নিখোঁজের ৫০ দিন পর মিলল এক বৃদ্ধের মরদেহ। তাও আবার বাড়ির পাশের আত্মীয়ের রান্নাঘরের মাটির ৮ থেকে ১০ ফুট নিচে পুঁতে রাখা অবস্থায়। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনাটি ঘটেছে মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখানে।
বুধবার ভোরে অভিযান চালিয়ে উপজেলার জৈনসার ইউনিয়নের চাইনপাড়া গ্রাম থেকে ৬০ বছর বয়সী আওলাদ হোসেনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
পুলিশ জানায়, গত ৯ মে থেকে নিখোঁজ ছিলেন আওলাদ হোসেন। দীর্ঘদিন খোঁজাখুঁজির পরও তার কোনো সন্ধান মেলেনি। পরে ২৩ মে তার ভাই সিরাজদিখান থানায় একটি নিখোঁজের মামলা করেন। পরিবারের সদস্যরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও তাকে খুঁজে পাওয়ার আহ্বান জানিয়েছিলেন। কিন্তু কোনো সূত্রই কাজে আসেনি।
অবশেষে তদন্তে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ অভিযান চালায়। এরপর বাড়ির পাশেই এক আত্মীয়ের রান্নাঘরের মাটি খুঁড়ে প্রায় ৮ থেকে ১০ ফুট গভীর থেকে উদ্ধার করা হয় আওলাদ হোসেনের মরদেহ।
স্থানীয়দের দাবি, আওলাদ হোসেনের পারিবারিক জীবনে জটিলতা ছিল। তিনি দুটি বিয়ে করেছিলেন এবং সম্পত্তি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল।
এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে চারজনকে আটক করেছে পুলিশ। তারা হলেন—মানিক বেপারী, বিন আমিন, রিপন এবং রংপুরের সাইফুল ইসলাম।
সিরাজদিখান থানার ওসি মো. আলাউদ্দিন জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, টাকা-পয়সা, স্বর্ণালংকার ও সম্পত্তি-সংক্রান্ত বিরোধের জেরেই এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। তবে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত নিশ্চিত করে কিছু বলা যাচ্ছে না।
একজন নিখোঁজ মানুষকে খুঁজতে খুঁজতে শেষ পর্যন্ত মিলল তার মরদেহ। আর সেই মরদেহ উদ্ধার হলো বাড়ির পাশেরই একটি রান্নাঘরের মাটির নিচ থেকে। ঘটনাটি এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। এখন তদন্ত শেষে বেরিয়ে আসার অপেক্ষায় রয়েছে এই হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত রহস্য।

ডেস্ক রিপোর্ট 
























