ঢাকা , মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬, ২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
‘এটি হাসিনার সরকার না, দেশের আত্মসম্মান বিকিয়ে ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক নয়’ জনগণের প্রত্যাশা পূরণে সরকারকে কাজ করার আহ্বান ড. কামালের বিএসএফকে পুশ ইনে সহায়তার অভিযোগে বিজিবির হাতে আটক ৭ বাংলাদেশি আদ্-দ্বীনের নির্বাহী পরিচালক ডা. শেখ মহিউদ্দিনের পদত্যাগ ‘তারেক রহমান আসলেও কাজ হবে না’ বলা সেই ছাত্রদল নেতা বহিষ্কার নেতাকে কাঁধে তুলে স্লোগানের সময় ভিড়ের মধ্যে চড়-থাপ্পড় দুই ঘণ্টা বসিয়ে রাখার প্রতিবাদ হিসেবে ভারতে প্রবেশ না করে দেশে ফিরেছি: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা “পদ্মা সেতুর পিলারের নিচে কারা কাটছে মাটি? উঠছে বড় প্রশ্ন” ৫৪ জেলার পানিতে বিপজ্জনক মাত্রায় আর্সেনিক-আয়রন, বাড়ছে ক্যানসারের আশঙ্কা পঞ্চম সন্তানের প্রত্যাশায় নেইমার, বাড়ছে বিশ্বকাপে না ফেরার আশঙ্কা

নেইমারেই ভরসা খুঁজছে ব্রাজিল

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১২:২৫:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬
  • ৪৯ বার পড়া হয়েছে

 

ব্রাজিলের বিশ্বকাপ দলে নেইমারের অবস্থান নিয়ে শুরু থেকেই ছিল নানা প্রশ্ন ও আলোচনা। চোটে জর্জরিত এই ৩৪ বছর বয়সী তারকার ফর্ম ও ফিটনেস নিয়েও তৈরি হয়েছিল সংশয়। তবুও ব্রাজিল সমর্থকদের বড় অংশের কাছে নেইমার মানে শুধু একজন খেলোয়াড় নয়—বরং ২৪ বছরের বিশ্বকাপ খরার বিপরীতে এক বড় আশা।

মরক্কোর বিপক্ষে ব্রাজিলের উদ্বোধনী ম্যাচে কাফ ইনজুরির কারণে মাঠে নামতে পারেননি নেইমার। ফলে বেঞ্চে বসেই পুরো ম্যাচ দেখতে হয় তাকে। তবে মাঠে না থাকলেও দর্শকদের নজরে ছিলেন এই ব্রাজিলিয়ান তারকাই।

স্টেডিয়ামে উপস্থিত অনেক ব্রাজিল সমর্থকই নেইমারের জার্সি পরে আসেন। তাদের মতে, দলে এমন একজন খেলোয়াড় থাকা প্রয়োজন, যিনি একাই ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারেন। অনেকের চোখে নেইমার এখনও ব্রাজিল দলের সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণা।

ম্যাচের শুরু থেকেই চাপের মুখে ছিল ব্রাজিল। মাঝমাঠে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বারবার সমস্যায় পড়তে হয় সেলেসাওদের। প্রথমার্ধে গোলও হজম করে তারা। পরে ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের গোলে সমতায় ফেরে ব্রাজিল এবং শেষ পর্যন্ত ম্যাচটি ১-১ ড্র হয়।

পুরো ম্যাচজুড়ে ব্রাজিলের আক্রমণে সৃজনশীলতার ঘাটতি স্পষ্ট ছিল। ভিনিসিয়ুস জুনিয়র কিছু মুহূর্তে দারুণ নৈপুণ্য দেখালেও পর্যাপ্ত সাপোর্ট না পাওয়ায় আক্রমণে ধার কমে যায়। আর সেখানেই বারবার সামনে আসে নেইমারের অনুপস্থিতির প্রসঙ্গ।

ব্রাজিলের ইতিহাসে পেলে, রোনালদো, রোনালদিনহো ও কাকার মতো কিংবদন্তিদের পরবর্তী প্রজন্মের বড় তারকা হিসেবে দীর্ঘদিন ধরেই বিবেচিত হয়ে আসছেন নেইমার। কিন্তু বিশ্বকাপ শিরোপা এখনো অধরা তার জন্য। তাই অনেক সমর্থকের বিশ্বাস, এই বিশ্বকাপই হতে পারে তার অসমাপ্ত গল্পের শেষ অধ্যায়।

