নরসিংদী সদর উপজেলার চিনিশপুর ইউনিয়নের ঘোড়াদিয়া এলাকায় বুধবার (রাত আড়াইটায়) পারিবারিক কলহের জেরে এক পিকআপ চালক ফরিদ মিয়া (৪৪) ঘুমন্ত স্ত্রী ও তার সন্তানসহ ছয়জনের শরীরে পেট্রল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেয়।
তাদের মধ্যে দুইজন—রিনা বেগম (৩৮) এবং তাঁর ছেলে ফরহাদ (১৫)—মঙ্গলবার চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঢাকার জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউট-এ মারা যান।
ঘটনায় দগ্ধ হয়েছেন আরও চারজন; তাদের মধ্যে রয়েছে রিনার ছেলে তাওহিদ (৭) যাঁর দগ্ধ হয়েছে শরীরের প্রায় ১৬ শতাংশ।
বিভিন্ন উৎস জানিয়েছে, রিনা ও ফরিদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক কলহ চলছিল—এই কারণেই রিনা তাদের সন্তানদের নিয়ে বাবার বাড়িতে চলে গিয়েছিলেন।
নরসিংদী মডেল থানা-র হাতে একমাত্র আসামি ফরিদ মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মামলা ধরেছে হত্যা মামলায় রূপ নিতে পারে।
প্রাসঙ্গিক বিবরণ
- আগুন লাগানোর পর ঘরের বাইরে থেকে দরজায় তালা মেরে পালিয়ে যাওয়ার সময় স্থানীয়রা দ্রুত অবস্থান পরিবর্তন করায় দগ্ধদের উদ্ধার করা হয়।
- দগ্ধ ব্যক্তিদের প্রথমে নরসিংদী সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়; পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার বার্ন ইনস্টিটিউটে রেফার করা হয়।
- চিকিৎসকদের মতে রিনার দগ্ধের পরিমাণ ছিল প্রায় ৫৮ শতাংশ, আর ফরহাদের ছিল ৪০ শতাংশ।

ডেস্ক রিপোর্ট 

























