মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের পর দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি কে হচ্ছেন—এ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে শুরু হয়েছে নানা আলোচনা। সম্ভাব্য প্রার্থী নিয়ে একাধিক নাম সামনে এলেও শেষ মুহূর্তে বদলে যেতে পারে পুরো সমীকরণ।
বিএনপি সূত্র বলছে, এবার রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ক্ষেত্রে তাড়াহুড়ো করতে চায় না দলটি। অতীতের অভিজ্ঞতা বিবেচনায় নিয়ে দক্ষ, গ্রহণযোগ্য ও আস্থাভাজন একজন ব্যক্তিকেই বেছে নিতে চায় তারা। এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
দলটির নেতারা বলছেন, শুধু রাজনৈতিক আনুগত্য নয়, রাষ্ট্রপতি পদে প্রয়োজন দক্ষতা, অভিজ্ঞতা, প্রজ্ঞা এবং সংকট মোকাবিলার সক্ষমতা। তাই সবদিক বিবেচনা করেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জানিয়েছেন, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের বিষয়ে দলীয় ফোরামে আলোচনা করেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। সংবিধান ও গণতান্ত্রিক ধারাকে সমুন্নত রেখে গ্রহণযোগ্য ব্যক্তিকেই দায়িত্বে দেখতে চায় দলটি।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, রাষ্ট্রপতি পদ সাংবিধানিকভাবে সীমিত ক্ষমতার হলেও জাতীয় সংকটের সময়ে এ পদের গুরুত্ব অনেক বেড়ে যায়। তাই দলীয় পরিচয়ের বাইরে একজন মর্যাদাসম্পন্ন ও সর্বজনগ্রাহ্য ব্যক্তিকে বেছে নেওয়ার দাবি রয়েছে।
অতীতের অভিজ্ঞতাও এবার বিবেচনায় নিচ্ছে বিএনপি। দলটির নেতাদের মতে, রাষ্ট্রপতির আনুগত্যের পাশাপাশি প্রয়োজন স্বাধীনভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সক্ষমতা। কারণ অতীতে দলঘনিষ্ঠ রাষ্ট্রপতিরাও নানা পরিস্থিতিতে বিতর্কের মুখে পড়েছেন।
এদিকে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন সামনে রেখে জাতীয় সংসদের ভারপ্রাপ্ত স্পিকারের সঙ্গে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সাক্ষাতের পর নির্বাচন প্রক্রিয়া নিয়েও আলোচনা শুরু হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, সেপ্টেম্বরের সংসদ অধিবেশনেই দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের বিষয়টি সামনে আসতে পারে।
সব মিলিয়ে, নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন বিএনপির জন্য শুধু একটি সাংবিধানিক সিদ্ধান্ত নয়, বরং রাজনৈতিক পরিপক্বতার বড় পরীক্ষাও হয়ে উঠছে। এখন সবার নজর—শেষ পর্যন্ত কার নাম ঘোষণা করে দলটি।

ডেস্ক রিপোর্ট 

























