ঢাকা , বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

লক্ষ্মীপুরে আধিপত্যের সংঘর্ষে বিএনপি নেতা জহিরকে কুপিয়ে হত্যা

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১০:৩১:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ নভেম্বর ২০২৫
  • ৭০৮ বার পড়া হয়েছে

লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জে এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বিএনপি নেতা আবুল কালাম জহির (৫০)কে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। শনিবার (১৫ নভেম্বর) রাত সাড়ে ৮টার দিকে সদর উপজেলার চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়নের পশ্চিম লতিফপুর গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। নিহত জহির স্থানীয় ৪নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।

পুলিশ ও স্থানীয়দের তথ্যমতে, পশ্চিম লতিফপুর গ্রামের মোস্তফার দোকান সংলগ্ন সড়কে দুর্বৃত্তরা হামলা চালিয়ে জহিরকে কুপিয়ে ফেলে পালিয়ে যায়। ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। পরে মরদেহের পাশে গুলির খোসাও পাওয়া যায়। স্থানীয়রা জানান, জহির একসময় মাদক ও মাটির ব্যবসার সঙ্গে জড়িত থাকলেও সাম্প্রতিক সময়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসছিলেন। ধারণা করা হচ্ছে পুরোনো বিরোধ ও এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করেই তাকে হত্যা করা হয়েছে।

চন্দ্রগঞ্জ থানা বিএনপির সভাপতি বেলাল হোসেন বলেন, “ঘটনাটি এখনো জানি না, খোঁজ নিচ্ছি।”
চন্দ্রগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফয়জুল আজীম ঘটনাটি নিশ্চিত করে জানান, “কে বা কারা কেন এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে তা এখনও পরিষ্কার নয়। তদন্ত চলছে।”

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

লক্ষ্মীপুরে আধিপত্যের সংঘর্ষে বিএনপি নেতা জহিরকে কুপিয়ে হত্যা

আপডেট সময় ১০:৩১:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ নভেম্বর ২০২৫

লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জে এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বিএনপি নেতা আবুল কালাম জহির (৫০)কে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। শনিবার (১৫ নভেম্বর) রাত সাড়ে ৮টার দিকে সদর উপজেলার চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়নের পশ্চিম লতিফপুর গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। নিহত জহির স্থানীয় ৪নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।

পুলিশ ও স্থানীয়দের তথ্যমতে, পশ্চিম লতিফপুর গ্রামের মোস্তফার দোকান সংলগ্ন সড়কে দুর্বৃত্তরা হামলা চালিয়ে জহিরকে কুপিয়ে ফেলে পালিয়ে যায়। ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। পরে মরদেহের পাশে গুলির খোসাও পাওয়া যায়। স্থানীয়রা জানান, জহির একসময় মাদক ও মাটির ব্যবসার সঙ্গে জড়িত থাকলেও সাম্প্রতিক সময়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসছিলেন। ধারণা করা হচ্ছে পুরোনো বিরোধ ও এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করেই তাকে হত্যা করা হয়েছে।

চন্দ্রগঞ্জ থানা বিএনপির সভাপতি বেলাল হোসেন বলেন, “ঘটনাটি এখনো জানি না, খোঁজ নিচ্ছি।”
চন্দ্রগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফয়জুল আজীম ঘটনাটি নিশ্চিত করে জানান, “কে বা কারা কেন এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে তা এখনও পরিষ্কার নয়। তদন্ত চলছে।”