ঢাকা , সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
‘অভিমানী’ মাজারের সেই কুমির অনশনে, ১৯ দিনেও খাবার তোলেনি মুখে ইরানের ফুটবলাররা দেশ ও জাতির মর্যাদা রক্ষার লড়াই করছে: আরাঘচি যুক্তরাষ্ট্রে ম্যাচের পর ড্রেসিং রুমে চিঠি রেখে গেল ইরান রাখালবালক থেকে ইরানের বিশ্বকাপের নায়ক আলিরেজা ছাত্রলীগ নেতা সাকিব আল হাসান গ্রেপ্তার ফিলিস্তিনি-ইসরায়েলি পতাকার কিপ্পা পরে আবারও আলোচনায় ব্রিটিশ লেখক সিনক্লেয়ার সতীর্থরাই বলছেন, আমরা রোনালদোকে বল পাস দিতে বাধ্য নই সর্বোচ্চ টাকা পাচারের জন্য ড. ইউনূস ডাবল নোবেলের দাবিদার: রনি ভারতের বিরুদ্ধে যুদ্ধের হুঁশিয়ারি পাকিস্তানের অজু করার সময় বজ্রাঘাতে প্রাণ গেল মাদরাসার ৩ শিক্ষার্থীর

‘অন্তবর্তী সরকারের প্রথম সংস্কার হওয়া উচিত ছিল আ. লীগ নিষিদ্ধ করা’

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৪:২১:২৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ মে ২০২৫
  • ২৯০ বার পড়া হয়েছে

বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করার দাবি তুলেছেন দেশের বিভিন্ন স্তরের সাধারণ মানুষ। গণমাধ্যমে কিংবা সামাজিক মাধ্যমে এ নিয়ে প্রকাশিত মতামতগুলোতে ক্ষোভ ও দীর্ঘদিনের বঞ্চনার চিত্র স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।

একজন নাগরিক বলেন, “আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করতেই হবে। কারণ এ সরকারের প্রথম সংস্কারই ছিল আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করা। আমরা চাই সরকার তার প্রথম প্রতিশ্রুত সংস্কারটা বাস্তবায়ন করুক—এই দলটিকে নিষিদ্ধ করুক।” আরেকজন অভিযোগ করে বলেন, “আওয়ামী লীগ ২০০৮ থেকে ২০২৪ পর্যন্ত যে ভূমিকা রেখেছে তা ভয়াবহ। হত্যা, গুম, লুটপাটের মাধ্যমে তারা দেশের রাজনীতিকে কলুষিত করেছে। সুস্থ রাজনৈতিক ধারায় ফিরতে হলে, ফ্যাসিবাদী এই দলটিকে নিষিদ্ধ করা ছাড়া আর কোনো উপায় নেই।”

তৃতীয় একজন বলেন, “আওয়ামী লীগকে চিরতরের জন্য নিষিদ্ধ করতে হবে। তারা গত ১৭ বছরে ইসলামপন্থী, দাড়ি-টুপিওয়ালা, ইসলামের পক্ষে কথা বলা মানুষদের গুম, নির্যাতন ও দমন করেছে। এসব দোসরদের ছাড় দেওয়া যাবে না।”

সাধারণ মানুষের এমন বক্তব্য দেশের রাজনীতিতে আওয়ামী লীগের ভূমিকা নিয়ে একটি বড় প্রশ্নচিহ্ন তৈরি করছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এসব দাবি সরকার ও রাজনৈতিক মহলে আলোচনার বিষয় হয়ে উঠতে পারে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

‘অভিমানী’ মাজারের সেই কুমির অনশনে, ১৯ দিনেও খাবার তোলেনি মুখে

‘অন্তবর্তী সরকারের প্রথম সংস্কার হওয়া উচিত ছিল আ. লীগ নিষিদ্ধ করা’

আপডেট সময় ০৪:২১:২৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ মে ২০২৫

বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করার দাবি তুলেছেন দেশের বিভিন্ন স্তরের সাধারণ মানুষ। গণমাধ্যমে কিংবা সামাজিক মাধ্যমে এ নিয়ে প্রকাশিত মতামতগুলোতে ক্ষোভ ও দীর্ঘদিনের বঞ্চনার চিত্র স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।

একজন নাগরিক বলেন, “আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করতেই হবে। কারণ এ সরকারের প্রথম সংস্কারই ছিল আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করা। আমরা চাই সরকার তার প্রথম প্রতিশ্রুত সংস্কারটা বাস্তবায়ন করুক—এই দলটিকে নিষিদ্ধ করুক।” আরেকজন অভিযোগ করে বলেন, “আওয়ামী লীগ ২০০৮ থেকে ২০২৪ পর্যন্ত যে ভূমিকা রেখেছে তা ভয়াবহ। হত্যা, গুম, লুটপাটের মাধ্যমে তারা দেশের রাজনীতিকে কলুষিত করেছে। সুস্থ রাজনৈতিক ধারায় ফিরতে হলে, ফ্যাসিবাদী এই দলটিকে নিষিদ্ধ করা ছাড়া আর কোনো উপায় নেই।”

তৃতীয় একজন বলেন, “আওয়ামী লীগকে চিরতরের জন্য নিষিদ্ধ করতে হবে। তারা গত ১৭ বছরে ইসলামপন্থী, দাড়ি-টুপিওয়ালা, ইসলামের পক্ষে কথা বলা মানুষদের গুম, নির্যাতন ও দমন করেছে। এসব দোসরদের ছাড় দেওয়া যাবে না।”

সাধারণ মানুষের এমন বক্তব্য দেশের রাজনীতিতে আওয়ামী লীগের ভূমিকা নিয়ে একটি বড় প্রশ্নচিহ্ন তৈরি করছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এসব দাবি সরকার ও রাজনৈতিক মহলে আলোচনার বিষয় হয়ে উঠতে পারে।