ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬, ২৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
১৯ দিন পর আবারও খুলছে শাহজালাল মাজারের দানবাক্স আর্জেন্টিনা ম্যাচ নিয়ে এবার আনুষ্ঠানিক পদক্ষেপ নিল মিশর ঢাকা-১৫ আসনের উন্নয়ন-জনসেবা নিশ্চিতে বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে সমন্বয় সভা সমালোচনার ঝড়ে গা ঢাকা দিলেন আর্জেন্টিনা-মিসর ম্যাচের ‘বিতর্কিত’ রেফারি গত দুই বিশ্বকাপে পেনাল্টি পাওয়ার শীর্ষে আর্জেন্টিনা শেষ পর্যন্ত দুঃসংবাদ, তদন্তের মুখে আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন শেষ ষোলো থেকে বিদায়ের পরও মিশরকে বড় অঙ্কের আর্থিক পুরস্কার দিচ্ছে ফিফা যুক্তরাষ্ট্র দলের দুই কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করল ফিফা বিশ্বকাপ কলঙ্কিত হয়েছে, ভিএআরের ভুলে আর্জেন্টিনাকে সুবিধা দেওয়া হয়েছে ভারী বর্ষণে ঘরের দেয়াল ধসে শিশুর মৃত্যু

গত দুই বিশ্বকাপে পেনাল্টি পাওয়ার শীর্ষে আর্জেন্টিনা

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১১:৫৫:৩২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ জুলাই ২০২৬
  • ৪ বার পড়া হয়েছে

২০২২ ও ২০২৬ বিশ্বকাপ মিলিয়ে পেনাল্টি পাওয়ার তালিকায় সবার ওপরে আর্জেন্টিনা। গত দুই আসরে আর্জেন্টিনা পেয়েছে মোট ৮টি পেনাল্টি। এর মধ্যে ২০২২ কাতার বিশ্বকাপে ছিল ৫টি, আর চলতি ২০২৬ বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত ৩টি। দ্বিতীয় স্থানে থাকা ইংল্যান্ড পেয়েছে ৪টি পেনাল্টি, আর্জেন্টিনার অর্ধেক।

 

সংবাদমাধ্যম জিই-এর পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত দুই বিশ্বকাপে পেনাল্টি পাওয়ার সংখ্যায় আর্জেন্টিনা অনেকটাই এগিয়ে। ইংল্যান্ডের ৪টির পর ৩টি করে পেনাল্টি পেয়েছে ব্রাজিল, ফ্রান্স ও পর্তুগাল। ২টি করে পেনাল্টি পেয়েছে জার্মানি, ইরান, পোল্যান্ড ও সুইজারল্যান্ড।

 

১টি করে পেনাল্টি পাওয়া দলের তালিকায় আছে দক্ষিণ আফ্রিকা, সৌদি আরব, অস্ট্রিয়া, বেলজিয়াম, কানাডা, ইকুয়েডর, স্পেন, ঘানা, মেক্সিকো, নরওয়ে, ওয়েলস, ডিআর কঙ্গো ও সেনেগাল।

 

আর্জেন্টিনার ৮ পেনাল্টির মধ্যে ৭টিই নিয়েছেন লিওনেল মেসি। মিশরের বিপক্ষে শেষ ষোলোর ম্যাচে পেনাল্টি মিস করেন আর্জেন্টিনা অধিনায়ক। এর আগে চলতি বিশ্বকাপে অস্ট্রিয়ার বিপক্ষেও তাঁর শট পোস্টে লাগে। ২০২২ বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে পোল্যান্ডের গোলরক্ষক ভয়চেখ শেজনিও তাঁর পেনাল্টি ঠেকিয়েছিলেন।

 

টাইব্রেকার বাদ দিলে বিশ্বকাপে মেসির পেনাল্টি মিস এখন ৪টি। এই তালিকায় তাঁর চেয়ে বেশি পেনাল্টি মিস নেই কোনো খেলোয়াড়ের। মিশরের বিপক্ষে ব্যর্থতার পর আরেকটি অনাকাঙ্ক্ষিত রেকর্ডও তাঁর নামে উঠেছে। একই বিশ্বকাপে দুটি পেনাল্টি মিস করা প্রথম খেলোয়াড় হয়েছেন মেসি।

 

আর্জেন্টিনার অন্য পেনাল্টিটি নিয়েছিলেন লাউতারো মার্তিনেজ। গ্রুপ পর্বে জর্ডানের বিপক্ষে স্কালোনি কয়েকজন নিয়মিত ফুটবলারকে বিশ্রাম দিলে পেনাল্টি নেন লাউতারো, এবং সেটি থেকে গোল করেন।

 

ব্রাজিলের ৩ পেনাল্টির মধ্যে দুটি এসেছে নরওয়ের বিপক্ষে বিদায়ের ম্যাচে। ব্রুনো গিমারায়েস প্রথম পেনাল্টি মিস করেন, পরে নেইমার আরেকটি পেনাল্টি থেকে গোল করেন। ২০২২ বিশ্বকাপে দক্ষিণ কোরিয়ার বিপক্ষে ৪-১ জয়ের ম্যাচেও পেনাল্টি থেকে গোল করেছিলেন নেইমার।

 

