ঢাকা , সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ব্যানার পুড়িয়ে দিল ছাত্রদল জর্দার কৌটায় জমিয়ে ছিলেন ১০ বছরের সঞ্চয়, খুলে দেখলেন সব টাকা পচে-ঝাঁঝরা আমার অনুপস্থিতিতে আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ সেলিম: শেখ হাসিনা ইরান যুদ্ধে নিহত মার্কিন সৈন্যদের আর্থিক সুবিধা দিতে অস্বীকৃতি পেন্টাগনের বন্যায় মৃত্যু ভেবে শেষকৃত্যের প্রস্তুতি, ১০ দিন পর ধ্বংসস্তূপ থেকে জীবিত উদ্ধার নারী প্রতিবেশীর গোপন খবর বিক্রি করে দুই বাড়ির মালিক বৃদ্ধা! থাইল্যান্ড ছাড়ল মার্কিন বিমানবাহী রণতরি আব্রাহাম লিংকন এশিয়া কাপ ফাইনালে থাকছেন নাকভি, এবারও কি ‘খালি হাতে’ ফিরবে ভারত? প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় অভিমুখে ৩৫০ গাড়ির লংমার্চ হবে: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী রান্না না করে নাচের ক্লাসে যাওয়া নিয়ে ঝগড়া, স্ত্রীকে পিটিয়ে মারলেন স্বামী

জীবনে আর কখনও খাদ্যপণ্যের বিজ্ঞাপন করব না: ডা. এজাজ

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৩:২০:৫১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ৭৩৩ বার পড়া হয়েছে

অভিনয় দিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই দর্শকের আস্থা অর্জন করেছেন ডা. এজাজ। কিন্তু এবার উল্টো স্রোতে ভাসতে হলো তাঁকে। ‘খাঁটি-ঘি’ নামের এক অনলাইন প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপনে অংশ নেওয়ায় তিনি সমালোচনার মুখে পড়েছেন, এমনকি যেতে হয়েছে জাতীয় ভোক্তা অধিদপ্তরেও।

সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কয়েকজন ভোক্তা অভিযোগ তুলেছেন-ডা. এজাজের প্রতি ভরসা করেই তারা ‘খাঁটি-ঘি’ থেকে পণ্য কিনেছেন, কিন্তু পেয়েছেন নিম্নমানের এবং প্রতারণাপূর্ণ দ্রব্য। ঢাকার এক গ্রাহক বলেন, ‘অনলাইনে বিজ্ঞাপন দেখলেও বিশ্বাস পাই না। কিন্তু এজাজ ভাইকে দেখে ভরসা করেছিলাম। পরে বুঝলাম প্রতারিত হয়েছি।’ একই অভিযোগ ছড়িয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়।

এই পরিস্থিতি নজরে আসতেই হতাশ ও ক্ষুব্ধ ডা. এজাজ। এক সাক্ষাৎকারে বলেন,‘সম্প্রতি ভোক্তা অধিদপ্তর আমাকে ডেকেছিল। তারা জানিয়েছেন, আমাকে দেখিয়ে প্রতিষ্ঠানটি ভক্তদের সঙ্গে প্রতারণা করছে। আমি তাদের বলেছি-বিজ্ঞাপন করার সময় আমাকে বিএসটিআইয়ের ছাড়পত্র দেখানো হয়েছিল, তাই বিশ্বাস করেছিলাম।’

তিনি আরও জানান, প্রতিষ্ঠানের একজন পরিচালক তাঁকে পণ্যের গায়ে বিএসটিআই লোগো দেখান। তাই তিনি ধরে নিয়েছিলেন, পণ্যটি পরীক্ষিত ও মানসম্মত। ‘যদি প্রতিষ্ঠানটি সত্যিই ভেজাল পণ্য দিয়ে থাকে, তবে ভোক্তা অধিদপ্তর যেন তদন্ত করে কঠোর ব্যবস্থা নেয়—বললেন এজাজ। এ বিষয়ে তিনি ইতোমধ্যে লিখিত অভিযোগও জমা দিয়েছেন।

