ঢাকা , রবিবার, ০৫ জুলাই ২০২৬, ২১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
শিশুর পাইলসের চিকিৎসা নিতে গিয়ে জানাজানি হলো ধর্ষণের ঘটনা ‘আ.লীগের আমলের আইনেই দলটির বিচার হবে’ বলে ব্যাখ্যা দিলেন চিফ প্রসিকিউটর মাত্র একটি আঘাতেই সবাইকে শেষ করে দিতে পারতাম: ট্রাম্প প্রেস ও মিডিয়া কমিটির নতুন নেতৃত্বে তাসনোভা মাহবুব সালাম ব্রাজিলের জয়ে থ্রি-পিস পরে নাচলেন বিএনপি নেতা জামায়াত-শিবিরের বাঁচার জন্য হলেও বিএনপিকে ক্ষমতায় রাখা প্রয়োজন: রাশেদ  অণ্ডকোষ চেপে চেকে স্বাক্ষর আদায়ের ঘটনায় অভিযুক্ত লিটু গ্রেপ্তার ফ্যাসিস্টদের বিচারের মাধ্যমে দেশকে কলঙ্কমুক্ত করা হবে: নুর জুলাই নিয়ে ‘অপপ্রচার’, আনিস আলমগীর-সোমা-পিয়াসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে জিডি ছয় বিভাগে টানা বৃষ্টির পূর্বাভাস, পাহাড়ধসের শঙ্কা

মুক্তি পেয়েই ২৩ বছর অপেক্ষায় থাকা সেই নারীকে বিয়ে ফিলিস্তিনি আবু বকর

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১০:৫৪:০৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ অক্টোবর ২০২৫
  • ৫৮০ বার পড়া হয়েছে

সম্প্রতি গাজায় যুদ্ধবিরতি ও বন্দি বিনিময় চুক্তি কার্যকরের মাধ্যমে মুক্তি পান ২৫০ জনেরও বেশি ফিলিস্তিনি। এদেরই সদ্য মুক্তিপ্রাপ্ত একজন ফিলিস্তিনি হলেন আকরাম আবু বকর। তার বিরুদ্ধে তিনটি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছিল দখলদার ইসরাইল। বহু বছর বন্দি থাকার পর সম্প্রতি তিনি মুক্তি পেয়েছেন। শুধু তা-ই নয়, মিশরের রাজধানী কায়রোতে পোঁছে বিয়েও করেছেন।

তবে সবচেয়ে চমকপ্রদ ও বিস্ময়কর খবর হলো- নববধূ হলেন সেই নারী, যার প্রতি গভীর প্রেম ও ভালোবাসার প্রতিদান হিসেবেই ২৩ বছর আগে তালাক দিয়েছিলেন আবু বকর। কিন্তু সেই তালাক একপ্রকার মানেননি ওই নারী। ২৩ বছর ধরে ধৈর্য ও বিশ্বাস নিয়ে আকরাম আবু বকরের মুক্তির অপেক্ষায় ছিলেন তিনি।

সম্প্রতি বন্দি বিনিময় চুক্তির আওতায় মুক্তি পাওয়ার পর আকরাম আবু বকর কায়রোতে এক ছোট্ট অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তার সাবেক স্ত্রীকে পুনরায় বিয়ে করেছেন। ২৩ বছর আগে তিনি নিজেই স্ত্রীকে তালাক দিয়েছিলেন, যাতে তাকে আজীবন একজন বন্দির সহধর্মিণী হিসেবে কষ্টে কাটাতে না হয়। কিন্তু ওই নারী তার স্বামীকে ভুলে যাননি; অবিচল ভালোবাসা নিয়ে জীবনের ২৩টি বছর কাটিয়ে দিয়েছেন তার ফিরে আসার আশায়। অবশেষে আকরাম আবু বকর মুক্তি পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তিনি কায়রোতে গিয়ে তাকে স্বাগত জানান।

