ঢাকা , মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
শিক্ষার্থীদের ওপর ‘নির্মমতা’, মোদিকে ক্ষমা চাইতে বললেন রাহুল গান্ধী জামায়াত এমপির ‘দ্বিতীয় বিয়ে’ নিয়ে প্রশ্ন, দ্বিতীয় স্ত্রী ও শ্বশুরের বক্তব্যে অমিল সাদা পোশাক পরে শিক্ষার্থীদের পেটাচ্ছে পুলিশ সচিব পদমর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী পদে দায়িত্ব গ্রহণ করলেন রাশেদ ‘আমার স্বামীর “বিবাহ” নিয়ে কুৎসা রটাচ্ছে, বিরত না থাকলে আইনি ব্যবস্থা নিব’: প্রথম স্ত্রী এখনই জাতীয় দল থেকে বিদায় নিচ্ছেন না মেসি দেশে ফিরলেন না মেসি-ডি পলসহ ৭ ফুটবলার ইরানের বিরুদ্ধে ফের পূর্ণমাত্রায় যুদ্ধ করার মতো ক্ষেপণাস্ত্র নেই যুক্তরাষ্ট্রের ২০৩০ বিশ্বকাপে জায়গা নিশ্চিত, তবুও বাছাইপর্ব খেলতে হবে আর্জেন্টিনাকে সিসি টিভি লাগান ড্রাইভার, নেপথ্যে ১০ লাখ চাঁদা দাবি: ভাইরাল সেই ভিডিও নিয়ে জামায়াত এমপির বিবৃতি

আর্জেন্টিনার হার সইতে না পেরে যুবকের আত্মহত্যা

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০১:৩৯:৩১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬
  • ৬৫ বার পড়া হয়েছে

ফুটবল আনন্দের, আবেগের। কিন্তু সেই আবেগ যখন জীবনের চেয়েও বড় হয়ে ওঠে, তখন জন্ম নেয় মর্মান্তিক ট্র্যাজেডি। কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় প্রিয় দল আর্জেন্টিনার পরাজয়ের পর আত্মহত্যা করেছেন এক তরুণ সমর্থক। ঘটনাটি এলাকায় শোকের ছায়া ফেলেছে।

কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা উপজেলার ১৬ দাগ চাষীক্লাব মোড় এলাকায় আর্জেন্টিনার কট্টর সমর্থক সুমন নামে ৩০ বছর বয়সী এক যুবক গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। সোমবার সকালে পরিবারের সদস্যরা তাকে ঘরের আড়ার সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। পরে খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।

পরিবার ও স্থানীয়দের ভাষ্য, বিশ্বকাপ ফাইনালে আর্জেন্টিনার পরাজয়ের পর থেকেই সুমন গভীরভাবে হতাশ ছিলেন। রাতে বাড়ি ফিরে মোবাইলে খেলা-সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় দেখছিলেন। এ সময় তার স্ত্রী সন্তানদের ঘুমের কথা ভেবে ফোন বন্ধ করে বিশ্রাম নিতে বলেন। এরপর সবার অজান্তেই তিনি আত্মহননের পথ বেছে নেন।

সুমন ছিলেন দুই সন্তানের জনক। তার পাঁচ বছর ও দেড় বছর বয়সী দুই শিশু সন্তানকে রেখে চলে যাওয়ায় পরিবারে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। স্থানীয়রা বলছেন, খেলাধুলা কখনোই জীবনের চেয়ে বড় হতে পারে না। এমন অন্ধ আবেগ থেকে সবাইকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।

এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে বলে জানিয়েছে ভেড়ামারা থানা পুলিশ।

খেলাধুলা বিনোদন ও আনন্দের জন্য, জীবনের বিকল্প নয়। যদি কোনো খেলা, ফলাফল বা অন্য কোনো কারণে কেউ চরম হতাশা, আত্মহত্যার চিন্তা বা মানসিক সংকটে ভুগে থাকেন, তবে পরিবারের সদস্য, বন্ধু বা মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞের সঙ্গে দ্রুত কথা বলা অত্যন্ত জরুরি। সময়মতো পাশে দাঁড়ানো একটি জীবন বাঁচাতে পারে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

শিক্ষার্থীদের ওপর ‘নির্মমতা’, মোদিকে ক্ষমা চাইতে বললেন রাহুল গান্ধী

আর্জেন্টিনার হার সইতে না পেরে যুবকের আত্মহত্যা

আপডেট সময় ০১:৩৯:৩১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬

ফুটবল আনন্দের, আবেগের। কিন্তু সেই আবেগ যখন জীবনের চেয়েও বড় হয়ে ওঠে, তখন জন্ম নেয় মর্মান্তিক ট্র্যাজেডি। কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় প্রিয় দল আর্জেন্টিনার পরাজয়ের পর আত্মহত্যা করেছেন এক তরুণ সমর্থক। ঘটনাটি এলাকায় শোকের ছায়া ফেলেছে।

কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা উপজেলার ১৬ দাগ চাষীক্লাব মোড় এলাকায় আর্জেন্টিনার কট্টর সমর্থক সুমন নামে ৩০ বছর বয়সী এক যুবক গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। সোমবার সকালে পরিবারের সদস্যরা তাকে ঘরের আড়ার সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। পরে খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।

পরিবার ও স্থানীয়দের ভাষ্য, বিশ্বকাপ ফাইনালে আর্জেন্টিনার পরাজয়ের পর থেকেই সুমন গভীরভাবে হতাশ ছিলেন। রাতে বাড়ি ফিরে মোবাইলে খেলা-সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় দেখছিলেন। এ সময় তার স্ত্রী সন্তানদের ঘুমের কথা ভেবে ফোন বন্ধ করে বিশ্রাম নিতে বলেন। এরপর সবার অজান্তেই তিনি আত্মহননের পথ বেছে নেন।

সুমন ছিলেন দুই সন্তানের জনক। তার পাঁচ বছর ও দেড় বছর বয়সী দুই শিশু সন্তানকে রেখে চলে যাওয়ায় পরিবারে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। স্থানীয়রা বলছেন, খেলাধুলা কখনোই জীবনের চেয়ে বড় হতে পারে না। এমন অন্ধ আবেগ থেকে সবাইকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।

এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে বলে জানিয়েছে ভেড়ামারা থানা পুলিশ।

খেলাধুলা বিনোদন ও আনন্দের জন্য, জীবনের বিকল্প নয়। যদি কোনো খেলা, ফলাফল বা অন্য কোনো কারণে কেউ চরম হতাশা, আত্মহত্যার চিন্তা বা মানসিক সংকটে ভুগে থাকেন, তবে পরিবারের সদস্য, বন্ধু বা মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞের সঙ্গে দ্রুত কথা বলা অত্যন্ত জরুরি। সময়মতো পাশে দাঁড়ানো একটি জীবন বাঁচাতে পারে।