ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
আদালত কক্ষে আইনজীবীর সাথে বিরিয়ানি খেয়ে কারাগারে গেলেন সাহেদ আসিফের নিজ উপজেলাতেই ৪৫৩ কোটি, ২৪০০ কোটি টাকার প্রকল্প নিয়ে প্রশ্ন ফ্যাসিস্ট সরকারের সময় জ্বালানি খাতকে পঙ্গু করে রাখা হয়েছিল: প্রধানমন্ত্রী বিএনপির দুগ্রুপের সংঘর্ষে রণক্ষেত্র ফেনী ‘যাহা বলিতেছি, সত্য বলিতেছি’- সারের মজুত নিয়ে সংসদে কৃষিমন্ত্রী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দুদককে ক্ষমা চাইতে হবে: আসিফ মাহমুদ আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতায় বিশ্বজয়ীদের রাষ্ট্রীয় সম্মাননা দেওয়ার দাবি জামায়াত এমপির ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দুদককে ক্ষমা চাইতে হবে: আসিফ মাহমুদ মহানবী (সা.)-কে নিয়ে কটূক্তি, যুবক আটক, এলাকায় উত্তেজনা দেশে ফিরলেন মির্জা আব্বাস

রাতে প্রধান বিচারপতির বাসভবনের সামনে ৫ বিচারপতির ছবি সম্বলিত ব্যানার

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১১:২৩:৩২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ জুলাই ২০২৫
  • ৫৭৮ বার পড়া হয়েছে

এবার কে বা কারা রাতের আঁধারে প্রধান বিচারপতির বাসভবনের সামনে পাঁচ বিচারপতির ছবি ও নামসহ একটি ব্যানার ঝুলিয়ে দিয়ে গেছেন। মঙ্গলবার (২৯ জুলাই) সকালে রাজধানীর কাকরাইলে অবস্থিত প্রধান বিচারপতির সরকারি বাসভবনের সামনে এই ব্যানারটি দেখা যায়। ব্যানারে লেখা ছিল, “আওয়ামী লীগ ফ্যাসিবাদী সরকারের আমলে বেগম খালেদা জিয়াকে শাস্তি দিয়ে পুরস্কৃত যে পাঁচ বিচারপতি”। ব্যানারে যাদের ছবি ও নাম রয়েছে, তারা হলেন—

১. বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম : আওয়ামী লীগপন্থি অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল ছিলেন। হাইকোর্টে খালেদা জিয়ার আপিলে সাজার মেয়াদ ৫ বছর বাড়িয়ে ১৭ বছর করেন তিনি। পরে আপিল বিভাগের বিচারপতি হন।

২. বিচারপতি মোহাম্মদ নুরজ্জামান (ননী) : আওয়ামী লীগ প্যানেল থেকে নির্বাচিত আইনজীবী যিনি হাইকোর্টে খালেদা জিয়ার মামলার স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করে দেন। পরে আপিল বিভাগের বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান।

৩. বিচারক মো. আখতারুজ্জামান : ঢাকার বিশেষ জজ আদালতের বিচারক হিসেবে ২০১৮ সালে খালেদা জিয়াকে ১২ বছরের সাজা দেন। দুটি মামলার রায় তিনিই ঘোষণা করেন। পরে হাইকোর্টের বিচারপতি হিসেবে পদোন্নতি পান।

৪. বিচারপতি কামরুল হাসান মোল্লা : জেলা ও দায়রা জজ থেকে পদোন্নতি পেয়ে ঢাকার বিশেষ জজ আদালতের দায়িত্ব পান। খালেদা জিয়াসহ বিএনপি নেতাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। মামলার প্রাথমিক পর্যায়ে শুনানি করেন, পরে হাইকোর্টের বিচারপতি হিসেবে পদোন্নতি পান।

৫. বিচারপতি আবু আহমেদ জমাদার : আগে আইন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব ও যুগ্নসচিব ছিলেন। খালেদা জিয়ার মামলা দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য তাকে বিশেষ জজ আদালতে পাঠানো হয়। আদালতের নিয়ম ভেঙ্গে দ্রুত শুনানি করে সাজা প্রদান করেন। পরবর্তীতে হাইকোর্টে বিচারপতি হিসেবে পদোন্নতি পান।