তবে অভিযোগ দায়েরের পরও বিজ্ঞাপনটি এখনো সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচার হচ্ছে। বিষয়টি বন্ধে প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে কথা বলেও কোনো ফল পাননি তিনি। ‘বলেছি যে বিজ্ঞাপন বন্ধ করুন, মানুষকে আর প্রতারণা করবেন না। কিন্তু তারা শুনছে না। বিষয়টি ভোক্তা অধিদপ্তরকে জানিয়েছি,-বললেন তিনি।

সবশেষে নিজের সিদ্ধান্ত জানিয়ে ডা. এজাজ বলেন,‘এই ঘটনার পর স্থির সিদ্ধান্ত নিয়েছি-জীবনে আর কখনই খাদ্যপণ্যের বিজ্ঞাপন করব না। মানুষের ভরসাকে কেউ যেন আর ব্যবহার করতে না পারে।’

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ব্যানার পুড়িয়ে দিল ছাত্রদল

জীবনে আর কখনও খাদ্যপণ্যের বিজ্ঞাপন করব না: ডা. এজাজ

আপডেট সময় ০৩:২০:৫১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ ডিসেম্বর ২০২৫

অভিনয় দিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই দর্শকের আস্থা অর্জন করেছেন ডা. এজাজ। কিন্তু এবার উল্টো স্রোতে ভাসতে হলো তাঁকে। ‘খাঁটি-ঘি’ নামের এক অনলাইন প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপনে অংশ নেওয়ায় তিনি সমালোচনার মুখে পড়েছেন, এমনকি যেতে হয়েছে জাতীয় ভোক্তা অধিদপ্তরেও।

সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কয়েকজন ভোক্তা অভিযোগ তুলেছেন-ডা. এজাজের প্রতি ভরসা করেই তারা ‘খাঁটি-ঘি’ থেকে পণ্য কিনেছেন, কিন্তু পেয়েছেন নিম্নমানের এবং প্রতারণাপূর্ণ দ্রব্য। ঢাকার এক গ্রাহক বলেন, ‘অনলাইনে বিজ্ঞাপন দেখলেও বিশ্বাস পাই না। কিন্তু এজাজ ভাইকে দেখে ভরসা করেছিলাম। পরে বুঝলাম প্রতারিত হয়েছি।’ একই অভিযোগ ছড়িয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়।

এই পরিস্থিতি নজরে আসতেই হতাশ ও ক্ষুব্ধ ডা. এজাজ। এক সাক্ষাৎকারে বলেন,‘সম্প্রতি ভোক্তা অধিদপ্তর আমাকে ডেকেছিল। তারা জানিয়েছেন, আমাকে দেখিয়ে প্রতিষ্ঠানটি ভক্তদের সঙ্গে প্রতারণা করছে। আমি তাদের বলেছি-বিজ্ঞাপন করার সময় আমাকে বিএসটিআইয়ের ছাড়পত্র দেখানো হয়েছিল, তাই বিশ্বাস করেছিলাম।’

তিনি আরও জানান, প্রতিষ্ঠানের একজন পরিচালক তাঁকে পণ্যের গায়ে বিএসটিআই লোগো দেখান। তাই তিনি ধরে নিয়েছিলেন, পণ্যটি পরীক্ষিত ও মানসম্মত। ‘যদি প্রতিষ্ঠানটি সত্যিই ভেজাল পণ্য দিয়ে থাকে, তবে ভোক্তা অধিদপ্তর যেন তদন্ত করে কঠোর ব্যবস্থা নেয়—বললেন এজাজ। এ বিষয়ে তিনি ইতোমধ্যে লিখিত অভিযোগও জমা দিয়েছেন।

তবে অভিযোগ দায়েরের পরও বিজ্ঞাপনটি এখনো সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচার হচ্ছে। বিষয়টি বন্ধে প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে কথা বলেও কোনো ফল পাননি তিনি। ‘বলেছি যে বিজ্ঞাপন বন্ধ করুন, মানুষকে আর প্রতারণা করবেন না। কিন্তু তারা শুনছে না। বিষয়টি ভোক্তা অধিদপ্তরকে জানিয়েছি,-বললেন তিনি।

সবশেষে নিজের সিদ্ধান্ত জানিয়ে ডা. এজাজ বলেন,‘এই ঘটনার পর স্থির সিদ্ধান্ত নিয়েছি-জীবনে আর কখনই খাদ্যপণ্যের বিজ্ঞাপন করব না। মানুষের ভরসাকে কেউ যেন আর ব্যবহার করতে না পারে।’