ম্যাচ শেষে দেখা যায়, নেইমারকে ঘিরে তৈরি হয় ব্যাপক আগ্রহ। ব্রাজিল ও মরক্কো—উভয় দলের খেলোয়াড়রাই তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে এগিয়ে আসেন।

২০২৬ বিশ্বকাপে ব্রাজিলের শিরোপা স্বপ্ন এখনো জীবিত। আর সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নের পথে চোট কাটিয়ে নেইমারের মাঠে ফেরা এখন সবচেয়ে বড় অপেক্ষা হয়ে দাঁড়িয়েছে ব্রাজিল সমর্থকদের কাছে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

‘এটি হাসিনার সরকার না, দেশের আত্মসম্মান বিকিয়ে ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক নয়’

নেইমারেই ভরসা খুঁজছে ব্রাজিল

আপডেট সময় ১২:২৫:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬

 

ব্রাজিলের বিশ্বকাপ দলে নেইমারের অবস্থান নিয়ে শুরু থেকেই ছিল নানা প্রশ্ন ও আলোচনা। চোটে জর্জরিত এই ৩৪ বছর বয়সী তারকার ফর্ম ও ফিটনেস নিয়েও তৈরি হয়েছিল সংশয়। তবুও ব্রাজিল সমর্থকদের বড় অংশের কাছে নেইমার মানে শুধু একজন খেলোয়াড় নয়—বরং ২৪ বছরের বিশ্বকাপ খরার বিপরীতে এক বড় আশা।

মরক্কোর বিপক্ষে ব্রাজিলের উদ্বোধনী ম্যাচে কাফ ইনজুরির কারণে মাঠে নামতে পারেননি নেইমার। ফলে বেঞ্চে বসেই পুরো ম্যাচ দেখতে হয় তাকে। তবে মাঠে না থাকলেও দর্শকদের নজরে ছিলেন এই ব্রাজিলিয়ান তারকাই।

স্টেডিয়ামে উপস্থিত অনেক ব্রাজিল সমর্থকই নেইমারের জার্সি পরে আসেন। তাদের মতে, দলে এমন একজন খেলোয়াড় থাকা প্রয়োজন, যিনি একাই ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারেন। অনেকের চোখে নেইমার এখনও ব্রাজিল দলের সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণা।

ম্যাচের শুরু থেকেই চাপের মুখে ছিল ব্রাজিল। মাঝমাঠে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বারবার সমস্যায় পড়তে হয় সেলেসাওদের। প্রথমার্ধে গোলও হজম করে তারা। পরে ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের গোলে সমতায় ফেরে ব্রাজিল এবং শেষ পর্যন্ত ম্যাচটি ১-১ ড্র হয়।

পুরো ম্যাচজুড়ে ব্রাজিলের আক্রমণে সৃজনশীলতার ঘাটতি স্পষ্ট ছিল। ভিনিসিয়ুস জুনিয়র কিছু মুহূর্তে দারুণ নৈপুণ্য দেখালেও পর্যাপ্ত সাপোর্ট না পাওয়ায় আক্রমণে ধার কমে যায়। আর সেখানেই বারবার সামনে আসে নেইমারের অনুপস্থিতির প্রসঙ্গ।

ব্রাজিলের ইতিহাসে পেলে, রোনালদো, রোনালদিনহো ও কাকার মতো কিংবদন্তিদের পরবর্তী প্রজন্মের বড় তারকা হিসেবে দীর্ঘদিন ধরেই বিবেচিত হয়ে আসছেন নেইমার। কিন্তু বিশ্বকাপ শিরোপা এখনো অধরা তার জন্য। তাই অনেক সমর্থকের বিশ্বাস, এই বিশ্বকাপই হতে পারে তার অসমাপ্ত গল্পের শেষ অধ্যায়।

ম্যাচ শেষে দেখা যায়, নেইমারকে ঘিরে তৈরি হয় ব্যাপক আগ্রহ। ব্রাজিল ও মরক্কো—উভয় দলের খেলোয়াড়রাই তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে এগিয়ে আসেন।

২০২৬ বিশ্বকাপে ব্রাজিলের শিরোপা স্বপ্ন এখনো জীবিত। আর সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নের পথে চোট কাটিয়ে নেইমারের মাঠে ফেরা এখন সবচেয়ে বড় অপেক্ষা হয়ে দাঁড়িয়েছে ব্রাজিল সমর্থকদের কাছে।