ঢাকা , রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী হিসেবে সোশ্যাল মিডিয়ায় ‘জনপ্রিয়তার শীর্ষে’ থাকা কে এই খাইরুল দেওয়ান বঙ্গভবন ছাড়লেন সাবেক রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন দেশের বাজারে পাওয়া ৩৪টি টুথপেস্টের ২৬টিতেই মিলেছে মাইক্রোপ্লাস্টিক শিশুর অনুরোধে ২০৩০ বিশ্বকাপ পর্যন্ত ‘চুক্তিতে’ স্বাক্ষর করলেন স্কালোনি সাবেক রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ দায়ের এবার ইরানে স্থলসেনা নামানোর ছক যুক্তরাষ্ট্রের, ভয়ংকর পরিকল্পনা ফ্যামিলি কার্ড শুমারির নিয়োগ পরীক্ষায় ছাত্রদলের দুই নেতার হাতাহাতি ইরানে হামলায় যুক্তরাজ্যের কোনো ঘাঁটি ব্যবহৃত হলে তা হবে ‘বৈধ লক্ষ্যবস্তু’: আইআরজিসি কৃষক সেজে ফসলি মাঠ থেকে সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামিকে ধরল পুলিশ সাবেক রাষ্ট্রপতির ফৌজদারী অপরাধের বিচার সম্ভব, সংবিধানের ৫১ অনুচ্ছেদে কোন বাধা নেই: শিশির মনির

রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ইসলামী ব্যাংকের গোড়াপত্তন করেছিলেন

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১১:৩২:৩০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ জুন ২০২৬
  • ৫৭ বার পড়া হয়েছে

অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, ইসলামী ব্যাংকের গোড়াপত্তন করেছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, তাই এর মর্যাদা ও আর্থিক শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে বর্তমান সরকার সর্বোচ্চ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

 

মঙ্গলবার (৯ জুন) জাতীয় সংসদে বিরোধী দলের বিভিন্ন নোটিশের জবাব ও ব্যাংকিং খাতের সমসাময়িক ইস্যু নিয়ে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি এ কথা বলেন।

 

মন্ত্রী বলেন, ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির ভবিষ্যৎ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এবং বর্তমান সরকারের হাতেই সবচেয়ে নিরাপদ।

 

তিনি বলেন, একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক গোষ্ঠী ব্যাংকটিকে ব্যর্থ করার যে অপচেষ্টা চালাচ্ছে, তা রুখে দেওয়ার ঘোষণা দিয়ে মন্ত্রী স্পষ্ট জানিয়েছেন, ইসলামী ব্যাংককে নিয়ে কোনো ধরনের ষড়যন্ত্র বা উচ্ছৃঙ্খলতা সহ্য করা হবে না।

 

সংসদে বিরোধীদলীয় সদস্যদের বক্তব্যের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘ইসলামী ব্যাংক থেকে অর্থ আত্মসাতের যে অভিযোগ তোলা হচ্ছে, তার কোনো ভিত্তি নেই। কোনো কোনো বিরোধীদলীয় নেতা চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে গোল্ড মেডেল দাবি করছেন। কিন্তু বাস্তবতা হলো, যারা অর্থ নিয়েছেন তারা তো কেউ নিজের নামে টাকা নেননি। এই পুরো বিতর্কের সূত্রপাত হয়েছে বিগত নির্বাচন থেকে। আমরা দেখেছি, নির্বাচনে কিছু কিছু এলাকায় ক্যান্ডিডেটরা অবিশ্বাস্য রকমের টাকা খরচ করেছেন। এমন অনেক প্রার্থী ছিলেন, যাদের দৃশ্যমান কোনো ব্যবসা-বাণিজ্য বা আয়ের উৎস জানা নেই, অথচ তারাও নির্বাচনে ৫০ থেকে ১০০ কোটি টাকা খরচ করেছেন।

 

আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, এই অবৈধ ও অপ্রদর্শিত অর্থ যখন রাজনীতিতে প্রবেশ করে, তখন তা গোটা গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার জন্য মারাত্মক ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

 

বিরোধী দলের আনা পিটিশনের বরাতে ব্যাংকের চেয়ারম্যানের সমালোচনা প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, বিরোধী দল চেয়ারম্যানের চরিত্র নিয়ে যেসব মন্তব্য করেছে তা সম্পূর্ণ তাদের নিজস্ব বিষয়। তবে বাংলাদেশ ব্যাংক বিষয়টি তদন্ত করে অনিয়মের কোনো প্রমাণ পায়নি।

 

তিনি বলেন, বিশ্বের কোনো ব্যাংকের গ্রাহকই চেয়ারম্যানের নাম দেখে টাকা জমা রাখে না বা উত্তোলন করে না। গ্রাহকের মূল স্বার্থ থাকে তার আমানতের নিরাপত্তা ও সঠিক লভ্যাংশ পাওয়ার ওপর।

 

