ঢাকা , রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
সম্পত্তি দান করেও আজীবন ভোগদখলের অধিকার, আসছে নতুন আইন অভিনয়ে আর ফিরবেন না পপি, বাঁচতে চান আল্লাহ-খোদার নাম নিয়ে ‘সন্তান বিক্রি’ করে ঢাকায় এসে নতুন আইফোন কিনলেন বাবা বন্যার স্রোত আসতে দেখেই ছুটির ঘণ্টা, প্রধান শিক্ষকের দূরদর্শিতায় রক্ষা পেল ১৬৪৩ শিক্ষার্থীর প্রাণ জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে ইমামের সরকারি ভাতা তুলে নেওয়ার অভিযোগ সংসদের স্থায়ী কমিটির বৈঠক বর্জন করলো জামায়াত, জানা গেল কারণ ওয়াশিংটনের সঙ্গে চুক্তি সত্ত্বেও ইরানে আবারও হামলার হুঁশিয়ারি ইসরায়েলের কর্মসূচি ডাকবে জামায়াত, তাতে ঢুকে পড়বে আওয়ামী লীগ বললেন রাশেদ খাঁন ট্রাম্পের ‘লেক আমেরিকা’ বলার পর ‘লেক অন্টারিও’ সাইনবোর্ড বসাল কানাডা ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনে জামায়াতের চুড়ান্ত প্রার্থী দেলাওয়ার হোসেন

‘সন্তান বিক্রি’ করে ঢাকায় এসে নতুন আইফোন কিনলেন বাবা

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৬:৩০:৩১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬
  • ৩ বার পড়া হয়েছে

পটুয়াখালীর দশমিনায় দেড় বছরের এক ছেলে সন্তানকে অন্যের কাছে দিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে তার বাবার বিরুদ্ধে। পরিবারের দাবি, শিশুটিকে দেওয়ার বিনিময়ে এক লাখ টাকা নেওয়া হয়েছে এবং সেই টাকা নিয়ে ঢাকায় গিয়ে পুরনো আইফোন বদলে নতুন আইফোন কিনেছেন অভিযুক্ত বাবা।

শনিবার উপজেলার বেতাগী-সানকিপুর ইউনিয়নের মাছুয়াখালী গ্রামের মুন্সিবাড়ি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত বাবার নাম মো. মারুফ। তিনি পেশায় কাঠমিস্ত্রি।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, শনিবার সকালে মারুফ তার মা মাহফুজা বেগমকে দিয়ে ছেলে মুসাকে জামাকাপড় পরিয়ে নেন। এরপর বাজারে যাওয়ার কথা বলে শিশুটিকে নিয়ে বাড়ি থেকে বের হন। দীর্ঘ সময় পরও তারা ফিরে না আসায় স্বজনরা খোঁজ শুরু করেন।

পরে মোবাইলে যোগাযোগ করা হলে মারুফ জানান, দশমিনা উপজেলার আলীপুর ইউনিয়নের রোমানাথসেন গ্রামের ইমরান হোসেনের কাছে লিখিতভাবে শিশুটিকে দিয়ে দিয়েছেন। পরিবারের অভিযোগ, এর বিনিময়ে তিনি এক লাখ টাকা নিয়েছেন।

শিশুটির দাদি মাহফুজা বেগম বলেন, তিনি তার নাতিকে ফিরে পেতে চান। তার দাবি, ছেলেকে বাজারে নেওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হওয়ার পরই এ ঘটনা ঘটে।

অন্যদিকে, শিশুটিকে নিজের কাছে রাখা ইমরান হোসেন দাবি করেন, মারুফ আগে থেকেই তার কাছে সন্তানকে দেওয়ার কথা বলে আসছিলেন। তার শ্বশুরের পাঁচ মেয়ে থাকলেও কোনো ছেলে সন্তান নেই। পরিবারের সঙ্গে আলোচনা করেই শিশুটিকে রাখা হয়েছে বলে জানান তিনি।

তবে টাকা লেনদেনের বিষয়টি এখনো নিশ্চিত করেনি পুলিশ। দশমিনা থানার ওসি মো. আতিকুল ইসলাম জানান, শিশুটিকে উদ্ধারের কার্যক্রম চলছে এবং অভিযুক্ত বাবাকে ঢাকা থেকে আনার চেষ্টা করা হচ্ছে।

পুলিশ বলছে, তদন্ত শেষে প্রকৃত ঘটনা এবং টাকা লেনদেনের বিষয়টি পরিষ্কার হবে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

সম্পত্তি দান করেও আজীবন ভোগদখলের অধিকার, আসছে নতুন আইন

‘সন্তান বিক্রি’ করে ঢাকায় এসে নতুন আইফোন কিনলেন বাবা

আপডেট সময় ০৬:৩০:৩১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬

পটুয়াখালীর দশমিনায় দেড় বছরের এক ছেলে সন্তানকে অন্যের কাছে দিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে তার বাবার বিরুদ্ধে। পরিবারের দাবি, শিশুটিকে দেওয়ার বিনিময়ে এক লাখ টাকা নেওয়া হয়েছে এবং সেই টাকা নিয়ে ঢাকায় গিয়ে পুরনো আইফোন বদলে নতুন আইফোন কিনেছেন অভিযুক্ত বাবা।

শনিবার উপজেলার বেতাগী-সানকিপুর ইউনিয়নের মাছুয়াখালী গ্রামের মুন্সিবাড়ি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত বাবার নাম মো. মারুফ। তিনি পেশায় কাঠমিস্ত্রি।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, শনিবার সকালে মারুফ তার মা মাহফুজা বেগমকে দিয়ে ছেলে মুসাকে জামাকাপড় পরিয়ে নেন। এরপর বাজারে যাওয়ার কথা বলে শিশুটিকে নিয়ে বাড়ি থেকে বের হন। দীর্ঘ সময় পরও তারা ফিরে না আসায় স্বজনরা খোঁজ শুরু করেন।

পরে মোবাইলে যোগাযোগ করা হলে মারুফ জানান, দশমিনা উপজেলার আলীপুর ইউনিয়নের রোমানাথসেন গ্রামের ইমরান হোসেনের কাছে লিখিতভাবে শিশুটিকে দিয়ে দিয়েছেন। পরিবারের অভিযোগ, এর বিনিময়ে তিনি এক লাখ টাকা নিয়েছেন।

শিশুটির দাদি মাহফুজা বেগম বলেন, তিনি তার নাতিকে ফিরে পেতে চান। তার দাবি, ছেলেকে বাজারে নেওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হওয়ার পরই এ ঘটনা ঘটে।

অন্যদিকে, শিশুটিকে নিজের কাছে রাখা ইমরান হোসেন দাবি করেন, মারুফ আগে থেকেই তার কাছে সন্তানকে দেওয়ার কথা বলে আসছিলেন। তার শ্বশুরের পাঁচ মেয়ে থাকলেও কোনো ছেলে সন্তান নেই। পরিবারের সঙ্গে আলোচনা করেই শিশুটিকে রাখা হয়েছে বলে জানান তিনি।

তবে টাকা লেনদেনের বিষয়টি এখনো নিশ্চিত করেনি পুলিশ। দশমিনা থানার ওসি মো. আতিকুল ইসলাম জানান, শিশুটিকে উদ্ধারের কার্যক্রম চলছে এবং অভিযুক্ত বাবাকে ঢাকা থেকে আনার চেষ্টা করা হচ্ছে।

পুলিশ বলছে, তদন্ত শেষে প্রকৃত ঘটনা এবং টাকা লেনদেনের বিষয়টি পরিষ্কার হবে।