ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬, ২৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
ইরানের বন্দর আব্বাস ও সিরিকে শক্তিশালী বিস্ফোরণ যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় ৮ ইরানি সেনা নিহত ১৯ দিন পর আবারও খুলছে শাহজালাল মাজারের দানবাক্স আর্জেন্টিনা ম্যাচ নিয়ে এবার আনুষ্ঠানিক পদক্ষেপ নিল মিশর ঢাকা-১৫ আসনের উন্নয়ন-জনসেবা নিশ্চিতে বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে সমন্বয় সভা সমালোচনার ঝড়ে গা ঢাকা দিলেন আর্জেন্টিনা-মিসর ম্যাচের ‘বিতর্কিত’ রেফারি গত দুই বিশ্বকাপে পেনাল্টি পাওয়ার শীর্ষে আর্জেন্টিনা শেষ পর্যন্ত দুঃসংবাদ, তদন্তের মুখে আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন শেষ ষোলো থেকে বিদায়ের পরও মিশরকে বড় অঙ্কের আর্থিক পুরস্কার দিচ্ছে ফিফা যুক্তরাষ্ট্র দলের দুই কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করল ফিফা

কাশ্মীর সীমান্তে পাকিস্তান থেকে ছোড়া গুলিতে ২ ভারতীয় সেনা নিহত

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১২:৪৮:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৫
  • ৫৯৬ বার পড়া হয়েছে

এবার ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে বিতর্কিত কাশ্মীর সীমান্তে দুই দেশের বাহিনীর মধ্যে গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। এতে ভারতীয় সেনাবাহিনীর অন্তত ২ জওয়ান নিহত হয়েছে। অবশ্য ভারত দাবি করছে, পাকিস্তান থেকে তথাকথিত অস্ত্রধারীদের গুলিতে এই হতাহতের ঘটনা ঘটেছে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডের খবরে বলা হয়েছে, জম্মু-কাশ্মীরের বারামুল্লা জেলার উরি সেক্টরে পাকিস্তান-ভারত সীমান্ত নিয়ন্ত্রণরেখা (এলওসি) বরাবর ‘সন্ত্রাসীদের বড় ধরনের অনুপ্রবেশের চেষ্টা’ এবং পাকিস্তানের বর্ডার অ্যাকশন টিম (বিএটি) হামলার পরিকল্পনা ভন্ডুল করে দিয়েছে ভারতীয় সেনারা। ঘটনাটি ঘটেছে মঙ্গলবার দিবাগত রাতে। এ সময় তীব্র গোলাগুলিতে প্রাণ হরায় ভারতীয় সেনাবাহিনীর দুই সদস্য।

ভারতীয় সেনাবাহিনীর একটি সূত্র জানিয়েছে, হামলাটি হয়েছিল ১৬ শিখ এলআই (৯ বিহার অ্যাডভান্স পার্টি) বাহিনীর দায়িত্বপ্রাপ্ত এলাকার অন্তর্গত এবং উরি থানার আওতাধীন টিক্কা পোস্টের কাছে। তাঁর দাবি, পাকিস্তানিরা অন্ধকারে একটি ভারতীয় পোস্টে বিএটি হামলার চেষ্টা করে। ভারতীয়রাও পাল্টা জবাব দেয়। গোলাগুলির মধ্যে ২ সেনা নিহত হয়।

দুই দেশের মধ্যে গোলাগুলির সময় গুরুতর আহত হন হাবিলদার অঙ্কিত ও সিপাহী বানোথ অনিল কুমার। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁরা মারা যান। এর আগে, ১১ আগস্টও বারামুল্লায় দায়িত্ব পালনকালে এক ভারতীয় সেনা প্রাণ হারান। এই ঘটনা ঘটল এমন এক সময় যখন সীমান্তে ভারতীয় বাহিনী ‘অপারেশন আখাল’ নামে এক অভিযান চালাচ্ছে।