পরিসংখ্যানটি আর্জেন্টিনা-মিশর ম্যাচের ভিএআর বিতর্কের পর নতুন করে আলোচনায় এসেছে। তবে শুধু পেনাল্টির সংখ্যা দিয়ে কোনো পক্ষপাত প্রমাণ করা যায় না। পেনাল্টি পাওয়া নির্ভর করে প্রতিপক্ষের বক্সে আক্রমণ, ড্রিবল, রক্ষণভাগের ভুল, রেফারির সিদ্ধান্ত এবং ভিএআর পর্যালোচনার ওপর। তাই এই সংখ্যা যেমন আর্জেন্টিনার বক্সে চাপ তৈরির সামর্থ্য দেখায়, তেমনি গত দুই বিশ্বকাপে তাদের ম্যাচ ঘিরে বিতর্কের মাত্রাও বোঝায়।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

১৯ দিন পর আবারও খুলছে শাহজালাল মাজারের দানবাক্স

গত দুই বিশ্বকাপে পেনাল্টি পাওয়ার শীর্ষে আর্জেন্টিনা

আপডেট সময় ১১:৫৫:৩২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ জুলাই ২০২৬

২০২২ ও ২০২৬ বিশ্বকাপ মিলিয়ে পেনাল্টি পাওয়ার তালিকায় সবার ওপরে আর্জেন্টিনা। গত দুই আসরে আর্জেন্টিনা পেয়েছে মোট ৮টি পেনাল্টি। এর মধ্যে ২০২২ কাতার বিশ্বকাপে ছিল ৫টি, আর চলতি ২০২৬ বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত ৩টি। দ্বিতীয় স্থানে থাকা ইংল্যান্ড পেয়েছে ৪টি পেনাল্টি, আর্জেন্টিনার অর্ধেক।

 

সংবাদমাধ্যম জিই-এর পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত দুই বিশ্বকাপে পেনাল্টি পাওয়ার সংখ্যায় আর্জেন্টিনা অনেকটাই এগিয়ে। ইংল্যান্ডের ৪টির পর ৩টি করে পেনাল্টি পেয়েছে ব্রাজিল, ফ্রান্স ও পর্তুগাল। ২টি করে পেনাল্টি পেয়েছে জার্মানি, ইরান, পোল্যান্ড ও সুইজারল্যান্ড।

 

১টি করে পেনাল্টি পাওয়া দলের তালিকায় আছে দক্ষিণ আফ্রিকা, সৌদি আরব, অস্ট্রিয়া, বেলজিয়াম, কানাডা, ইকুয়েডর, স্পেন, ঘানা, মেক্সিকো, নরওয়ে, ওয়েলস, ডিআর কঙ্গো ও সেনেগাল।

 

আর্জেন্টিনার ৮ পেনাল্টির মধ্যে ৭টিই নিয়েছেন লিওনেল মেসি। মিশরের বিপক্ষে শেষ ষোলোর ম্যাচে পেনাল্টি মিস করেন আর্জেন্টিনা অধিনায়ক। এর আগে চলতি বিশ্বকাপে অস্ট্রিয়ার বিপক্ষেও তাঁর শট পোস্টে লাগে। ২০২২ বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে পোল্যান্ডের গোলরক্ষক ভয়চেখ শেজনিও তাঁর পেনাল্টি ঠেকিয়েছিলেন।

 

টাইব্রেকার বাদ দিলে বিশ্বকাপে মেসির পেনাল্টি মিস এখন ৪টি। এই তালিকায় তাঁর চেয়ে বেশি পেনাল্টি মিস নেই কোনো খেলোয়াড়ের। মিশরের বিপক্ষে ব্যর্থতার পর আরেকটি অনাকাঙ্ক্ষিত রেকর্ডও তাঁর নামে উঠেছে। একই বিশ্বকাপে দুটি পেনাল্টি মিস করা প্রথম খেলোয়াড় হয়েছেন মেসি।

 

আর্জেন্টিনার অন্য পেনাল্টিটি নিয়েছিলেন লাউতারো মার্তিনেজ। গ্রুপ পর্বে জর্ডানের বিপক্ষে স্কালোনি কয়েকজন নিয়মিত ফুটবলারকে বিশ্রাম দিলে পেনাল্টি নেন লাউতারো, এবং সেটি থেকে গোল করেন।

 

ব্রাজিলের ৩ পেনাল্টির মধ্যে দুটি এসেছে নরওয়ের বিপক্ষে বিদায়ের ম্যাচে। ব্রুনো গিমারায়েস প্রথম পেনাল্টি মিস করেন, পরে নেইমার আরেকটি পেনাল্টি থেকে গোল করেন। ২০২২ বিশ্বকাপে দক্ষিণ কোরিয়ার বিপক্ষে ৪-১ জয়ের ম্যাচেও পেনাল্টি থেকে গোল করেছিলেন নেইমার।

 

পরিসংখ্যানটি আর্জেন্টিনা-মিশর ম্যাচের ভিএআর বিতর্কের পর নতুন করে আলোচনায় এসেছে। তবে শুধু পেনাল্টির সংখ্যা দিয়ে কোনো পক্ষপাত প্রমাণ করা যায় না। পেনাল্টি পাওয়া নির্ভর করে প্রতিপক্ষের বক্সে আক্রমণ, ড্রিবল, রক্ষণভাগের ভুল, রেফারির সিদ্ধান্ত এবং ভিএআর পর্যালোচনার ওপর। তাই এই সংখ্যা যেমন আর্জেন্টিনার বক্সে চাপ তৈরির সামর্থ্য দেখায়, তেমনি গত দুই বিশ্বকাপে তাদের ম্যাচ ঘিরে বিতর্কের মাত্রাও বোঝায়।