ফিলিস্তিনের তুলকারামের বাসিন্দা আকরাম আবু বকর মুক্তি পাওয়ার পর দখলদার ইসরাইলি কারাগার থেকে মিশরে নির্বাসিত হন। ৫০ বছর বয়সে কায়রোতে তার বিশ্বস্ত স্ত্রীকে দেখে তিনি সঙ্গে সঙ্গে সিদ্ধান্ত নেন আবারও তাকে বিয়ে করবেন। অনুপম পুনর্মিলনের এই ঘটনাটি গাজায় যুদ্ধবিরতি এবং প্রায় ২৫০ জন ফিলিস্তিনি বন্দির মুক্তির দিনে একযোগে ঘটে, যা ফিলিস্তিনিদের আশা ও বিজয়ের প্রতীকে পরিণত হয়েছে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

শিশুর পাইলসের চিকিৎসা নিতে গিয়ে জানাজানি হলো ধর্ষণের ঘটনা

মুক্তি পেয়েই ২৩ বছর অপেক্ষায় থাকা সেই নারীকে বিয়ে ফিলিস্তিনি আবু বকর

আপডেট সময় ১০:৫৪:০৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ অক্টোবর ২০২৫

সম্প্রতি গাজায় যুদ্ধবিরতি ও বন্দি বিনিময় চুক্তি কার্যকরের মাধ্যমে মুক্তি পান ২৫০ জনেরও বেশি ফিলিস্তিনি। এদেরই সদ্য মুক্তিপ্রাপ্ত একজন ফিলিস্তিনি হলেন আকরাম আবু বকর। তার বিরুদ্ধে তিনটি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছিল দখলদার ইসরাইল। বহু বছর বন্দি থাকার পর সম্প্রতি তিনি মুক্তি পেয়েছেন। শুধু তা-ই নয়, মিশরের রাজধানী কায়রোতে পোঁছে বিয়েও করেছেন।

তবে সবচেয়ে চমকপ্রদ ও বিস্ময়কর খবর হলো- নববধূ হলেন সেই নারী, যার প্রতি গভীর প্রেম ও ভালোবাসার প্রতিদান হিসেবেই ২৩ বছর আগে তালাক দিয়েছিলেন আবু বকর। কিন্তু সেই তালাক একপ্রকার মানেননি ওই নারী। ২৩ বছর ধরে ধৈর্য ও বিশ্বাস নিয়ে আকরাম আবু বকরের মুক্তির অপেক্ষায় ছিলেন তিনি।

সম্প্রতি বন্দি বিনিময় চুক্তির আওতায় মুক্তি পাওয়ার পর আকরাম আবু বকর কায়রোতে এক ছোট্ট অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তার সাবেক স্ত্রীকে পুনরায় বিয়ে করেছেন। ২৩ বছর আগে তিনি নিজেই স্ত্রীকে তালাক দিয়েছিলেন, যাতে তাকে আজীবন একজন বন্দির সহধর্মিণী হিসেবে কষ্টে কাটাতে না হয়। কিন্তু ওই নারী তার স্বামীকে ভুলে যাননি; অবিচল ভালোবাসা নিয়ে জীবনের ২৩টি বছর কাটিয়ে দিয়েছেন তার ফিরে আসার আশায়। অবশেষে আকরাম আবু বকর মুক্তি পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তিনি কায়রোতে গিয়ে তাকে স্বাগত জানান।

ফিলিস্তিনের তুলকারামের বাসিন্দা আকরাম আবু বকর মুক্তি পাওয়ার পর দখলদার ইসরাইলি কারাগার থেকে মিশরে নির্বাসিত হন। ৫০ বছর বয়সে কায়রোতে তার বিশ্বস্ত স্ত্রীকে দেখে তিনি সঙ্গে সঙ্গে সিদ্ধান্ত নেন আবারও তাকে বিয়ে করবেন। অনুপম পুনর্মিলনের এই ঘটনাটি গাজায় যুদ্ধবিরতি এবং প্রায় ২৫০ জন ফিলিস্তিনি বন্দির মুক্তির দিনে একযোগে ঘটে, যা ফিলিস্তিনিদের আশা ও বিজয়ের প্রতীকে পরিণত হয়েছে।