১ আগস্ট দক্ষিণ কাশ্মীরের আখাল এলাকার জঙ্গলে সন্ত্রাসীদের উপস্থিতির সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্য পাওয়ার পর নিরাপত্তা বাহিনী সেখানে ঘেরাও ও তল্লাশি অভিযান শুরু করে। অভিযানের নবম দিনে ল্যান্স নায়েক প্রীতপাল সিং এবং সিপাহী হরমিন্দর সিং মারা যান। ওই সময় নিরাপত্তা বাহিনী পাঁচজনকে হত্যা করে। অপারেশন আখাল শুরু হয় তথাকথিত সন্ত্রাসী সংগঠন লস্কর-ই-তৈয়্যবার বিরুদ্ধে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরানের বন্দর আব্বাস ও সিরিকে শক্তিশালী বিস্ফোরণ

কাশ্মীর সীমান্তে পাকিস্তান থেকে ছোড়া গুলিতে ২ ভারতীয় সেনা নিহত

আপডেট সময় ১২:৪৮:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৫

এবার ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে বিতর্কিত কাশ্মীর সীমান্তে দুই দেশের বাহিনীর মধ্যে গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। এতে ভারতীয় সেনাবাহিনীর অন্তত ২ জওয়ান নিহত হয়েছে। অবশ্য ভারত দাবি করছে, পাকিস্তান থেকে তথাকথিত অস্ত্রধারীদের গুলিতে এই হতাহতের ঘটনা ঘটেছে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডের খবরে বলা হয়েছে, জম্মু-কাশ্মীরের বারামুল্লা জেলার উরি সেক্টরে পাকিস্তান-ভারত সীমান্ত নিয়ন্ত্রণরেখা (এলওসি) বরাবর ‘সন্ত্রাসীদের বড় ধরনের অনুপ্রবেশের চেষ্টা’ এবং পাকিস্তানের বর্ডার অ্যাকশন টিম (বিএটি) হামলার পরিকল্পনা ভন্ডুল করে দিয়েছে ভারতীয় সেনারা। ঘটনাটি ঘটেছে মঙ্গলবার দিবাগত রাতে। এ সময় তীব্র গোলাগুলিতে প্রাণ হরায় ভারতীয় সেনাবাহিনীর দুই সদস্য।

ভারতীয় সেনাবাহিনীর একটি সূত্র জানিয়েছে, হামলাটি হয়েছিল ১৬ শিখ এলআই (৯ বিহার অ্যাডভান্স পার্টি) বাহিনীর দায়িত্বপ্রাপ্ত এলাকার অন্তর্গত এবং উরি থানার আওতাধীন টিক্কা পোস্টের কাছে। তাঁর দাবি, পাকিস্তানিরা অন্ধকারে একটি ভারতীয় পোস্টে বিএটি হামলার চেষ্টা করে। ভারতীয়রাও পাল্টা জবাব দেয়। গোলাগুলির মধ্যে ২ সেনা নিহত হয়।

দুই দেশের মধ্যে গোলাগুলির সময় গুরুতর আহত হন হাবিলদার অঙ্কিত ও সিপাহী বানোথ অনিল কুমার। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁরা মারা যান। এর আগে, ১১ আগস্টও বারামুল্লায় দায়িত্ব পালনকালে এক ভারতীয় সেনা প্রাণ হারান। এই ঘটনা ঘটল এমন এক সময় যখন সীমান্তে ভারতীয় বাহিনী ‘অপারেশন আখাল’ নামে এক অভিযান চালাচ্ছে।

১ আগস্ট দক্ষিণ কাশ্মীরের আখাল এলাকার জঙ্গলে সন্ত্রাসীদের উপস্থিতির সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্য পাওয়ার পর নিরাপত্তা বাহিনী সেখানে ঘেরাও ও তল্লাশি অভিযান শুরু করে। অভিযানের নবম দিনে ল্যান্স নায়েক প্রীতপাল সিং এবং সিপাহী হরমিন্দর সিং মারা যান। ওই সময় নিরাপত্তা বাহিনী পাঁচজনকে হত্যা করে। অপারেশন আখাল শুরু হয় তথাকথিত সন্ত্রাসী সংগঠন লস্কর-ই-তৈয়্যবার বিরুদ্ধে।