ঢাকা , রবিবার, ০৭ ডিসেম্বর ২০২৫, ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
বেগম জিয়ার খোঁজ নিতে ফের এভারকেয়ারে জুবাইদা রহমান বাবরি মসজিদ নির্মাণে বাজেট ৩০০ কোটি, এক ব্যবসায়ীই দিবেন ৮০ কোটি টাকা তফসিল এ সপ্তাহেই, ভোটের সময় বাড়বে এক ঘণ্টা: ইসি সানাউল্লাহ টাকা, প্রভাবশালী মামা-খালু-শ্বশুর না থাকলে রাজনীতি কইরেন না: দুধ দিয়ে গোসল যুবদল নেতার নিজ এলাকায় বিক্ষুব্ধ জনতার স্লোগান ‘ফুয়াদের দুই গালে জুতা মারো তালে তালে’ ভয়াবহ হামলায় একদিনে ১৪৫০ ইউক্রেনীয় সেনা নিহত বিকেলে এনসিপিসহ তিন দলের নতুন জোটের ঘোষণা ঘরে ঢুকে মুক্তিযোদ্ধা ও তার স্ত্রীকে গলা কেটে হত্যা শেখ হাসিনাকে উদ্ধারে বিমানঘাঁটি ও কমান্ডো প্লাটুন প্রস্তুত রেখেছিল ভারত ছাত্রের মাকে কুপ্রস্তা, জামায়াত নেতা সাময়িক বহিষ্কার

জীবনে আর কখনও খাদ্যপণ্যের বিজ্ঞাপন করব না: ডা. এজাজ

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৩:২০:৫১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ৪৫৭ বার পড়া হয়েছে

অভিনয় দিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই দর্শকের আস্থা অর্জন করেছেন ডা. এজাজ। কিন্তু এবার উল্টো স্রোতে ভাসতে হলো তাঁকে। ‘খাঁটি-ঘি’ নামের এক অনলাইন প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপনে অংশ নেওয়ায় তিনি সমালোচনার মুখে পড়েছেন, এমনকি যেতে হয়েছে জাতীয় ভোক্তা অধিদপ্তরেও।

সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কয়েকজন ভোক্তা অভিযোগ তুলেছেন-ডা. এজাজের প্রতি ভরসা করেই তারা ‘খাঁটি-ঘি’ থেকে পণ্য কিনেছেন, কিন্তু পেয়েছেন নিম্নমানের এবং প্রতারণাপূর্ণ দ্রব্য। ঢাকার এক গ্রাহক বলেন, ‘অনলাইনে বিজ্ঞাপন দেখলেও বিশ্বাস পাই না। কিন্তু এজাজ ভাইকে দেখে ভরসা করেছিলাম। পরে বুঝলাম প্রতারিত হয়েছি।’ একই অভিযোগ ছড়িয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়।

এই পরিস্থিতি নজরে আসতেই হতাশ ও ক্ষুব্ধ ডা. এজাজ। এক সাক্ষাৎকারে বলেন,‘সম্প্রতি ভোক্তা অধিদপ্তর আমাকে ডেকেছিল। তারা জানিয়েছেন, আমাকে দেখিয়ে প্রতিষ্ঠানটি ভক্তদের সঙ্গে প্রতারণা করছে। আমি তাদের বলেছি-বিজ্ঞাপন করার সময় আমাকে বিএসটিআইয়ের ছাড়পত্র দেখানো হয়েছিল, তাই বিশ্বাস করেছিলাম।’

তিনি আরও জানান, প্রতিষ্ঠানের একজন পরিচালক তাঁকে পণ্যের গায়ে বিএসটিআই লোগো দেখান। তাই তিনি ধরে নিয়েছিলেন, পণ্যটি পরীক্ষিত ও মানসম্মত। ‘যদি প্রতিষ্ঠানটি সত্যিই ভেজাল পণ্য দিয়ে থাকে, তবে ভোক্তা অধিদপ্তর যেন তদন্ত করে কঠোর ব্যবস্থা নেয়—বললেন এজাজ। এ বিষয়ে তিনি ইতোমধ্যে লিখিত অভিযোগও জমা দিয়েছেন।

