ্যকার হিসেবে নিয়মিত কাজ করছেন। আইসিসি ইভেন্ট, এশিয়া কাপে শোনা যায় তাঁর কণ্ঠ। চুলচেঁড়া ক্রিকেট বিশ্লেষণ করতে তাঁর জুড়ি মেলা ভার। বিভিন্ন টিভি অনুষ্ঠানেও কাজ করেন পাকিস্তানি বোলিং কিংবদন্তি। দুবাইয়ের তাজ হোটেলে গতকাল দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে এসেছে বাংলাদেশের প্রসঙ্গ।

তবে বিসিবিতে কাজ করার প্রসঙ্গ যখন এসেছে, তখন জানিয়েছেন তাঁর দীর্ঘমেয়াদে কাজ করার অনিশ্চয়তার প্রসঙ্গ। কারণ ক্রিকেট ছাড়লেও ফ্রী সময় কাটানোর সুযোগ যে তাঁর কম। ওয়াসিম আকরাম বলেন,‘আমি কিছু দিনের জন্য কাজ করতে পারি। কিন্তু দীর্ঘ মেয়াদে কাজ করব কি না সেটা এখন বলা কঠিন। বাংলাদেশ দলে মুশতাক আহমেদের (স্পিন পরামর্শক) মতো একজন খুব ভালো কোচ আছেন। ফিল সিমন্স, শন টেইট আছেন। তাঁরা ভালো কাজ করছেন।’

আকরাম বলেন, ‘আমি গত ১০-১২ বছর বাংলাদেশে যাইনি। তবে আগামী জানুয়ারিতে যাওয়ার পরিকল্পনা আছে। আমার বন্ধুদের সঙ্গে দেখা করতে যাব। বাংলাদেশ ভ্রমণের জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি। চট্টগ্রাম, ঢাকা, সিলেট, বগুড়া; প্রতিটি শহরের কথা আমার মনে আছে। সেখানকার মানুষ এখনো আমাকে ভালোবাসে। বাংলাদেশের মানুষের প্রতি সব সময় আমার ভালোবাসা। আমি শুধু বাংলায় একটা কথাই বলতে পারি। অমিতাভ বচ্চনের সংলাপ থেকে বলতে পারি আমি তোমাকে ভালোবাসি।’

শ্রীলঙ্কা, পাকিস্তান, নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে টানা তিনটি টি-টোয়েন্টি সিরিজ জিতে বাংলাদেশ এবার খেলতে গিয়েছিল এশিয়া কাপ। সংযুক্ত আরব আমিরাতে সদ্য শেষ হওয়া মহাদেশীয় শ্রেষ্ঠত্বের টুর্নামেন্টে ফাইনাল খেলার সুযোগও তৈরি হয়েছিল। তবে ২৫ সেপ্টেম্বর অলিখিত সেমিফাইনালে ১৩৬ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে বাংলাদেশ হেরেছিল ১১ রানে। এর আগে ২০২৩ ওয়ানডে বিশ্বকাপ, ২০২৪ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ, ২০২৫ চ্যাম্পিয়নস ট্রফি—আইসিসির এই তিন ইভেন্টেও ভরাডুবি হয়েছিল বাংলাদেশের।

মেজর টুর্নামেন্টে খেলতে গেলে বাংলাদেশের কেন এমন অবস্থা হয়—এই প্রশ্নের উত্তরে ওয়াসিম আকরাম জানিয়েছেন, এখানে দায়টা পুরোপুরি ক্রিকেটারদের। আজকের পত্রিকাকে পাকিস্তানি কিংবদন্তি বলেন, ‘এখানে ক্রিকেট বোর্ডের করার কিছু নেই। বাংলাদেশের মানুষেরও এখানে কিছু করার নেই। এটা করতে হবে ক্রিকেটারদের। তাদের নিজেদের ওপর বিশ্বাস রাখতে হবে। ম্যাচের পরিস্থিতি অনুযায়ী সচেতন থাকতে হবে। সেটা তো কোচ আপনাকে শেখাতে পারবে না। আপনার নিজেকেই শিখতে হবে। এই অবস্থায় আমি এভাবে ব্যাটিং করব। এই অবস্থায় আমাকে এভাবে বোলিং করতে হবে। তবে বাংলাদেশ ক্রিকেট থেকে একটা ইতিবাচক ব্যাপার খুঁজে পাওয়া গেছে এবং সেটা হলো তাদের অসাধারণ ফিল্ডিং। দুই-তিনটা ক্যাচ মিস বাদ দিলে সব ঠিক আছে। এমনটা হতেই পারে। নিজেদের ওপর বিশ্বাস রাখতে হবে।’