বগুড়ার আদমদীঘিতে ফার্মেসি থেকে ওষুধ চুরির সময় আলামিন হোসেন নামে এক যুবককে আটক করে শাস্তি হিসেবে ১০০ রাকাত নফল নামাজ পড়ানোর অভিযোগ উঠেছে।
বুধবার (২৬ আগস্ট) দুপুরে উপজেলার সান্তাহার পূর্ব ঢাকারোড এলাকায় তাজ ফার্মেসি অ্যান্ড মেডিসিন শপে এ ঘটনা ঘটে।
আলামিন উপজেলার ছাতিয়ানগ্রামের আশরাফুল ইসলামের ছেলে।
ফার্মেসির মালিক জহুরুল ইসলাম জানান, দুপুর ১২টার দিকে দোকান খুলে রেখে তিনি বাথরুমে যান। এ সুযোগে আলামিন দোকানের গেটে একটি চেয়ারের ওপর দাঁড়িয়ে বিভিন্ন ধরনের ওষুধ নেওয়ার চেষ্টা করছিলেন। একপর্যায়ে চেয়ারটি ভেঙে পড়ে যান তিনি।
বিষয়টি পাশের দোকানি মাসুদ দেখতে পেয়ে দ্রুত সেখানে গিয়ে আলামিনকে আটক করেন। পরে স্থানীয়রা জড়ো হয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনি ওষুধ চুরির কথা স্বীকার করেন।
পাশের দোকানি জিল্লুর রহমান মামুন জানান, স্থানীয়রা তাকে শাস্তি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। পরে ১০০ রাকাত নফল নামাজ পড়তে বলা হয়। নামাজ পড়ানো না হলে তাকে মারধর করা হতে পারে—এমন আশঙ্কায় তাকে নামাজ পড়ানো হয় বলেও জানান তিনি।
স্থানীয়দের দাবি, নামাজের মাধ্যমে আলামিন যেন নিজের অপরাধের জন্য অনুতপ্ত হন এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকেন, সেই উদ্দেশ্যেই তাকে এ শাস্তি দেওয়া হয়।
পরে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

ডেস্ক রিপোর্ট 
