তবে অভিযোগ দায়েরের পরও বিজ্ঞাপনটি এখনো সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচার হচ্ছে। বিষয়টি বন্ধে প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে কথা বলেও কোনো ফল পাননি তিনি। ‘বলেছি যে বিজ্ঞাপন বন্ধ করুন, মানুষকে আর প্রতারণা করবেন না। কিন্তু তারা শুনছে না। বিষয়টি ভোক্তা অধিদপ্তরকে জানিয়েছি,-বললেন তিনি।

সবশেষে নিজের সিদ্ধান্ত জানিয়ে ডা. এজাজ বলেন,‘এই ঘটনার পর স্থির সিদ্ধান্ত নিয়েছি-জীবনে আর কখনই খাদ্যপণ্যের বিজ্ঞাপন করব না। মানুষের ভরসাকে কেউ যেন আর ব্যবহার করতে না পারে।’

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

বেগম জিয়ার খোঁজ নিতে ফের এভারকেয়ারে জুবাইদা রহমান

জীবনে আর কখনও খাদ্যপণ্যের বিজ্ঞাপন করব না: ডা. এজাজ

আপডেট সময় ০৩:২০:৫১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ ডিসেম্বর ২০২৫

অভিনয় দিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই দর্শকের আস্থা অর্জন করেছেন ডা. এজাজ। কিন্তু এবার উল্টো স্রোতে ভাসতে হলো তাঁকে। ‘খাঁটি-ঘি’ নামের এক অনলাইন প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপনে অংশ নেওয়ায় তিনি সমালোচনার মুখে পড়েছেন, এমনকি যেতে হয়েছে জাতীয় ভোক্তা অধিদপ্তরেও।

সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কয়েকজন ভোক্তা অভিযোগ তুলেছেন-ডা. এজাজের প্রতি ভরসা করেই তারা ‘খাঁটি-ঘি’ থেকে পণ্য কিনেছেন, কিন্তু পেয়েছেন নিম্নমানের এবং প্রতারণাপূর্ণ দ্রব্য। ঢাকার এক গ্রাহক বলেন, ‘অনলাইনে বিজ্ঞাপন দেখলেও বিশ্বাস পাই না। কিন্তু এজাজ ভাইকে দেখে ভরসা করেছিলাম। পরে বুঝলাম প্রতারিত হয়েছি।’ একই অভিযোগ ছড়িয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়।

এই পরিস্থিতি নজরে আসতেই হতাশ ও ক্ষুব্ধ ডা. এজাজ। এক সাক্ষাৎকারে বলেন,‘সম্প্রতি ভোক্তা অধিদপ্তর আমাকে ডেকেছিল। তারা জানিয়েছেন, আমাকে দেখিয়ে প্রতিষ্ঠানটি ভক্তদের সঙ্গে প্রতারণা করছে। আমি তাদের বলেছি-বিজ্ঞাপন করার সময় আমাকে বিএসটিআইয়ের ছাড়পত্র দেখানো হয়েছিল, তাই বিশ্বাস করেছিলাম।’

তিনি আরও জানান, প্রতিষ্ঠানের একজন পরিচালক তাঁকে পণ্যের গায়ে বিএসটিআই লোগো দেখান। তাই তিনি ধরে নিয়েছিলেন, পণ্যটি পরীক্ষিত ও মানসম্মত। ‘যদি প্রতিষ্ঠানটি সত্যিই ভেজাল পণ্য দিয়ে থাকে, তবে ভোক্তা অধিদপ্তর যেন তদন্ত করে কঠোর ব্যবস্থা নেয়—বললেন এজাজ। এ বিষয়ে তিনি ইতোমধ্যে লিখিত অভিযোগও জমা দিয়েছেন।

তবে অভিযোগ দায়েরের পরও বিজ্ঞাপনটি এখনো সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচার হচ্ছে। বিষয়টি বন্ধে প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে কথা বলেও কোনো ফল পাননি তিনি। ‘বলেছি যে বিজ্ঞাপন বন্ধ করুন, মানুষকে আর প্রতারণা করবেন না। কিন্তু তারা শুনছে না। বিষয়টি ভোক্তা অধিদপ্তরকে জানিয়েছি,-বললেন তিনি।

সবশেষে নিজের সিদ্ধান্ত জানিয়ে ডা. এজাজ বলেন,‘এই ঘটনার পর স্থির সিদ্ধান্ত নিয়েছি-জীবনে আর কখনই খাদ্যপণ্যের বিজ্ঞাপন করব না। মানুষের ভরসাকে কেউ যেন আর ব্যবহার করতে না পারে।’