ঢাকা , রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী হিসেবে সোশ্যাল মিডিয়ায় ‘জনপ্রিয়তার শীর্ষে’ থাকা কে এই খাইরুল দেওয়ান বঙ্গভবন ছাড়লেন সাবেক রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন দেশের বাজারে পাওয়া ৩৪টি টুথপেস্টের ২৬টিতেই মিলেছে মাইক্রোপ্লাস্টিক শিশুর অনুরোধে ২০৩০ বিশ্বকাপ পর্যন্ত ‘চুক্তিতে’ স্বাক্ষর করলেন স্কালোনি সাবেক রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ দায়ের এবার ইরানে স্থলসেনা নামানোর ছক যুক্তরাষ্ট্রের, ভয়ংকর পরিকল্পনা ফ্যামিলি কার্ড শুমারির নিয়োগ পরীক্ষায় ছাত্রদলের দুই নেতার হাতাহাতি ইরানে হামলায় যুক্তরাজ্যের কোনো ঘাঁটি ব্যবহৃত হলে তা হবে ‘বৈধ লক্ষ্যবস্তু’: আইআরজিসি কৃষক সেজে ফসলি মাঠ থেকে সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামিকে ধরল পুলিশ সাবেক রাষ্ট্রপতির ফৌজদারী অপরাধের বিচার সম্ভব, সংবিধানের ৫১ অনুচ্ছেদে কোন বাধা নেই: শিশির মনির

সীমান্ত হত্যা নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য ‘জাতির জন্য লজ্জার’: নাহিদ ইসলাম

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১০:২৫:৩৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৭ জুন ২০২৬
  • ১২৮ বার পড়া হয়েছে

এবার সীমান্তে ভারতীয় বাহিনীর নির্বিচার হত্যা নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহ উদ্দীন আহমদের বক্তব্যকে অত্যন্ত আপত্তিকর এবং অপমানজনক হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেন, ‘সরকারের দায়িত্বশীল কারও কাছ থেকে এই ধরনের বক্তব্য শোনা জাতির জন্য লজ্জার।’  শনিবার (৬ জুন) ফেসবুকে পোস্ট করা এক বিজ্ঞপ্তিকে তিনি এসব কথা বলেন।  নাহিদ বলেন, ‘তিনদিন পার হলেও সালাহ উদ্দীন আহমদ তার আপত্তিকর বক্তব্য প্রত্যাহার করেননি। সরকারের পক্ষ থেকেও এই ধরনের বক্তব্যের কোনও নিন্দা জানানো হয়নি। এজন্য আমাদের ধরে নিতে হচ্ছে, সালাহ উদ্দীন আহমদের এই বক্তব্যই সীমান্ত হত্যা নিয়ে সরকারের আনুষ্ঠানিক অবস্থান।

নাহিদ উল্লেখ করেন, ‘স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেনআপনারা যেটাকে বর্ডার কিলিং বলছেন, সে সম্পর্কে যদি আপনারা বিস্তারিত জানেন, তাহলে খুশি হবো। বর্ডার কিলিং হচ্ছেযদি অন্য দেশের বাহিনী কর্তৃক আমাদের সীমান্তে অথবা জিরো লাইনে এসে কিলিং করে, সেটাকে আমরা বর্ডার কিলিং বলতে পারি। কিন্তু যদি আমাদের সীমানার অভ্যন্তরে এবং তাদের সীমানার অভ্যন্তরে কোনও রকমের অপরাধে কেউ জড়িত থাকে, যদি কেউ ইললিগ্যাল ট্রেসপাস (অনুপ্রবেশ) করে যায়, সেটা তারা (সীমান্তরক্ষী বাহিনী) কীভাবে অ্যাড্রেস করবে, তা তাদের দেশীয় আইনে করবে। এটাকে বর্ডার কিলিং বলা ঠিক হবে না।’ 

এনসিপির আহ্বায়ক বলেন, ‘তার এমন অবস্থান আন্তর্জাতিক আইনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। কারণ নাগরিক ও রাজনৈতিক অধিকারের আন্তর্জাতিক চুক্তির ৬ নম্বর অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, প্রতিটি মানুষের বেঁচে থাকার অধিকার একটি সহজাত অধিকার। রাষ্ট্রগুলো তাদের আইন দ্বারা এই অধিকার রক্ষা করতে বাধ্য। আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহারের জাতিসংঘের নীতিমালায় বলা হয়েছে, প্রাণঘাতী অস্ত্র বা আগ্নেয়াস্ত্র কেবল তখনই ব্যবহার করা যাবে, যখন নিজের বা অন্যের জীবন বাঁচানোর অন্য কোনও উপায় থাকবে না। চোরাচালান, অবৈধ অনুপ্রবেশ বা অন‍্য কোনও অপরাধ দমনে প্রাণঘাতী অস্ত্র ব‍্যব্যবহারের সুযোগ নেই।’  

বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ বলেন, ‘সীমান্ত হত্যা নিয়ে ইতোপূর্বে এই ধরনের বক্তব্য দিয়েছিলেন ফ‍্যাসিবাদী সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন। ভারতের প্রতি শেখ হাসিনা সরকারের নতজানু নীতি এবং এর পরিণতি সর্বজনবিদিত। জুলাই বিপ্লব পরবর্তী কোনও সরকারের এমন অবস্থান অগ্রহণযোগ্য ও গভীরভাবে উদ্বেগজনক।’  তিনি অবিলম্বে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য প্রত্যাহারের দাবি জানান। 

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী হিসেবে সোশ্যাল মিডিয়ায় ‘জনপ্রিয়তার শীর্ষে’ থাকা কে এই খাইরুল দেওয়ান

সীমান্ত হত্যা নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য ‘জাতির জন্য লজ্জার’: নাহিদ ইসলাম

আপডেট সময় ১০:২৫:৩৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৭ জুন ২০২৬

এবার সীমান্তে ভারতীয় বাহিনীর নির্বিচার হত্যা নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহ উদ্দীন আহমদের বক্তব্যকে অত্যন্ত আপত্তিকর এবং অপমানজনক হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেন, ‘সরকারের দায়িত্বশীল কারও কাছ থেকে এই ধরনের বক্তব্য শোনা জাতির জন্য লজ্জার।’  শনিবার (৬ জুন) ফেসবুকে পোস্ট করা এক বিজ্ঞপ্তিকে তিনি এসব কথা বলেন।  নাহিদ বলেন, ‘তিনদিন পার হলেও সালাহ উদ্দীন আহমদ তার আপত্তিকর বক্তব্য প্রত্যাহার করেননি। সরকারের পক্ষ থেকেও এই ধরনের বক্তব্যের কোনও নিন্দা জানানো হয়নি। এজন্য আমাদের ধরে নিতে হচ্ছে, সালাহ উদ্দীন আহমদের এই বক্তব্যই সীমান্ত হত্যা নিয়ে সরকারের আনুষ্ঠানিক অবস্থান।

নাহিদ উল্লেখ করেন, ‘স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেনআপনারা যেটাকে বর্ডার কিলিং বলছেন, সে সম্পর্কে যদি আপনারা বিস্তারিত জানেন, তাহলে খুশি হবো। বর্ডার কিলিং হচ্ছেযদি অন্য দেশের বাহিনী কর্তৃক আমাদের সীমান্তে অথবা জিরো লাইনে এসে কিলিং করে, সেটাকে আমরা বর্ডার কিলিং বলতে পারি। কিন্তু যদি আমাদের সীমানার অভ্যন্তরে এবং তাদের সীমানার অভ্যন্তরে কোনও রকমের অপরাধে কেউ জড়িত থাকে, যদি কেউ ইললিগ্যাল ট্রেসপাস (অনুপ্রবেশ) করে যায়, সেটা তারা (সীমান্তরক্ষী বাহিনী) কীভাবে অ্যাড্রেস করবে, তা তাদের দেশীয় আইনে করবে। এটাকে বর্ডার কিলিং বলা ঠিক হবে না।’ 

এনসিপির আহ্বায়ক বলেন, ‘তার এমন অবস্থান আন্তর্জাতিক আইনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। কারণ নাগরিক ও রাজনৈতিক অধিকারের আন্তর্জাতিক চুক্তির ৬ নম্বর অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, প্রতিটি মানুষের বেঁচে থাকার অধিকার একটি সহজাত অধিকার। রাষ্ট্রগুলো তাদের আইন দ্বারা এই অধিকার রক্ষা করতে বাধ্য। আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহারের জাতিসংঘের নীতিমালায় বলা হয়েছে, প্রাণঘাতী অস্ত্র বা আগ্নেয়াস্ত্র কেবল তখনই ব্যবহার করা যাবে, যখন নিজের বা অন্যের জীবন বাঁচানোর অন্য কোনও উপায় থাকবে না। চোরাচালান, অবৈধ অনুপ্রবেশ বা অন‍্য কোনও অপরাধ দমনে প্রাণঘাতী অস্ত্র ব‍্যব্যবহারের সুযোগ নেই।’  

বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ বলেন, ‘সীমান্ত হত্যা নিয়ে ইতোপূর্বে এই ধরনের বক্তব্য দিয়েছিলেন ফ‍্যাসিবাদী সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন। ভারতের প্রতি শেখ হাসিনা সরকারের নতজানু নীতি এবং এর পরিণতি সর্বজনবিদিত। জুলাই বিপ্লব পরবর্তী কোনও সরকারের এমন অবস্থান অগ্রহণযোগ্য ও গভীরভাবে উদ্বেগজনক।’  তিনি অবিলম্বে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য প্রত্যাহারের দাবি জানান।