ঢাকা , সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬, ২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
বাউফলে রাস্তার ওপর পড়ে থাকা বিদ্যুতের ছেঁড়া তারে জড়িয়ে কৃষকের মৃত্যু ঋণ দেয়ার কথা বলে কয়েক লাখ টাকা নি‌য়ে উধাও এন‌জিও! প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে সৌদি আরব সফরের আমন্ত্রণ যুবরাজের বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া ৩ লাখ ৯ হাজার রোহিঙ্গাকে স্বীকৃতি দিল মিয়ানমার আল-কায়েদা নিয়ে জাতিসংঘের সতর্কতা আমলে নিচ্ছে না সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তিস্তা নিয়ে ভারতের বন্ধুত্ব নষ্ট করতে চাই না, দেখবো দেশের স্বার্থ: পানি সম্পদমন্ত্রী এবার ৫৮২ টনের ম্যাগনেট দিয়ে ‘কৃত্রিম সূর্য’ বানাচ্ছে চীন শিক্ষক না আসায় লাঠিসোটা নিয়ে প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের আন্দোলন আলু বিক্রি বাড়াতে দোকানে নর্তকীর নাচ, ভিডিও ভাইরাল থালাপাতির এক ঘোষণায় বদলে গেলো হিসাব, লাখ লাখ কৃষকের ঋণ মওকুফ!

কোনো বাপের বেটার ক্ষমতা নেই এখানে কিছু করার: এসপি মাসুদ

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১০:০১:৫১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৯ মে ২০২৬
  • ২০৩ বার পড়া হয়েছে

এবার চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার এক সময়ের আতঙ্কের জনপদ জঙ্গল সলিমপুর ও আলীনগর এলাকায় শান্তি বজায় রাখতে এবং সন্ত্রাসীদের দমন করতে কঠোর অবস্থান নিয়েছে জেলা পুলিশ। শুক্রবার (৮ মে) বিকেলে এলাকাটি পরিদর্শনকালে সদ্য যোগদান করা চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) মাসুদ আলম স্থানীয়দের অভয় দিয়ে বলেছেন, সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ সবসময় পাশে থাকবে।

পরিদর্শনকালে স্থানীয়দের সঙ্গে আলাপকালে এসপি মাসুদ আলম সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে কড়া হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন। তিনি বলেন, “আপনারা সহযোগিতা করলে কোনো বাপের বেটার ক্ষমতা নেই এখানে কিছু করার।তিনি আরও স্পষ্ট করেন যে জঙ্গল সলিমপুরের মানুষ এখন থেকে কোনো ধরনের ভয়ভীতি ছাড়াই বসবাস এবং চলাফেরা করতে পারবেন। এলাকায় যারা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালানোর চেষ্টা করবে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা বাঅ্যাকশনঅব্যাহত থাকবে। সরকারি উন্নয়নমূলক প্রকল্প বাস্তবায়নে পুলিশ প্রয়োজনীয় সব ধরণের সহায়তা প্রদান করবে। পুলিশের লক্ষ্য হলো জঙ্গল সলিমপুরে এমন একটি পরিবেশ বজায় রাখা, যেখানে সবাই সবার মতো করে স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এক সময়ের অপরাধের স্বর্গরাজ্য হিসেবে পরিচিত জঙ্গল সলিমপুর এখন অনেকটাই শান্ত হয়ে উঠেছে। দীর্ঘ কয়েক বছরের ব্যর্থতার পর গত ৯ মার্চ ৩ হাজার ১৮৩ জন সদস্যের একটি বিশাল যৌথ অভিযানের মাধ্যমে পুরো এলাকাটি প্রশাসনের নিয়ন্ত্রণে আসে। বর্তমানে এই জনপদকে আস্থার জায়গায় নিয়ে আসতে কাজ করছে প্রশাসন।

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এলাকায় বর্তমানে দুটি অস্থায়ী ক্যাম্প স্থাপন করা হয়েছে। এস এম পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় ক্যাম্প: এখানে প্রায় ১৩০ জন পুলিশ সদস্য সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করছেন। আলীনগর উচ্চ বিদ্যালয় ক্যাম্প: এখানে র‌্যাব, পুলিশ ও এপিবিএন মিলিয়ে প্রায় ২৩০ জন সদস্য অবস্থান করছেন।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

বাউফলে রাস্তার ওপর পড়ে থাকা বিদ্যুতের ছেঁড়া তারে জড়িয়ে কৃষকের মৃত্যু

কোনো বাপের বেটার ক্ষমতা নেই এখানে কিছু করার: এসপি মাসুদ

আপডেট সময় ১০:০১:৫১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৯ মে ২০২৬

এবার চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার এক সময়ের আতঙ্কের জনপদ জঙ্গল সলিমপুর ও আলীনগর এলাকায় শান্তি বজায় রাখতে এবং সন্ত্রাসীদের দমন করতে কঠোর অবস্থান নিয়েছে জেলা পুলিশ। শুক্রবার (৮ মে) বিকেলে এলাকাটি পরিদর্শনকালে সদ্য যোগদান করা চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) মাসুদ আলম স্থানীয়দের অভয় দিয়ে বলেছেন, সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ সবসময় পাশে থাকবে।

পরিদর্শনকালে স্থানীয়দের সঙ্গে আলাপকালে এসপি মাসুদ আলম সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে কড়া হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন। তিনি বলেন, “আপনারা সহযোগিতা করলে কোনো বাপের বেটার ক্ষমতা নেই এখানে কিছু করার।তিনি আরও স্পষ্ট করেন যে জঙ্গল সলিমপুরের মানুষ এখন থেকে কোনো ধরনের ভয়ভীতি ছাড়াই বসবাস এবং চলাফেরা করতে পারবেন। এলাকায় যারা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালানোর চেষ্টা করবে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা বাঅ্যাকশনঅব্যাহত থাকবে। সরকারি উন্নয়নমূলক প্রকল্প বাস্তবায়নে পুলিশ প্রয়োজনীয় সব ধরণের সহায়তা প্রদান করবে। পুলিশের লক্ষ্য হলো জঙ্গল সলিমপুরে এমন একটি পরিবেশ বজায় রাখা, যেখানে সবাই সবার মতো করে স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এক সময়ের অপরাধের স্বর্গরাজ্য হিসেবে পরিচিত জঙ্গল সলিমপুর এখন অনেকটাই শান্ত হয়ে উঠেছে। দীর্ঘ কয়েক বছরের ব্যর্থতার পর গত ৯ মার্চ ৩ হাজার ১৮৩ জন সদস্যের একটি বিশাল যৌথ অভিযানের মাধ্যমে পুরো এলাকাটি প্রশাসনের নিয়ন্ত্রণে আসে। বর্তমানে এই জনপদকে আস্থার জায়গায় নিয়ে আসতে কাজ করছে প্রশাসন।

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এলাকায় বর্তমানে দুটি অস্থায়ী ক্যাম্প স্থাপন করা হয়েছে। এস এম পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় ক্যাম্প: এখানে প্রায় ১৩০ জন পুলিশ সদস্য সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করছেন। আলীনগর উচ্চ বিদ্যালয় ক্যাম্প: এখানে র‌্যাব, পুলিশ ও এপিবিএন মিলিয়ে প্রায় ২৩০ জন সদস্য অবস্থান করছেন।