ব্যানারের একদম নিচে লেখা হয়েছে, “এদের বিচার চাই”। প্রধান বিচারপতির বাসভবনের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা পুলিশ সদস্যরা জানিয়েছেন, সোমবার পর্যন্ত ব্যানারটি সেখানে ছিল না। তারা জানান, সকালে এসে ব্যানারটি দেখতে পান, তবে কে বা কারা এটি লাগিয়েছে সে বিষয়ে তারা কিছুই জানেন না।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

আদালত কক্ষে আইনজীবীর সাথে বিরিয়ানি খেয়ে কারাগারে গেলেন সাহেদ

রাতে প্রধান বিচারপতির বাসভবনের সামনে ৫ বিচারপতির ছবি সম্বলিত ব্যানার

আপডেট সময় ১১:২৩:৩২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ জুলাই ২০২৫

এবার কে বা কারা রাতের আঁধারে প্রধান বিচারপতির বাসভবনের সামনে পাঁচ বিচারপতির ছবি ও নামসহ একটি ব্যানার ঝুলিয়ে দিয়ে গেছেন। মঙ্গলবার (২৯ জুলাই) সকালে রাজধানীর কাকরাইলে অবস্থিত প্রধান বিচারপতির সরকারি বাসভবনের সামনে এই ব্যানারটি দেখা যায়। ব্যানারে লেখা ছিল, “আওয়ামী লীগ ফ্যাসিবাদী সরকারের আমলে বেগম খালেদা জিয়াকে শাস্তি দিয়ে পুরস্কৃত যে পাঁচ বিচারপতি”। ব্যানারে যাদের ছবি ও নাম রয়েছে, তারা হলেন—

১. বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম : আওয়ামী লীগপন্থি অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল ছিলেন। হাইকোর্টে খালেদা জিয়ার আপিলে সাজার মেয়াদ ৫ বছর বাড়িয়ে ১৭ বছর করেন তিনি। পরে আপিল বিভাগের বিচারপতি হন।

২. বিচারপতি মোহাম্মদ নুরজ্জামান (ননী) : আওয়ামী লীগ প্যানেল থেকে নির্বাচিত আইনজীবী যিনি হাইকোর্টে খালেদা জিয়ার মামলার স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করে দেন। পরে আপিল বিভাগের বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান।

৩. বিচারক মো. আখতারুজ্জামান : ঢাকার বিশেষ জজ আদালতের বিচারক হিসেবে ২০১৮ সালে খালেদা জিয়াকে ১২ বছরের সাজা দেন। দুটি মামলার রায় তিনিই ঘোষণা করেন। পরে হাইকোর্টের বিচারপতি হিসেবে পদোন্নতি পান।

৪. বিচারপতি কামরুল হাসান মোল্লা : জেলা ও দায়রা জজ থেকে পদোন্নতি পেয়ে ঢাকার বিশেষ জজ আদালতের দায়িত্ব পান। খালেদা জিয়াসহ বিএনপি নেতাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। মামলার প্রাথমিক পর্যায়ে শুনানি করেন, পরে হাইকোর্টের বিচারপতি হিসেবে পদোন্নতি পান।

৫. বিচারপতি আবু আহমেদ জমাদার : আগে আইন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব ও যুগ্নসচিব ছিলেন। খালেদা জিয়ার মামলা দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য তাকে বিশেষ জজ আদালতে পাঠানো হয়। আদালতের নিয়ম ভেঙ্গে দ্রুত শুনানি করে সাজা প্রদান করেন। পরবর্তীতে হাইকোর্টে বিচারপতি হিসেবে পদোন্নতি পান।

ব্যানারের একদম নিচে লেখা হয়েছে, “এদের বিচার চাই”। প্রধান বিচারপতির বাসভবনের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা পুলিশ সদস্যরা জানিয়েছেন, সোমবার পর্যন্ত ব্যানারটি সেখানে ছিল না। তারা জানান, সকালে এসে ব্যানারটি দেখতে পান, তবে কে বা কারা এটি লাগিয়েছে সে বিষয়ে তারা কিছুই জানেন না।