‘তাই চেয়ারম্যান পরিবর্তনের কারণে ইসলামী ব্যাংক থেকে ২-৩ হাজার কোটি টাকা উত্তোলন হয়ে যাওয়ার যে দাবি বিরোধী দল করছে, তা অবান্তর। প্রকৃতপক্ষে ব্যাংকের ভেতরে ও বাইরে একটি উগ্র গোষ্ঠী পরিকল্পিতভাবে মিছিল ও বিশৃঙ্খল কর্মসূচি পরিচালনা করছে। এই উশৃঙ্খলতার সঙ্গে বিরোধী দলের আশঙ্কার একটি যোগসূত্র লক্ষ করা যাচ্ছে। মূলত কিছু অশুভ শক্তি ইসলামী ব্যাংকটিকে ব্যর্থ করে দিয়ে দেশের সামগ্রিক আর্থিক শৃঙ্খলা নষ্ট করতে চায় এবং এর মাধ্যমে রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলের অপচেষ্টা চালাচ্ছে।’

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী হিসেবে সোশ্যাল মিডিয়ায় ‘জনপ্রিয়তার শীর্ষে’ থাকা কে এই খাইরুল দেওয়ান

রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ইসলামী ব্যাংকের গোড়াপত্তন করেছিলেন

আপডেট সময় ১১:৩২:৩০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ জুন ২০২৬

অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, ইসলামী ব্যাংকের গোড়াপত্তন করেছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, তাই এর মর্যাদা ও আর্থিক শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে বর্তমান সরকার সর্বোচ্চ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

 

মঙ্গলবার (৯ জুন) জাতীয় সংসদে বিরোধী দলের বিভিন্ন নোটিশের জবাব ও ব্যাংকিং খাতের সমসাময়িক ইস্যু নিয়ে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি এ কথা বলেন।

 

মন্ত্রী বলেন, ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির ভবিষ্যৎ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এবং বর্তমান সরকারের হাতেই সবচেয়ে নিরাপদ।

 

তিনি বলেন, একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক গোষ্ঠী ব্যাংকটিকে ব্যর্থ করার যে অপচেষ্টা চালাচ্ছে, তা রুখে দেওয়ার ঘোষণা দিয়ে মন্ত্রী স্পষ্ট জানিয়েছেন, ইসলামী ব্যাংককে নিয়ে কোনো ধরনের ষড়যন্ত্র বা উচ্ছৃঙ্খলতা সহ্য করা হবে না।

 

সংসদে বিরোধীদলীয় সদস্যদের বক্তব্যের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘ইসলামী ব্যাংক থেকে অর্থ আত্মসাতের যে অভিযোগ তোলা হচ্ছে, তার কোনো ভিত্তি নেই। কোনো কোনো বিরোধীদলীয় নেতা চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে গোল্ড মেডেল দাবি করছেন। কিন্তু বাস্তবতা হলো, যারা অর্থ নিয়েছেন তারা তো কেউ নিজের নামে টাকা নেননি। এই পুরো বিতর্কের সূত্রপাত হয়েছে বিগত নির্বাচন থেকে। আমরা দেখেছি, নির্বাচনে কিছু কিছু এলাকায় ক্যান্ডিডেটরা অবিশ্বাস্য রকমের টাকা খরচ করেছেন। এমন অনেক প্রার্থী ছিলেন, যাদের দৃশ্যমান কোনো ব্যবসা-বাণিজ্য বা আয়ের উৎস জানা নেই, অথচ তারাও নির্বাচনে ৫০ থেকে ১০০ কোটি টাকা খরচ করেছেন।

 

আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, এই অবৈধ ও অপ্রদর্শিত অর্থ যখন রাজনীতিতে প্রবেশ করে, তখন তা গোটা গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার জন্য মারাত্মক ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

 

বিরোধী দলের আনা পিটিশনের বরাতে ব্যাংকের চেয়ারম্যানের সমালোচনা প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, বিরোধী দল চেয়ারম্যানের চরিত্র নিয়ে যেসব মন্তব্য করেছে তা সম্পূর্ণ তাদের নিজস্ব বিষয়। তবে বাংলাদেশ ব্যাংক বিষয়টি তদন্ত করে অনিয়মের কোনো প্রমাণ পায়নি।

 

তিনি বলেন, বিশ্বের কোনো ব্যাংকের গ্রাহকই চেয়ারম্যানের নাম দেখে টাকা জমা রাখে না বা উত্তোলন করে না। গ্রাহকের মূল স্বার্থ থাকে তার আমানতের নিরাপত্তা ও সঠিক লভ্যাংশ পাওয়ার ওপর।

 

‘তাই চেয়ারম্যান পরিবর্তনের কারণে ইসলামী ব্যাংক থেকে ২-৩ হাজার কোটি টাকা উত্তোলন হয়ে যাওয়ার যে দাবি বিরোধী দল করছে, তা অবান্তর। প্রকৃতপক্ষে ব্যাংকের ভেতরে ও বাইরে একটি উগ্র গোষ্ঠী পরিকল্পিতভাবে মিছিল ও বিশৃঙ্খল কর্মসূচি পরিচালনা করছে। এই উশৃঙ্খলতার সঙ্গে বিরোধী দলের আশঙ্কার একটি যোগসূত্র লক্ষ করা যাচ্ছে। মূলত কিছু অশুভ শক্তি ইসলামী ব্যাংকটিকে ব্যর্থ করে দিয়ে দেশের সামগ্রিক আর্থিক শৃঙ্খলা নষ্ট করতে চায় এবং এর মাধ্যমে রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলের অপচেষ্টা চালাচ্ছে।’